নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাওয়ালপিন্ডির উইকেটে পেস বোলাররা আগুনের ফুলকি ছোটাবেন, কদিন ধরে দুই দল এটাই বলাবলি করছিল। কিন্তু রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের এই পেস বোলিং আক্রমণের খেলার অভিজ্ঞতাই নেই! কেমন করবেন তাঁরা, এই একটা ঊহ্য প্রশ্ন ছিল। প্রথম দিনের খেলা শেষে নাহিদ রানা কিছুটা বিবর্ণ হলেও শরীফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ ভালো নম্বরই তুলেছেন।
বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে ৪ উইকেটে ১৫৮ রান তুলেছে পাকিস্তান। প্রথম ৯ ওভারেই স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে কাঁপুনি ধরান বাংলাদেশের পেসাররা। এর মধ্যে তিনটি উইকেট নিয়েছেন তাঁরা। দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে দেননি—আবদুল্লাহ শফিক, শান মাসুদ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার বাবর আজমকে। দিনের সেরা মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন শরীফুল। বিশ্বসেরা ব্যাটার বাবরকে ফিরিয়ে ‘স্বপ্নপূরণ’ করে পাখির মতো দুই হাত ছাড়িয়ে তৃপ্ত হলেন উদ্যাপনে।
ইসলামাবাদে ‘এ’ দলের ম্যাচে বৃষ্টি বাগড়া দিচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই। কাছাকাছি রাওয়ালপিন্ডিতে আজ খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায়। কিন্তু বৃষ্টি ও মাঠ ভেজা থাকায় খেলার উপযোগী করে খেলা শুরু হয় বেলা সাড়ে ৩টার দিকে। ভেজা মাঠে ঝুঁকি না নিয়ে টস জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
রাওয়ালপিন্ডির মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে একমাত্র টেস্টটি খেলেছিল বাংলাদেশ। একটি ওয়ানডে খেলেছে ২০০৩ সালে। সাড়ে চার বছর আগে সেই টেস্টে অতিথিদের পেস বোলিং আক্রমণ ছিল রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ রাহি ও ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে। সেবার সুবিধা করতে পারেননি তাঁরা।
এবারও বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে সাজিয়েছে একাদশ। শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত। চতুর্থ ওভারে অফ স্টাম্পের বাইরের ফুল লেংথ বল ড্রাইভ করেন পাকিস্তানের ওপেনার শফিক। হালকা সুইংয়ের কারণে ব্যাটের সঙ্গে ভালো সংযোগ হয়নি, বাইরের কানায় লেগে স্লিপ জাকির হাসান ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নেন। ঘরোয়া লিগে রানের ফুলঝুরি ছোটানো শফিক ফিরেলেন মাত্র ২ রানে।
সপ্তম ওভারে শান মাসুদের (৬) আউট আরেক ধাক্কা খায় পাকিস্তান। কাউন্টির ওয়ানডে সংস্করণে নিজের শেষ ৪ ইনিংসেও তিন ফিফটি পাকিস্তান অধিনায়কের। থিতু হওয়ার আগেই শরীফুলের ব্যাক অব লেংথের বল রক্ষণাত্মক শট খেলার চেষ্টা করেন মাসুদ। ব্যাটের ভেতরের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে জমা পড়ে বল। প্রথমে আম্পায়ার সাড়া না দিলেও রিভিউতে আউট দিয়েছেন।
১৪ রানে ২ উইকেট হারানো পাকিস্তান নবম ওভারে বাবরকে (০) হারিয়ে কঠিন বিপর্যয়ে পড়ে। শরীফুলের লেগ স্টাম্পের বাইরের বল আলতো করে অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটনের হাতে। পাকিস্তানে যাওয়ার আগে ‘বিগ ফিশ’ বাবরকে শিকারের কথা জানিয়েছিলেন শরীফুল।
১৬ রানে ৩ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান ওপেনার সায়েম আইয়ুব ও সৌদ শাকিল। চতুর্থ উইকেটে ৯৮ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন তাঁরা। দিনের শেষ দিকে সায়েমকে ৫৬ রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন হাসান। পঞ্চম উইকেটে শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৪ রানের আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েছেন। শাকিল ৫৭ ও রিজওয়ান ২৪ রানে অপরাজিত আছেন। হাসান ও শরীফুল নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

