নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভারত ম্যাচটি বয়কট করলেই কি পাকিস্তানের জন্য লাভ হতো। আপাতদৃষ্টিতে তাই মনে হচ্ছে। না, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, খেলার দিক থেকেই কথাটি উঠছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে যে রোমাঞ্চের প্রত্যাশা ছিল, এর ছিটেফোটাও হয়নি। উল্টো লড়াইটা শুরুতেই একপেশে করে দিল ভারত। তাদের সামনে ৯ উইকেটে ১২৭ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।
এশিয়া কাপে কোনো লড়াই নাটকীয়তা ছড়ায়নি এবার। সেই আক্ষেপ আজ দূর হবে বলে ধরা হচ্ছিল। কিন্তু দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে যেন ব্যাটিংটাই ভুলে যায় পাকিস্তান।
ইনিংসের শুরুটা ওয়াইড দিয়ে করলেও প্রথম বৈধ বলে উইকেট তুলে নেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর আউটসুইং ডেলিভারিতে মারতে গিয়ে যশপ্রীত বুমরাকে দিয়ে ক্যাচের অনুশীলন করান পাকিস্তানের ওপেনার সায়েম আইয়ুব। এর আগে ওমানের বিপক্ষে ম্যাচেও গোল্ডেন ডাক উপহার দেন তিনি।
পরের ওভারে দেখা গেল বিপরীত দৃশ্য। এবার বুমরার বলে ক্যাচ নেন পান্ডিয়া। সাজঘরে ফেরেন ৫ বলে ৩ রান করা মোহাম্মদ হারিস।
শুরুর এই ধাক্কা আর কাটিয়ে ওঠার সাহস পায়নি পাকিস্তান। তবে সাহিবজাদা ফারহান যা করলেন তা অবাক করার মতো। বুমরাকে ছক্কা মেরেছেন তিনি। একবার নয় দুবার; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এর আগে পাকিস্তানের কোনো ব্যাটারই ছক্কা মারতে পারেননি বুমরাকে। ৪০০ বলের অপেক্ষা শেষে সেই দুঃখ ঘোচান সাহিবজাদা। কিন্তু তিনি বা অন্য কোনো ব্যাটারও পরে আর আক্রমণাত্মক হতে পারেননি।
পাওয়ারপ্লের পর পাকিস্তানের রানের টুটি চেপে ধরেন ভারতের স্পিনাররা। অষ্টম ওভারে ফখর জামানকে (১৭) ফেরান অক্ষর প্যাটেল। পরের ওভারে অধিনায়ক সালমান আলী আগাকে শিকারে পরিণত করেন তিনি। ১২ বল খেলে মাত্র ৩ রান করেন সালমান। প্রথম ১০ ওভারে সবমিলিয়ে পাকিস্তান ডট খেলেছে ৩১টি। রান করতে পারেনি ৪৯ এর বেশি।
বাকি ১০ ওভারে কুলদীপের ভেলকির সামনে আরও দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। ১৩তম ওভারে পরপর দুই বলে হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান বাঁহাতি এই স্পিনার। থিতু হয়ে থাকা ফারহানও তাঁর কাছে পরাস্ত হতে বাধ্য হন পরে। ৪৪ বলে ১ ছক্কা ও ৩ চারে ৪০ রানে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার।
শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ও সুফিয়ান মুকিমের চেষ্টায় রান ছাড়িয়ে যায় তিন অঙ্ক। মূল ব্যাটারদের যেন দেখিয়ে দিচ্ছিলেন কীভাবে ব্যাটিং করতে হয়। মুকিম ৬ বলে ১০ রান করে থামেন। তবে ১৬বলে ৪ ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন শাহিন। তাঁর এই ইনিংসে অলআউট হওয়ার লজ্জা এড়ায় পাকিস্তান।
ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কুলদীপ। এছাড়া বুমরা ও অক্ষরের শিকার দুটি করে উইকেট। একটি করে নেন পান্ডিয়া ও বরুণ চক্রবর্তী।

