বিরাট কোহলির সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে? কেন ব্যাটে বড় ইনিংস নেই, এ নিয়ে কথা হচ্ছে গত কমাস ধরেই। ভারতীয় কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবার ধরিয়ে দিলেন কোহলির সমস্যাটা কোথায়। দ্রাবিড় মনে করেন, কোহলি নিজেই এই সমস্যা তৈরি করেছেন।
নিজের এই মতের পক্ষে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন দ্রাবিড়। তিনি বলেছেন, ‘নিজের মান এমন জায়গায় নিয়ে গিয়েছে, সকলেই ওর (কোহলি) কাছে সেঞ্চুরি আশা করে। সেটাই ওর সাফল্যের মাপকাঠি হয়ে গেছে। কোচ হিসাবে বলব, আমি চাই ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখুক। সেটা ৫০ বা ৬০ রানের ইনিংসও হতে পারে।’
কোহলির থেকে এখনই শতরান চাইছেন না দ্রাবিড়, ‘একজন খেলোয়াড়ের খারাপ সময় আসতেই পারে। কোহলির ভালো খেলার ইচ্ছে বা উৎসাহের একটুও ঘাটতি নেই। সব সময় তিন অঙ্কের রানই করতে হবে তার কোনো মানে নেই। কঠিন উইকেটে ৭০ রানের ইনিংসও অত্যন্ত মূল্যবান। কেপটাউন টেস্টের কথাই ধরা যাক। ওখানে শতরান না পেলেও দুরন্ত ব্যাট করেছিল।’
দল সব সময়ই কোহলির কাছে ম্যাচ জেতানো ইনিংস প্রত্যাশা করে, মনে করেন দাবিড়। তাই বলে তাঁকে অতিরিক্ত চাপ দিতেও রাজি নন ভারতীয় কোচ। দ্রাবিড় জানিয়েছেন, সেরা ছন্দে না থাকলেও কোহলির রানের খিদে কমেনি, ‘কোহলি অসম্ভব ফিট ক্রিকেটার। মানসিকতাও দুর্দান্ত। ওর মতো পরিশ্রম করতে কাউকে দেখিনি আমি। সব সময় নিজের খেলা নিয়ে ভাবে। লেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ওই পরিবেশে নিখুঁত ইনিংস খেলল। প্রতিটা বল ব্যাটের মাঝখান দিয়ে খেলেছে।’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৭ ঘণ্টা আগে