রাওয়ালপিন্ডির উইকেটে পেস বোলাররা আগুনের ফুলকি ছোটাবেন, কদিন ধরে দুই দল এটাই বলাবলি করছিল। কিন্তু রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের এই পেস বোলিং আক্রমণের খেলার অভিজ্ঞতাই নেই! কেমন করবেন তাঁরা, এই একটা ঊহ্য প্রশ্ন ছিল। প্রথম দিনের খেলা শেষে নাহিদ রানা কিছুটা বিবর্ণ হলেও শরীফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ ভালো নম্বরই তুলেছেন।
বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে ৪ উইকেটে ১৫৮ রান তুলেছে পাকিস্তান। প্রথম ৯ ওভারেই স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে কাঁপুনি ধরান বাংলাদেশের পেসাররা। এর মধ্যে তিনটি উইকেট নিয়েছেন তাঁরা। দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে দেননি—আবদুল্লাহ শফিক, শান মাসুদ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার বাবর আজমকে। দিনের সেরা মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন শরীফুল। বিশ্বসেরা ব্যাটার বাবরকে ফিরিয়ে ‘স্বপ্নপূরণ’ করে পাখির মতো দুই হাত ছাড়িয়ে তৃপ্ত হলেন উদ্যাপনে।
ইসলামাবাদে ‘এ’ দলের ম্যাচে বৃষ্টি বাগড়া দিচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই। কাছাকাছি রাওয়ালপিন্ডিতে আজ খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায়। কিন্তু বৃষ্টি ও মাঠ ভেজা থাকায় খেলার উপযোগী করে খেলা শুরু হয় বেলা সাড়ে ৩টার দিকে। ভেজা মাঠে ঝুঁকি না নিয়ে টস জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
রাওয়ালপিন্ডির মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে একমাত্র টেস্টটি খেলেছিল বাংলাদেশ। একটি ওয়ানডে খেলেছে ২০০৩ সালে। সাড়ে চার বছর আগে সেই টেস্টে অতিথিদের পেস বোলিং আক্রমণ ছিল রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ রাহি ও ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে। সেবার সুবিধা করতে পারেননি তাঁরা।
এবারও বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে সাজিয়েছে একাদশ। শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত। চতুর্থ ওভারে অফ স্টাম্পের বাইরের ফুল লেংথ বল ড্রাইভ করেন পাকিস্তানের ওপেনার শফিক। হালকা সুইংয়ের কারণে ব্যাটের সঙ্গে ভালো সংযোগ হয়নি, বাইরের কানায় লেগে স্লিপ জাকির হাসান ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নেন। ঘরোয়া লিগে রানের ফুলঝুরি ছোটানো শফিক ফিরেলেন মাত্র ২ রানে।
সপ্তম ওভারে শান মাসুদের (৬) আউট আরেক ধাক্কা খায় পাকিস্তান। কাউন্টির ওয়ানডে সংস্করণে নিজের শেষ ৪ ইনিংসেও তিন ফিফটি পাকিস্তান অধিনায়কের। থিতু হওয়ার আগেই শরীফুলের ব্যাক অব লেংথের বল রক্ষণাত্মক শট খেলার চেষ্টা করেন মাসুদ। ব্যাটের ভেতরের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে জমা পড়ে বল। প্রথমে আম্পায়ার সাড়া না দিলেও রিভিউতে আউট দিয়েছেন।
১৪ রানে ২ উইকেট হারানো পাকিস্তান নবম ওভারে বাবরকে (০) হারিয়ে কঠিন বিপর্যয়ে পড়ে। শরীফুলের লেগ স্টাম্পের বাইরের বল আলতো করে অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটনের হাতে। পাকিস্তানে যাওয়ার আগে ‘বিগ ফিশ’ বাবরকে শিকারের কথা জানিয়েছিলেন শরীফুল।
১৬ রানে ৩ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান ওপেনার সায়েম আইয়ুব ও সৌদ শাকিল। চতুর্থ উইকেটে ৯৮ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন তাঁরা। দিনের শেষ দিকে সায়েমকে ৫৬ রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন হাসান। পঞ্চম উইকেটে শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৪ রানের আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েছেন। শাকিল ৫৭ ও রিজওয়ান ২৪ রানে অপরাজিত আছেন। হাসান ও শরীফুল নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে চলছে নানা রকম জটিলতা। ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনো অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার ব্যাপারেও চলছে নানারকম কথাবার্তা।
১৫ মিনিট আগে
মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
১ ঘণ্টা আগে
জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে