নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চিরবৈরী সম্পর্ক দুই দেশের। এরই মধ্যে আবার সংঘাত শুরু হয়ে গেছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। দুই দেশের এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চিন্তিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। চিন্তিত না হওয়ার কারণও নেই। আগামী ১০ মাসে একাধিক দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আর বড় দুটি টুর্নামেন্টের সঙ্গে ভারত আর পাকিস্তানের নাম জড়িয়ে। সেসব সিরিজ বা টুর্নামেন্টের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে বাংলাদেশও।
এই মাসে আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ দল। ১২ মে প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে তারা। সেখান থেকে ২০ মে উড়াল দেবে পাকিস্তানে, দুই শহরে খেলবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। কাশ্মীরে হামলার জেরে কদিন ধরেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধাবস্থার ইঙ্গিত মিলছিল। শেষ পর্যন্ত সেটা বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র নিয়ে পরশু রাতেই দুই দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে পিএসএল খেলতে পাকিস্তানে অবস্থানরত দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেনকে নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা। পিএসএলে রানা খেলছেন পেশোয়ার জালমিতে আর লাহোর কালান্দার্সে খেলছেন রিশাদ। গতকাল সকালেই পরিস্থিতি বুঝে নাহিদ ও রিশাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যুদ্ধাবস্থা মূলত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আঁচ করে বিসিবি সতর্ক অবস্থানে আছে। পিএসএলের অন্যান্য বিদেশি ক্রিকেটারের মতো রিশাদ ও নাহিদ এখনো নিরাপদ রয়েছেন। নাহিদ রানা বর্তমানে দলের সঙ্গে ইসলামাবাদেই আছেন বলে জানা গেছে। গতকাল তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতির কারণে অনুশীলন বাতিল করা হয়েছে নাহিদদের দলীয় প্রস্তুতি। টিম ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড়দের হোটেলেই অবস্থান করতে বলেছে এবং নিয়মিত সবকিছুর ওপর নজর রাখছে।
নিজেদের পরের ম্যাচ খেলতে গতকাল দুপুরে চার্টার্ড ফ্লাইটে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন রিশাদরা। যদিও রাতের হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সব বিমানবন্দর বন্ধ করা হয়েছিল। চলমান পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে কাল রিশাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখনো সব ঠিক আছে। সবকিছু বন্ধ হলেও আমাদের কাছে বার্তা এসেছে, ইসলামাবাদে যাব (পিএসএলে) পরের ম্যাচ খেলতে। (কর্তৃপক্ষ) আমাদের এসব ব্যাপারে (ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ) কিছু বলেনি, বরং বলছে, সব ঠিক আছে।’
বিসিবি গতকাল এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এমন তপ্ত পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। পাশাপাশি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করছে বিসিবি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘ক্রিকেটারদের সঙ্গে এবং ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। পিসিবির সঙ্গেও আমরা যোগাযোগ রাখছি। তাঁরা (নাহিদ ও রিশাদ) এখন নিরাপদে আছেন।’
আপাতত নিরাপদে থাকলেও বিসিবির দুশ্চিন্তার শেষ নেই। তাঁদের ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘এটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। মাত্র একটা বড় ঘটনা ঘটেছে। এখনো পুরো পরিস্থিতি বোঝা যাচ্ছে না।’
নাহিদ ও রিশাদের মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ সরাসরি কথা বলেছেন পিএসএলের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে বিসিবি। যুদ্ধাবস্থার মধ্যেও পিএসএল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি।
পিএসএলের পরই ২৫ মে ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে শুরু হওয়ার কথা বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শেষ হওয়ার কথা ৩ জুন। তবে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধাবস্থার মধ্যে সেই সিরিজ আদৌ হবে কি না, সংশয় দেখা দিয়েছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে আবার পাকিস্তানের আসার কথা বাংলাদেশে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসার কথা ভারতেরও। সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের আয়োজক ভারত। ভারত-পাকিস্তানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সব ক্রিকেটীয় আয়োজনের পাশে বসে গেছে বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন। এ পরিস্থিতিতে বিসিবি নির্ভার থাকে কী করে!

