
অপেক্ষার প্রহর শেষ করে মেক্সিকো সিটিতে পর্দা উঠেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। আর বিশ্বমঞ্চের এই মহারণ শুরু হতে না হতেই দেখা মিলল কাঙ্ক্ষিত গোলের। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার জালে বল জড়িয়ে মেক্সিকোকে উল্লাসে ভাসিয়েছেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। তবে চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, বিশ্বকাপের এবারের আসরের প্রথম গোলটি যিনি করলেন, জন্মসূত্রে তিনি মেক্সিকান নন; বরং এক ‘প্রবাসী’!
ম্যাচের তখন মাত্র ৯ মিনিট পেরিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বক্সের ঠিক সামনে প্রতিপক্ষকে ভুল করতে বাধ্য করে বল কেড়ে নেন মেক্সিকোর লিরা। এরপর দারুণ দক্ষতায় বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুর্দান্ত এক শটে প্রোটিয়া গোলরক্ষক উইলিয়ামসের দুই পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান কিনিয়োনেস । আর তাতেই ১-০ গোলের লিড পায় স্বাগতিকরা, ২০২৬ বিশ্বকাপ পেয়ে যায় টুর্নামেন্টের প্রথম গোলের দেখা।
তবে মেক্সিকোর জার্সিতে ইতিহাস গড়া এই উইঙ্গারের নেপথ্যের গল্পটা আরও বেশি আকর্ষণীয়। কিনোনেস আদতে কলম্বিয়ান বংশোদ্ভূত। ২০১৬ সাল থেকে মেক্সিকোতে পেশাদার ক্লাব ফুটবল খেললেও, একসময় গায়ে জড়িয়েছিলেন কলম্বিয়ার বয়সভিত্তিক দলের জার্সি। তবে মেক্সিকোর হয়ে খেলার স্বপ্ন নিয়ে তিনি নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
ভিনদেশি খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে নেওয়া নিয়ে একসময় মেক্সিকান ফুটবলে বেশ বিতর্ক ছিল। তবে মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশন সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল—যাঁদের মেক্সিকান জাতীয়তা, ফুটবলীয় দক্ষতা ও দেশের হয়ে খেলার সদিচ্ছা আছে, তাঁদের ‘প্রথম’ বা ‘দ্বিতীয়’ শ্রেণির মেক্সিকান হিসেবে ভেদাভেদ করা হবে না।
ফেডারেশনের সেই আস্থারই যেন চূড়ান্ত প্রতিদান দিলেন কিনিয়োনেস। যে দেশের আলো-বাতাসে তাঁর পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের বিকাশ, বিশ্বমঞ্চের প্রথম দিনেই সেই মেক্সিকোকে এনে দিলেন অবিস্মরণীয় এক মুহূর্ত। প্রবাসীর পা থেকেই লেখা হলো এবারের বিশ্বকাপের প্রথম গোলের ইতিহাস। শুধু তা–ই নয়, কনক্যাকাফ অঞ্চলের প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে প্রথম গোল করলেন তিনি।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি শুধু গোল কিংবা খেলার মানের জন্য নয়, বরং রেফারি উইলতন সাম্পাইওর কার্ডের ছড়াছড়ির জন্য দীর্ঘদিন ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে। মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ছিল এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। ফুটবল বিশ্বকাপের ৮৬
২০ মিনিট আগে
সর্বশেষ ১৯৯৪ সালের ১৬ জুন জার্মানির বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন বলিভিয়ার মার্কো এচেভেরি। ঠিক ৩২ বছর পর আজ আসতেকায় সেই তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটালেন সিথোলে।
১ ঘণ্টা আগে
বল পেয়ে যান সুযোগ সন্ধানী কিনিয়োনেস। বক্সের ভেতর ঢুকে দারুণ দক্ষতায় ও ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের দুই পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসান কলম্বিয়ান বংশোদ্ভূত এই মেক্সিকান উইঙ্গার। সঙ্গে নিজের নামটা গেঁথে নেন ইতিহাসের পাতায়। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে গ্যালারিতে বিয়ার হাতে ‘সিয়ে
২ ঘণ্টা আগে
এন্ট্রে রিওসের কনকর্ডিয়ায় জন্ম নেওয়া এবং সান লরেঞ্জো থেকে উঠে আসা সেনেসি মূলত বাঁ পায়ের সেন্টার ব্যাক। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে ইংলিশ ক্লাব বোর্নমাউথের হয়ে দারুণ সময় পার করেছেন তিনি। তবে এরপরও স্কালোনির ঘোষিত ২৬ সদস্যের প্রাথমিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছিলেন এই ফুটবলার। এবার বালের্দির চোট সুযোগ করে
৩ ঘণ্টা আগে