
১৭ মাস ধরে বাংলাদেশের হয়ে সাকিব আল হাসান না খেললেও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছেন। পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), আন্তর্জাতিক লিগ (আইএল টি-টোয়েন্টি), ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে তাঁকে দেখা গেছে। গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাকিবকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরানো নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়।
সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার পুনরায় শুরুর প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর গতকাল পুরোনো এক ঘটনা সামনে এনেছেন। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের এক দিন আগে মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেখা করতে গিয়েছিলেন তামিম। অতিথি খাতায় তাঁর নাম থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয় ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার উদ্ধার করা একটি খাতা থেকে। মাঝেমধ্যেই সেই খাতা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আসিফ আকবর সেই ঘটনাকে ইঙ্গিত করে কাল বলেছেন, ‘দুইটা-তিনটা উদাহরণ আছে বাংলাদেশে। এক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সে বাংলাদেশে অবস্থান করছে এবং ৩ আগস্টের পর আরেকজন ক্রিকেটার সেও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তো আমার মনে হয়, সেই দুজনও যদি থাকতে পারে, তাহলে সাকিব আল হাসানও থাকতে পারে।’
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টের আগেই সাকিব আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখনই তিনি ঘরের মাঠে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায়ের ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন। শুধু একবারই না, অনেকবার তিনি দেশের মাঠে ক্যারিয়ারের ইতি টানার কথা বলেছেন। সাকিবকে নিয়ে গতকাল বিসিবি পরিচালক আকবর বলেন, ‘ব্যাপারটা হচ্ছে এ রকম, সাকিবের সঙ্গে আমরা গত কয়েক দিন যোগাযোগ করেছি। সাকিবের ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশে এসে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে অবসর নেবে। এটা তার ইচ্ছা।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অসংখ্য রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েছেন বলে একটা সময়ে তাঁর নাম হয়ে গিয়েছিল ‘রেকর্ড আল হাসান।’ বিশ্বের অনেক বিখ্যাত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মুখেও শোনা যায় সাকিব-বন্দনা। আসিফ আকবরের মতে ১০০ বছরেও সাকিবের মতো ক্রিকেটার পাওয়া অসম্ভব। বিসিবি পরিচালক গতকাল বলেন, ‘আমরা সবাই সাকিবের অবদান সম্পর্কে জানি। বাংলাদেশের ব্র্যান্ড। ১০০ বছরেও সাকিবকে পাব না। সেটার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে উত্থাপিত হয়েছে সাকিব ইস্যু।’
২০২৪ সালের অক্টোবরে বিসিবি সাকিবকে নিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দল ঘোষণা করেছিল। তখন দুই উপদেষ্টার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পেয়ে রওনা দিয়েছিলেন বলে আজকের পত্রিকাকে গত বছরের ডিসেম্বরে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুবাইয়ে এসেও তখন (২০২৪ সালের অক্টোবরে) দেশে ফেরা হয়নি তাঁর। পরে সাকিবের নামে হত্যা মামলাসহ অসংখ্য মামলা হয়েছে।
শুধু ২০২৪ সালের অক্টোবরের মিরপুর টেস্ট নয়, সাকিব ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল), বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল) খেলতে পারছেন না ১৭ মাস ধরে। তাঁর দেশে ফেরার আইনি জটিলতার বিষয় সরকার দেখবে বলে আসিফ আকবর গতকাল উল্লেখ করেছেন। বিসিবি পরিচালক বলেন, ‘সাকিব খেলবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে তার ঝুঁকি বা মামলা আছে। তাকে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে। তার আইনি জটিলতার বিষয়টি দেখবে সরকার।’
২০২৪ সালের অক্টোবরে কানপুরে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটাই বাংলাদেশের হয়ে সাকিবের সর্বশেষ কোনো ম্যাচ। ২০০৬ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১৮ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ৭১ টেস্ট, ২৪৭ ওয়ানডে ও ১২৯ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের জার্সিতে ৪৪৭ ম্যাচে করেন ১৪৭৩০ রান। বাঁ হাতের ঘূর্ণির জাদুতে ৭১২ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

সব মিলিয়ে নতুন কোচের অধীনে একটি নতুন শুরুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল। ইউরোপের মাটিতে প্রথম ম্যাচ নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে বাড়তি রোমাঞ্চ। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া দলের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন, ‘সবকিছুই নতুন, নতুন শুরু। আমি আমার সেরাটা দেব। অবশ্যই আমরা সামনের ম্যাচ জিততে চাই, কারণ প্রথমবারের মতো আমরা ইউরোপে খে
৩৮ মিনিট আগে
একদিকে আর্সেনালের গোছানো রক্ষণ, অন্যদিকে পিএসজির উড়ন্ত আক্রমণ। কে কাকে থামাতে পারবে, সেটাই ঠিক করে দেবে শনিবার রাতের চ্যাম্পিয়ন।
২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের সেভিয়া ও নাপোলির সাবেক এই উইঙ্গার বলেন, ‘এটি প্রচণ্ড চাপের। সবকিছু নির্ভর করে স্কোয়াডের বর্তমান অবস্থা এবং কোচ কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন, তার ওপর। খেলোয়াড়েরা যে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, সেটা মাথায় রেখেও মাঠে নেমে শিরোপা ধরে রাখার জন্য নতুন করে লড়াই করার তাগিদ দিতে হবে কোচকে। ১৯৮২ সালে আমরা ভেবে
২১ ঘণ্টা আগে
২০২৩ সালের পর থেকে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট জিততে পারেনি পাকিস্তান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসির বড় টুর্নামেন্টেও সাফল্য নেই। তবু আশা ছাড়েননি ‘চাচা ক্রিকেট’। তাঁর বহু বছরের চেনা স্লোগানেই যেন ফুটে ওঠে সেই বিশ্বাস, ‘খেলাধুলায় এমনটা হয়েই থাকে। কখনো খুশি, কখনো বেদনা। কখনো তুমি জিতবে, কখনো আমি।’
১ দিন আগে