Ajker Patrika

বাংলাদেশ সফরে কেন তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়া আসছে অস্ট্রেলিয়া, কোচের ব্যাখ্যা

ক্রীড়া ডেস্ক    
বাংলাদেশ সফরে কেন তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়া আসছে  অস্ট্রেলিয়া, কোচের ব্যাখ্যা
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর হ্যাজলউড, কামিন্স, স্টার্ক এভাবেই শিরোপা নিয়ে উদযাপন করছিলেন। ছবি: এএফপি

আইপিএল শেষ হওয়ার পর ব্যস্ত সময় পার করবে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। পাকিস্তানে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষে বাংলাদেশ সফর করবে অজিরা। কিন্তু এই দুই সিরিজে প্যাট কামিন্স, মিচেল মার্শ, জশ হ্যাজলউডের মতো তারকা পেসারদের পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া।

৩১ মে আইপিএল ফাইনালের মাঝেই শুরু হবে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। রাওয়ালপিন্ডিতে ৩০ মে মাঠে গড়াবে দুই দলের সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। শুধু এই এক ওয়ানডেই আইপিএলের মধ্যে পড়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ওয়ানডে ও বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে সব হবে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট শেষে।

আইপিএল শেষ হওয়ার পরও কেন আন্তর্জাতিক সিরিজে কামিন্স-হ্যাজলউড-স্টার্ককে রাখা হয়নি, সেই প্রশ্ন উঠেছে। ক্রিকেটাররা বেছে বেছে সিরিজ খেলছেন বলে এমন কথা শোনা যাচ্ছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড এই ধারণাকে ভ্রান্ত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘অনেকের ধারণা ক্রিকেটাররা কোন সিরিজ খেলবে আর কোনটা খেলবে না, সেটা নিজেরা ঠিক করছে বলে অনেকে ধারণা করছেন। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। সামনে কী সূচি আছে, সেটা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।’

পাকিস্তান-বাংলাদেশ সফরে অনুপস্থিত কামিন্স-স্টার্ক-হ্যাজলউড আইপিএলে খেললেও চোট তাঁদের নিত্যসঙ্গী। কামিন্স দীর্ঘদিন পিঠের সমস্যায় ভুগছিলেন বলে আইপিএলের প্রথম অংশে খেলতে পারেননি। হ্যাজলউড হ্যামস্ট্রিং ও অ্যাকিলিস ইঞ্জুরিতে ভুগছেন। স্টার্কের সমস্যা কাঁধ ও কনুইয়ে।

মূলত চোটের কথা বিবেচনা করেই বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের দলে রাখা হয়নি স্টার্ক-কামিন্সদের। ম্যাকডোনাল্ড আজ বলেন, ‘তারা খেলতে চায়। কিন্তু এখন অতিরিক্ত ক্রিকেট খেলানো ঠিক হবে না বলে মনে করছি। সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেজন্য তাদের ফ্রেশ থাকতে হবে।’

২০২৩ সালে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারতকে স্তব্ধ করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সেবার ট্রফি হাতে স্টার্ক-কামিন্স-হ্যাজলউড ট্রফি হাতে উদযাপন করেছিলেন। কিন্তু পরের দুই বছরে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি তো দূরে থাক, তাঁরা একসঙ্গে কেবল ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—আইসিসির এই দুই ইভেন্টে ছিলেন না তিন তারকার কেউই।

ম্যাকডোনাল্ড তুলে ধরেছেন বয়সের কথাও। বর্তমানে কামিন্স, হ্যাজলউড ও স্টার্কের বয়স ৩৩, ৩৫ ও ৩৬ বছর। এ কারণেই তাঁদের (কামিন্স-হ্যাজলউড-স্টার্ক) বেছে বেছে খেলানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড। আজ অস্ট্রেলিয়ার কোচ বলেন, ‘ক্রিকেটারদের বয়সও বাড়ছে। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।’

বাংলাদেশ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া আসছে শক্তিশালী দল নিয়ে। মিচেল মার্শ ছয় ম্যাচেই (তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি) নেতৃত্ব দেবেন অস্ট্রেলিয়াকে। ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ক্যামেরন গ্রিনরা খেলবেন বাংলাদেশ সিরিজে।

মিরপুরে ৯, ১১ ও ১৪ জুন হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের তিন ওয়ানডে। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ভেন্যু বদলাতে হবে দুই দলকে। ১৭, ১৯ ও ২১ জুন চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে হবে তিন টি-টোয়েন্টি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত