
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা মাঝে মাঝে বেশ কঠিন হয়ে যায়। কেননা নামের সঙ্গে যে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ তকমা ভালোমতো জুড়ে গেছে। তাদের ম্যাচের ভোল পাল্টাতে থাকে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে। হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে আজ পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া প্রস্তুতি ম্যাচও হয়েছে তেমনই। রানবন্যার ম্যাচে পাকিস্তান হেরেছে ১৪ রানে।
৩৫৩ রানের লক্ষ্যে আজ শুরুটা আক্রমণাত্মকই ছিল পাকিস্তানের। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের খেসারত হিসেবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেটও হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৬.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তাদের স্কোর ৪৭ রান। দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও ফখর জামান ১৬ ও ২২ রান করে আউট হয়েছেন। এরপর রানের গতিও ধীর হয়ে যায়। বড় কোনো জুটি দাঁড়ানোর আগে পাকিস্তান হারায় আব্দুল্লাহ শফিক ও শাদাব খানের গুরুত্বপূর্ণ ২ উইকেট। ১৫ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর ৪ উইকেটে ৮৩ রান।
৪ উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন বাবর আজম। ইফতিখার আহমেদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করেছেন বাবর। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ঝড় তোলেন এই দুই ব্যাটার। একের পর এক বাউন্ডারিতে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ছন্নছাড়া করছিলেন তাঁরা। অবশেষে এই বিধ্বংসী জুটি ভাঙেন মারনাস লাবুশেন। তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যামেরন গ্রিনের তালুবন্দী হয়েছেন ইফতিখার। ৮৫ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৩ রান করেছেন ইফতিখার।ইফতিখারের চেয়েও এই ম্যাচে বিধ্বংসী ছিলেন বাবর। ৫৯ বলে ৯০ রান করে মাঠ ছেড়ে চলে গেছেন বাবর। ১১ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
ইফতিখার-বাবরের চলে যাওয়ার পর ম্যাচের পাল্লা অনেকটাই হেলে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার দিকে। লোয়ার মিডল অর্ডারে নামা মোহাম্মদ নওয়াজ আবারও রোমাঞ্চ ফেরান ম্যাচে। ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট জুটিতে আগা সালমান ও উসামা মীরের সঙ্গে ৪২ ও ৩২ রানের দুটি জুটি গড়তে অবদান রেখেছেন নওয়াজ। আস্কিং রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছিলেন নওয়াজ। নওয়াজ ফিরতেই পাকিস্তানের আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। ৪২ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫০ রান করেছেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। এরপর ৪৭.৪ ওভারে ৩৩৭ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস (মূলত ৯ উইকেট পড়েছে তাদের)। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন লাবুশেন। আর সবচেয়ে খরুচে বোলিং করেন ডেভিড ওয়ার্নার। ২ ওভার বোলিং করে ৪১ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে অজিরা। দুই ওপেনার ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ আক্রমণাত্মক শুরু করেন। ১২.২ ওভারে ৮৩ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ার পরই আউট হয়েছেন ওয়ার্নার। ৩৩ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৩ রান করেন ওয়ার্নার। শেষের দিকে নেমে ৩০ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন জস ইংলিশ। আর ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৭ রান করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নিয়েছেন উসামা।

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা মাঝে মাঝে বেশ কঠিন হয়ে যায়। কেননা নামের সঙ্গে যে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ তকমা ভালোমতো জুড়ে গেছে। তাদের ম্যাচের ভোল পাল্টাতে থাকে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে। হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে আজ পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া প্রস্তুতি ম্যাচও হয়েছে তেমনই। রানবন্যার ম্যাচে পাকিস্তান হেরেছে ১৪ রানে।
৩৫৩ রানের লক্ষ্যে আজ শুরুটা আক্রমণাত্মকই ছিল পাকিস্তানের। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের খেসারত হিসেবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেটও হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৬.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তাদের স্কোর ৪৭ রান। দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও ফখর জামান ১৬ ও ২২ রান করে আউট হয়েছেন। এরপর রানের গতিও ধীর হয়ে যায়। বড় কোনো জুটি দাঁড়ানোর আগে পাকিস্তান হারায় আব্দুল্লাহ শফিক ও শাদাব খানের গুরুত্বপূর্ণ ২ উইকেট। ১৫ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর ৪ উইকেটে ৮৩ রান।
৪ উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন বাবর আজম। ইফতিখার আহমেদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করেছেন বাবর। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ঝড় তোলেন এই দুই ব্যাটার। একের পর এক বাউন্ডারিতে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ছন্নছাড়া করছিলেন তাঁরা। অবশেষে এই বিধ্বংসী জুটি ভাঙেন মারনাস লাবুশেন। তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যামেরন গ্রিনের তালুবন্দী হয়েছেন ইফতিখার। ৮৫ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৩ রান করেছেন ইফতিখার।ইফতিখারের চেয়েও এই ম্যাচে বিধ্বংসী ছিলেন বাবর। ৫৯ বলে ৯০ রান করে মাঠ ছেড়ে চলে গেছেন বাবর। ১১ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
ইফতিখার-বাবরের চলে যাওয়ার পর ম্যাচের পাল্লা অনেকটাই হেলে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার দিকে। লোয়ার মিডল অর্ডারে নামা মোহাম্মদ নওয়াজ আবারও রোমাঞ্চ ফেরান ম্যাচে। ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট জুটিতে আগা সালমান ও উসামা মীরের সঙ্গে ৪২ ও ৩২ রানের দুটি জুটি গড়তে অবদান রেখেছেন নওয়াজ। আস্কিং রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছিলেন নওয়াজ। নওয়াজ ফিরতেই পাকিস্তানের আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। ৪২ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫০ রান করেছেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। এরপর ৪৭.৪ ওভারে ৩৩৭ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস (মূলত ৯ উইকেট পড়েছে তাদের)। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন লাবুশেন। আর সবচেয়ে খরুচে বোলিং করেন ডেভিড ওয়ার্নার। ২ ওভার বোলিং করে ৪১ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে অজিরা। দুই ওপেনার ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ আক্রমণাত্মক শুরু করেন। ১২.২ ওভারে ৮৩ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ার পরই আউট হয়েছেন ওয়ার্নার। ৩৩ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৩ রান করেন ওয়ার্নার। শেষের দিকে নেমে ৩০ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন জস ইংলিশ। আর ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৭ রান করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নিয়েছেন উসামা।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুর্দান্ত খেলছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র, পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে দুই ম্যাচেই দাপুটে জয় পেয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। তবে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক পেছালেও এগিয়েছেন তাঁর সতীর্থ শারমিন আকতার সুপ্তা।
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বিপিএল শুরুর আগের দিনই স্বত্বাধিকারীশূন্য হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ট্রায়াঙ্গুলার সার্ভিসেস মালিকানা ছেড়ে দেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দায়িত্ব নিয়েছে। বিসিবি দায়িত্ব নেওয়ার পরই সামাজিক মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে ‘কমিটির টিম’ বলে অভিহিত করেন নেটিজেনরা।
১১ ঘণ্টা আগে
কলম্বো থেকে মিরপুর—আট বছর ব্যবধানে এশিয়া মহাদেশের দুই শহরে দেখা গেল একই চিত্রনাট্য। ২০১৮ নিদাহাস ট্রফিতে সৌম্য সরকারকে সোজা এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে দিনেশ কার্তিক তুলে মেরেছিলেন। সেই ম্যাচে ভারতীয় দল উদযাপনে ফেটে পড়লেও সাকিব আল হাসান-লিটন দাসরা চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল বাংলাদেশ। ভুটানের পর এবার শ্রীলঙ্কাকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে সাঈদ খোদারাহমির দল। বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেন অধিনায়ক রাহবার খান।
১৩ ঘণ্টা আগে