
শুরু থেকেই ধুঁকছিলেন হেনরি নিকোলস এবং নিক কেলি। তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, নাহিদ রানাদের মাপা বোলিংয়ের কোনো জবাবই দিতে পারেনি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারা। সফরকারীদের চেপে ধরে একের পর এক ডট আদায় করে নিচ্ছেন স্বাগতিক বোলাররা। তাতে চাপ বাড়ছে কিউইদের।
প্রথম ২০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৬ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। যেখানে ৮৬টি ডট দিয়েছে বাংলাদেশের বোলাররা। বাকি ৩৪ বল থেকে রান করতে পেরেছে অতিথিরা। সর্বোচ্চ ২৯টি ডট দিয়েছেন শরীফুল। বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা কতটা কঠিন পরীক্ষা দিচ্ছে সেটা বোঝার জন্য একটা পরিসংখ্যানই যথেষ্ট। প্রথম বাউন্ডারির দেখা পেতে ব্ল্যাক ক্যাপদের অপেক্ষা করতে হয় পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত।
ইনিংসের অষ্টম ওভারে ঢিমেতালে ব্যাটিং শুরু করা নিউজিল্যান্ড শিবিরে প্রথম আঘাত হানে বাংলাদেশ। নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই নিকোলসকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন রানা। সাজঘরে হাঁটার আগে ২৬ বলে ১৩ রান করেন এই ওপেনার। এক ওভার পর বোলিংয়ে এসে আবার বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন রানা। এ যাত্রায় ৭ বলে ২ রান করা উইল ইয়ংকে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানান এই গতি তারকা।
প্রথম ওয়ানডেতে ১৫ বলে ১৪ রান করে আউট হন টম লাথাম। আজও সমান রান করে ফিরেছেন অধিনায়ক। কিন্তু বল খেয়েছেন বেশি। ছয় মাস পর একাদশে ফেরা সৌম্য সরকারের বলে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দী হওয়ার আগে ৪০ স্ট্রাইকরেটে ৩৫ বল খেলেন তিনি। লাথাম ফিরে গেলে ৫২ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
৩ উইকেট হারানোর পর মুহাম্মদ আব্বাসকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ করছেন কেলি। শুরুটা ধীরস্থির হলেও সুযোগ পেলেই হাত খুলে ব্যাটিং করছেন এই ওপেনার। ফিফটির খুব কাছেই আছেন তিনি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন আব্বাস।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি শুধু গোল কিংবা খেলার মানের জন্য নয়, বরং রেফারি উইলতন সাম্পাইওর কার্ডের ছড়াছড়ির জন্য দীর্ঘদিন ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে। মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ছিল এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। ফুটবল বিশ্বকাপের ৮৬
২৭ মিনিট আগে
সর্বশেষ ১৯৯৪ সালের ১৬ জুন জার্মানির বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন বলিভিয়ার মার্কো এচেভেরি। ঠিক ৩২ বছর পর আজ আসতেকায় সেই তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটালেন সিথোলে।
১ ঘণ্টা আগে
বল পেয়ে যান সুযোগ সন্ধানী কিনিয়োনেস। বক্সের ভেতর ঢুকে দারুণ দক্ষতায় ও ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের দুই পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসান কলম্বিয়ান বংশোদ্ভূত এই মেক্সিকান উইঙ্গার। সঙ্গে নিজের নামটা গেঁথে নেন ইতিহাসের পাতায়। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে গ্যালারিতে বিয়ার হাতে ‘সিয়ে
২ ঘণ্টা আগে
ভিনদেশি খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে নেওয়া নিয়ে একসময় মেক্সিকান ফুটবলে বেশ বিতর্ক ছিল। তবে মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশন সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল—যাঁদের মেক্সিকান জাতীয়তা, ফুটবলীয় দক্ষতা ও দেশের হয়ে খেলার সদিচ্ছা আছে, তাঁদের ‘প্রথম’ বা ‘দ্বিতীয়’ শ্রেণির মেক্সিকান হিসেবে ভেদাভেদ করা হবে না।
২ ঘণ্টা আগে