ভারত ম্যাচটি বয়কট করলেই কি পাকিস্তানের জন্য লাভ হতো। আপাতদৃষ্টিতে তাই মনে হচ্ছে। না, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, খেলার দিক থেকেই কথাটি উঠছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে যে রোমাঞ্চের প্রত্যাশা ছিল, এর ছিটেফোটাও হয়নি। উল্টো লড়াইটা শুরুতেই একপেশে করে দিল ভারত। তাদের সামনে ৯ উইকেটে ১২৭ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।
এশিয়া কাপে কোনো লড়াই নাটকীয়তা ছড়ায়নি এবার। সেই আক্ষেপ আজ দূর হবে বলে ধরা হচ্ছিল। কিন্তু দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে যেন ব্যাটিংটাই ভুলে যায় পাকিস্তান।
ইনিংসের শুরুটা ওয়াইড দিয়ে করলেও প্রথম বৈধ বলে উইকেট তুলে নেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর আউটসুইং ডেলিভারিতে মারতে গিয়ে যশপ্রীত বুমরাকে দিয়ে ক্যাচের অনুশীলন করান পাকিস্তানের ওপেনার সায়েম আইয়ুব। এর আগে ওমানের বিপক্ষে ম্যাচেও গোল্ডেন ডাক উপহার দেন তিনি।
পরের ওভারে দেখা গেল বিপরীত দৃশ্য। এবার বুমরার বলে ক্যাচ নেন পান্ডিয়া। সাজঘরে ফেরেন ৫ বলে ৩ রান করা মোহাম্মদ হারিস।
শুরুর এই ধাক্কা আর কাটিয়ে ওঠার সাহস পায়নি পাকিস্তান। তবে সাহিবজাদা ফারহান যা করলেন তা অবাক করার মতো। বুমরাকে ছক্কা মেরেছেন তিনি। একবার নয় দুবার; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এর আগে পাকিস্তানের কোনো ব্যাটারই ছক্কা মারতে পারেননি বুমরাকে। ৪০০ বলের অপেক্ষা শেষে সেই দুঃখ ঘোচান সাহিবজাদা। কিন্তু তিনি বা অন্য কোনো ব্যাটারও পরে আর আক্রমণাত্মক হতে পারেননি।
পাওয়ারপ্লের পর পাকিস্তানের রানের টুটি চেপে ধরেন ভারতের স্পিনাররা। অষ্টম ওভারে ফখর জামানকে (১৭) ফেরান অক্ষর প্যাটেল। পরের ওভারে অধিনায়ক সালমান আলী আগাকে শিকারে পরিণত করেন তিনি। ১২ বল খেলে মাত্র ৩ রান করেন সালমান। প্রথম ১০ ওভারে সবমিলিয়ে পাকিস্তান ডট খেলেছে ৩১টি। রান করতে পারেনি ৪৯ এর বেশি।
বাকি ১০ ওভারে কুলদীপের ভেলকির সামনে আরও দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। ১৩তম ওভারে পরপর দুই বলে হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান বাঁহাতি এই স্পিনার। থিতু হয়ে থাকা ফারহানও তাঁর কাছে পরাস্ত হতে বাধ্য হন পরে। ৪৪ বলে ১ ছক্কা ও ৩ চারে ৪০ রানে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার।
শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ও সুফিয়ান মুকিমের চেষ্টায় রান ছাড়িয়ে যায় তিন অঙ্ক। মূল ব্যাটারদের যেন দেখিয়ে দিচ্ছিলেন কীভাবে ব্যাটিং করতে হয়। মুকিম ৬ বলে ১০ রান করে থামেন। তবে ১৬বলে ৪ ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন শাহিন। তাঁর এই ইনিংসে অলআউট হওয়ার লজ্জা এড়ায় পাকিস্তান।
ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কুলদীপ। এছাড়া বুমরা ও অক্ষরের শিকার দুটি করে উইকেট। একটি করে নেন পান্ডিয়া ও বরুণ চক্রবর্তী।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৩ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৪ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৫ ঘণ্টা আগে