নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রথম টেস্ট জয়ের পর প্রত্যাশা এখন একটাই—সিরিজ জয়! সে আশা নিয়েই আজ দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিক-মিরাজ-শান্তরা। ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের ভেন্যু সেই রাওয়ালপিন্ডিতে বেলা ১১টায় শুরু হবে খেলা। খেলা শুরুর আগে অবশ্য তাকাতে হবে আকাশের দিকেও। গতকালের মতো আজও আছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।
চলতি সিরিজের আগে পাকিস্তানের মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের কথা বললে সেটিকে হয়তো অনেকেই বলতেন উচ্চাভিলাষ! যে দেশের মাটিতে কখনো টি-টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে জিততে পারেনি বাংলাদেশ, সেখানে টেস্ট সিরিজ জেতার আশা করাটাকে কেউ কেউ হয়তো বাড়াবাড়িই বলতেন। কিন্তু প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সিরিজ জয়ের প্রত্যাশা উচ্চাভিলাষ নয়, নয় বাড়াবাড়িও। উল্টো হিসাব কষে সেশন ধরে ধরে এগোনোর ছকে খেললে চলতি সিরিজ জয় অলীক কোনো স্বপ্ন নয়।
নির্ভার থেকেই এই টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টের ফল যা-ই হোক, সিরিজ হারবে না তারা। কিংবা ড্র করলেও সিরিজ নিশ্চিত—এমন একটা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই শুরু করবে বাংলাদেশ। সফরকারী দলের এমন স্বস্তির বিপরীতে চাপের মধ্যে স্বাগতিকেরা—হারলেই ধবলধোলাই। প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে অসহায় আত্মসমর্পণের পর পাকিস্তানজুড়ে মুণ্ডুপাত চলছে দলের। তার ওপর ‘হারলেই সিরিজ হার’ পরিস্থিতি বাবর আজম, শান মাসুদদের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। যে চাপটা কখনো কখনো দলের ভালো খেলায় সহায়ক হয়, কখনো কখনো আবার হয় না। তবে পাকিস্তান যে মরণকামড় দেবে, মরিয়া হয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে, সেটা সহজেই অনুমেয়।
ব্যাপারটা মাথায় থাকলেও পাকিস্তানিদের নিয়ে নয়, বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের চিন্তা নিজেদের নিয়েই বেশি। প্রথম টেস্টে রাওয়ালপিন্ডির উইকেটে ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ৪ ফিফটি ও ১ সেঞ্চুরির প্রথম ইনিংসে ছোট, বড়, মাঝারি কার্যকর জুটি হয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টেও তেমন কিছুরই প্রত্যাশা বাংলাদেশ দলের লংকান কোচের, ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, শুরুতে ভালো জুটি গড়া। (প্রথম টেস্টে) প্রথম ১২ ওভারে আমাদের ওপেনাররা অল্প সময় হলেও ভালো ব্যাটিং করতে পেরেছিল, যা তৃতীয় দিন সকালে আমাদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। এরপর মুমিনুলের সঙ্গে সাদমানের ভালো একটি জুটি হয়েছে। মুশফিকের সঙ্গে লিটন আর মিরাজের জুটিও কাজে দিয়েছে।’
দ্বিতীয় টেস্টেও দলীয় ব্যাটারদের কাছে একই চাওয়া হাথুরুর। ব্যাটাররা ভালো স্কোর গড়তে পারলেই প্রতিপক্ষের ওপর একটা চাপ সৃষ্টি হবে, পরে বোলাররা লড়াইয়ের জমিন পাবেন। প্রথম টেস্টের মতো এই টেস্টেও আক্রমণাত্মক কৌশলেই ভর করার চিন্তা দলের। দলের কৌশলসম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে হাথুরু বললেন, ‘কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করে অনেক সময় কৌশল বদলায়। প্রথম ম্যাচ থেকে আমাদের প্রস্তুতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। আমরা নিজেদের শক্তির জায়গাগুলো জানি, সীমাবদ্ধতাগুলোও জানি। প্রতিপক্ষের শক্তি এবং সীমাবদ্ধতার জায়গাগুলোও জানা আছে আমাদের।’
প্রথম টেস্টের উইনিং কম্বিনেশনটাই রেখে দেওয়ার আপাতত চিন্তা টিম ম্যানেজমেন্টের। তবে সকালে আবহাওয়া আর পিচ দেখার পর দলে পরিবর্তন আসতেও পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ। কথাটা তিনি বললেন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে, ‘দলের গগনচুম্বী আত্মবিশ্বাস।’ যেটা সিরিজ জয়ের প্রয়োজনীয় পূর্বশর্ত।
দ্বিতীয় টেস্টে দলে পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান। প্রথম টেস্টে কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার না নিয়ে খেললেও দ্বিতীয় টেস্টে দলে নেওয়া হয়েছে লেগ স্পিনার আবরার আহমেদকে। তাঁকে জায়গা করে দিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন সদ্যই ছেলেসন্তানের বাবা হওয়া পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি।

প্রথম টেস্ট জয়ের পর প্রত্যাশা এখন একটাই—সিরিজ জয়! সে আশা নিয়েই আজ দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিক-মিরাজ-শান্তরা। ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের ভেন্যু সেই রাওয়ালপিন্ডিতে বেলা ১১টায় শুরু হবে খেলা। খেলা শুরুর আগে অবশ্য তাকাতে হবে আকাশের দিকেও। গতকালের মতো আজও আছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।
চলতি সিরিজের আগে পাকিস্তানের মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের কথা বললে সেটিকে হয়তো অনেকেই বলতেন উচ্চাভিলাষ! যে দেশের মাটিতে কখনো টি-টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে জিততে পারেনি বাংলাদেশ, সেখানে টেস্ট সিরিজ জেতার আশা করাটাকে কেউ কেউ হয়তো বাড়াবাড়িই বলতেন। কিন্তু প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সিরিজ জয়ের প্রত্যাশা উচ্চাভিলাষ নয়, নয় বাড়াবাড়িও। উল্টো হিসাব কষে সেশন ধরে ধরে এগোনোর ছকে খেললে চলতি সিরিজ জয় অলীক কোনো স্বপ্ন নয়।
নির্ভার থেকেই এই টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টের ফল যা-ই হোক, সিরিজ হারবে না তারা। কিংবা ড্র করলেও সিরিজ নিশ্চিত—এমন একটা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই শুরু করবে বাংলাদেশ। সফরকারী দলের এমন স্বস্তির বিপরীতে চাপের মধ্যে স্বাগতিকেরা—হারলেই ধবলধোলাই। প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে অসহায় আত্মসমর্পণের পর পাকিস্তানজুড়ে মুণ্ডুপাত চলছে দলের। তার ওপর ‘হারলেই সিরিজ হার’ পরিস্থিতি বাবর আজম, শান মাসুদদের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। যে চাপটা কখনো কখনো দলের ভালো খেলায় সহায়ক হয়, কখনো কখনো আবার হয় না। তবে পাকিস্তান যে মরণকামড় দেবে, মরিয়া হয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে, সেটা সহজেই অনুমেয়।
ব্যাপারটা মাথায় থাকলেও পাকিস্তানিদের নিয়ে নয়, বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের চিন্তা নিজেদের নিয়েই বেশি। প্রথম টেস্টে রাওয়ালপিন্ডির উইকেটে ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ৪ ফিফটি ও ১ সেঞ্চুরির প্রথম ইনিংসে ছোট, বড়, মাঝারি কার্যকর জুটি হয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টেও তেমন কিছুরই প্রত্যাশা বাংলাদেশ দলের লংকান কোচের, ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, শুরুতে ভালো জুটি গড়া। (প্রথম টেস্টে) প্রথম ১২ ওভারে আমাদের ওপেনাররা অল্প সময় হলেও ভালো ব্যাটিং করতে পেরেছিল, যা তৃতীয় দিন সকালে আমাদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। এরপর মুমিনুলের সঙ্গে সাদমানের ভালো একটি জুটি হয়েছে। মুশফিকের সঙ্গে লিটন আর মিরাজের জুটিও কাজে দিয়েছে।’
দ্বিতীয় টেস্টেও দলীয় ব্যাটারদের কাছে একই চাওয়া হাথুরুর। ব্যাটাররা ভালো স্কোর গড়তে পারলেই প্রতিপক্ষের ওপর একটা চাপ সৃষ্টি হবে, পরে বোলাররা লড়াইয়ের জমিন পাবেন। প্রথম টেস্টের মতো এই টেস্টেও আক্রমণাত্মক কৌশলেই ভর করার চিন্তা দলের। দলের কৌশলসম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে হাথুরু বললেন, ‘কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করে অনেক সময় কৌশল বদলায়। প্রথম ম্যাচ থেকে আমাদের প্রস্তুতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। আমরা নিজেদের শক্তির জায়গাগুলো জানি, সীমাবদ্ধতাগুলোও জানি। প্রতিপক্ষের শক্তি এবং সীমাবদ্ধতার জায়গাগুলোও জানা আছে আমাদের।’
প্রথম টেস্টের উইনিং কম্বিনেশনটাই রেখে দেওয়ার আপাতত চিন্তা টিম ম্যানেজমেন্টের। তবে সকালে আবহাওয়া আর পিচ দেখার পর দলে পরিবর্তন আসতেও পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ। কথাটা তিনি বললেন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে, ‘দলের গগনচুম্বী আত্মবিশ্বাস।’ যেটা সিরিজ জয়ের প্রয়োজনীয় পূর্বশর্ত।
দ্বিতীয় টেস্টে দলে পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান। প্রথম টেস্টে কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার না নিয়ে খেললেও দ্বিতীয় টেস্টে দলে নেওয়া হয়েছে লেগ স্পিনার আবরার আহমেদকে। তাঁকে জায়গা করে দিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন সদ্যই ছেলেসন্তানের বাবা হওয়া পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি।

জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
৪০ মিনিট আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নামের পাশে যুক্ত হতে পারত আরও একটি গোল। ১০০০ গোলের যে মিশনে তিনি নেমেছেন, তাতে এগিয়ে যেতে পারতেন আরও এক ধাপ। আল শাবাবের রক্ষণভাগে তিনি পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলটা তিনি করতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। ইন্দোরে আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ২টায় শুরু হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে। আজ শেষ হবে বিপিএলের লিগ পর্ব। মিরপুরে বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায় শুরু হবে রংপুর রাইডার্স-নোয়াখালী এক্সপ্রেস ম্যাচ।
২ ঘণ্টা আগে