সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে অস্ট্রেলিয়া দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্বে ছিলেন অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। ২০১৯ সালের শেষ দিকে তিনি সিনিয়র সহকারী কোচ এবং বোলিং মেন্টর হিসেবেও কাজ করেছিলেন।শেষ পর্যন্ত তাই তার ওপরই ভরসা রাখল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সাবেক এই অলরাউন্ডার পেলেন অস্ট্রেলিয়ার নতুন কোচ ও নির্বাচকের দায়িত্ব।
চার বছরের চুক্তিতে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ম্যাকডোনাল্ড। দীর্ঘদিন থেকে সাদা ও লাল বলে আলাদা কোচ নিয়ে আলোচনা চলছিল অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে। তবে সেই পথে না হেঁটে তিন সংস্করণেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ম্যাকডোনাল্ডকে। নিয়োগ পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ৪০ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান বলেন,‘এখন পর্যন্ত যাত্রাটি আনন্দের এবং সামনের দিনের জন্য এমন দারুণ সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমার পরিকল্পনা স্কোয়াডের গভীরতা এবং অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে দল বানানো। ’ নির্বাচক প্যানেলে ম্যাকডোনাল্ড ছাড়াও থাকবেন জর্জ বেইলি এবং টনি ডডমেড।
ম্যাকডোনাল্ডের কোচিং অভিজ্ঞতা বেশ সমৃদ্ধ। ২০১৮-১৯ মৌসুমে ভিক্টোরিয়া রাজ্য দল তাঁর কোচিংয়ে শেফিল্ড শিল্ড, মার্শ কাপ জেতে। একই মৌসুমে বিগ ব্যাশ লিগে মেলবোর্ন রেনেগেডস চ্যাম্পিয়ন হয়। আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের কোচও তিনি ছিলেন।
খেলোয়াড়ি জীবনে ম্যাকডোনাল্ড অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ৪ টেস্ট। ৪ টেস্টে ব্যাট হাতে ২১.৪০ গড়ে ১০৭ রান ও বল হাতে ৯ উইকেট শিকার করেন তিনি। ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৯৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, ১০০টি লিস্ট-এ ম্যাচ এবং ৯৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ম্যাকডোনাল্ড।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৭ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে