
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের নেতৃত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি আন্তর্জাতিক সূচিকে সামনে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটকে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার হিসেবেই দেখছেন প্যাট কামিন্স। এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এই কথা বলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক।
কামিন্স জানান, তাঁর অবস্থান আগের মতোই অটল এবং তা বদলানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য কিছুই বদলায়নি। আমার এক নম্বর অগ্রাধিকার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট, বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেট। টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে আমি কোনো টেস্টই মিস করতে চাই না এবং যত বেশি সম্ভব অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে চাই।’
কেবলমাত্র আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচির ফাঁকে আইপিএল খেলতে চান কামিন্স। টেস্ট ক্রিকেট বাদ দিয়ে ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তাঁর, ‘আইপিএল ভালো, কারণ এটা সাধারণত আমাদের ছুটির সময়ের সঙ্গে মিলে যায়। তাই এটা সহজভাবে করা যায়। কিন্তু আমার মূল ফোকাস সব সময় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটই, এবং আগামী কয়েক বছরেও এটা বদলাবে বলে মনে হয় না।’
চোট থেকে ফিরে নিজের শারীরিক অবস্থান নিয়েও বেশ আত্মবিশ্বাসী কামিন্স। লোয়ার ব্যাক চোটের কারণে চলতি আইপিএলে তিনি সাতটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। এখন নিজেকে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ফিট বলে মনে করছেন তিনি, ‘গত চার মাস আমি সত্যিই খুব সতেজ অনুভব করছি। কম ম্যাচ খেলেছি বলে শরীর ভালো আছে। শারীরিকভাবে আমি মনে করি, গত ছয়–সাত বছরের মধ্যে এখন সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছি।’
স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের মতো পুরোনো চোটের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি এড়াতেই ধীর ও নিয়ন্ত্রিত পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে বলেও জানান অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। কামিন্সের মতে, এই সতর্কতাই তাঁকে দীর্ঘমেয়াদে ফিট থাকতে সহায়তা করেছে, ‘পিঠের স্ট্রেস ফ্র্যাকচার আবারও হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আমরা সেই ঝুঁকি যতটা সম্ভব কমাতে চেয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে বড় কোনো সমস্যা না হয়। আমার পিঠ এখন পুরোপুরি সেরে উঠেছে এবং অনেক বেশি শক্তিশালী।’

টানা দ্বিতীয় এবং সব মিলিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি আর্জেন্টিনার সামনে। এ জন্য আর মাত্র একটি ম্যাচ জিততে হবে। ফাইনালের মঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। তার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান দেখালেন লিওনেল মেসি। ফাইনালে দুই সমান শক্তির দলের লড়াই হবে বলে মনে করছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
১৩ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল শুরুর তৃতীয় মিনিটেই লিওনেল মেসির সঙ্গে তর্কে জড়ান জুড বেলিংহাম। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের ফুটবলার ভালেনতিন বার্কোর ঘাড়ে চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। সব মিলিয়ে দলের হারের দিনে আচরণজনিত কারণে সমালোচিত নাম হয়ে থাকলেন বেলিংহাম।
২ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানেই যেন আইশোস্পিডের (স্পিড) জন্য নতুন করে ট্রলের উপলক্ষ। বিশ্বকাপজুড়ে লিওনেল মেসির দলের প্রতিপক্ষকে সমর্থন করে আসা জনপ্রিয় এই মার্কিন ইউটিউবার এবারও ব্যতিক্রম হননি। তবে ইংল্যান্ডকে সমর্থন করেও শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে তাঁকে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়কে পাশ কাটিয়ে সামনে উঠে এসেছে লিওনেল মেসি ও জুড বেলিংহামের তর্কে জড়ানোর ঘটনা। ম্যাচের শুরুতেই মুখোমুখি অবস্থান নিতে দেখা যায় তাঁদের। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগেনি।
৪ ঘণ্টা আগে