চিরবৈরী সম্পর্ক দুই দেশের। এরই মধ্যে আবার সংঘাত শুরু হয়ে গেছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। দুই দেশের এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চিন্তিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। চিন্তিত না হওয়ার কারণও নেই। আগামী ১০ মাসে একাধিক দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আর বড় দুটি টুর্নামেন্টের সঙ্গে ভারত আর পাকিস্তানের নাম জড়িয়ে। সেসব সিরিজ বা টুর্নামেন্টের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে বাংলাদেশও।
এই মাসে আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ দল। ১২ মে প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে তারা। সেখান থেকে ২০ মে উড়াল দেবে পাকিস্তানে, দুই শহরে খেলবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। কাশ্মীরে হামলার জেরে কদিন ধরেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধাবস্থার ইঙ্গিত মিলছিল। শেষ পর্যন্ত সেটা বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র নিয়ে পরশু রাতেই দুই দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে পিএসএল খেলতে পাকিস্তানে অবস্থানরত দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেনকে নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা। পিএসএলে রানা খেলছেন পেশোয়ার জালমিতে আর লাহোর কালান্দার্সে খেলছেন রিশাদ। গতকাল সকালেই পরিস্থিতি বুঝে নাহিদ ও রিশাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যুদ্ধাবস্থা মূলত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আঁচ করে বিসিবি সতর্ক অবস্থানে আছে। পিএসএলের অন্যান্য বিদেশি ক্রিকেটারের মতো রিশাদ ও নাহিদ এখনো নিরাপদ রয়েছেন। নাহিদ রানা বর্তমানে দলের সঙ্গে ইসলামাবাদেই আছেন বলে জানা গেছে। গতকাল তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতির কারণে অনুশীলন বাতিল করা হয়েছে নাহিদদের দলীয় প্রস্তুতি। টিম ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড়দের হোটেলেই অবস্থান করতে বলেছে এবং নিয়মিত সবকিছুর ওপর নজর রাখছে।
নিজেদের পরের ম্যাচ খেলতে গতকাল দুপুরে চার্টার্ড ফ্লাইটে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন রিশাদরা। যদিও রাতের হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সব বিমানবন্দর বন্ধ করা হয়েছিল। চলমান পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে কাল রিশাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখনো সব ঠিক আছে। সবকিছু বন্ধ হলেও আমাদের কাছে বার্তা এসেছে, ইসলামাবাদে যাব (পিএসএলে) পরের ম্যাচ খেলতে। (কর্তৃপক্ষ) আমাদের এসব ব্যাপারে (ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ) কিছু বলেনি, বরং বলছে, সব ঠিক আছে।’
বিসিবি গতকাল এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এমন তপ্ত পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। পাশাপাশি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করছে বিসিবি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘ক্রিকেটারদের সঙ্গে এবং ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। পিসিবির সঙ্গেও আমরা যোগাযোগ রাখছি। তাঁরা (নাহিদ ও রিশাদ) এখন নিরাপদে আছেন।’
আপাতত নিরাপদে থাকলেও বিসিবির দুশ্চিন্তার শেষ নেই। তাঁদের ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘এটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। মাত্র একটা বড় ঘটনা ঘটেছে। এখনো পুরো পরিস্থিতি বোঝা যাচ্ছে না।’
নাহিদ ও রিশাদের মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ সরাসরি কথা বলেছেন পিএসএলের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে বিসিবি। যুদ্ধাবস্থার মধ্যেও পিএসএল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি।
পিএসএলের পরই ২৫ মে ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে শুরু হওয়ার কথা বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শেষ হওয়ার কথা ৩ জুন। তবে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধাবস্থার মধ্যে সেই সিরিজ আদৌ হবে কি না, সংশয় দেখা দিয়েছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে আবার পাকিস্তানের আসার কথা বাংলাদেশে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসার কথা ভারতেরও। সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের আয়োজক ভারত। ভারত-পাকিস্তানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সব ক্রিকেটীয় আয়োজনের পাশে বসে গেছে বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন। এ পরিস্থিতিতে বিসিবি নির্ভার থাকে কী করে!

রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত মাস পরই বরখাস্ত হলেন জাবি আলোনসো। গতকাল স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে হার এবং লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকার প্রেক্ষাপটে ‘পারস্পরিক সমঝোতার’ ভিত্তিতে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন...
৭ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলার মতো পরিস্থিতি নেই— আজ বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৯ ঘণ্টা আগে
নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স রীতিমতো উড়ছে। জয় দিয়েই তারা সিলেট পর্ব শেষ করেছে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাজশাহী।শুধু তাই নয়, রাজশাহীর জয়ে ২০২৬ বিপিএলে তিন দলের প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
১০ ঘণ্টা আগে