ক্রীড়া ডেস্ক

ইংল্যান্ডের অ্যাডাম রসিংটন আজ গ্লাভসে চুম্বক লাগিয়ে খেলতে নেমেছেন কি না কে জানেন! চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে খেলা এই উইকেটরক্ষক আজ স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন। স্টাম্পিংয়ের পর ব্যাটিংটাও করেছেন দুর্দান্ত।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এখন চলছে বিপিএলের চট্টগ্রাম রয়্যালস-ঢাকা ক্যাপিটালস ম্যাচ। ঢাকার চার ব্যাটারকে স্টাম্পিং করে বিপিএল ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছেন। চার স্টাম্পিং করা রসিংটন ৩৬ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ চার স্টাম্পিংয়ের কীর্তি এখন পর্যন্ত সাত উইকেটরক্ষকের রয়েছে। তবে রসিংটন ছাড়া কেউই ফিফটি করতে পারেননি।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের সাতটির মধ্যে কেবল দুটি হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। এই দুটি আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। লর্ডসে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার কামরান আকমল চার স্টাম্পিং করেছিলেন। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষেই হয়েছিল এমন রেকর্ড স্টাম্পিং। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে চার স্টাম্পিং করেছিলেন তিনি।
রসিংটনের আগে টনি ফ্রস্ট, দিনেশ কার্তিক, কামরান আকমল, ধীমান ঘোষ, লাহিরু দাওয়াতাগে ও দিনেশ রামদিন—এই ছয় উইকেটরক্ষক ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছিলেন। রসিংটনসহ পাঁচ ক্রিকেটারের ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের ঘটনাগুলো তাঁদের ঘরোয়া ক্রিকেটেই হয়েছে। রানের হিসাব করলে এই তালিকায় দুইয়ে কামরান আকমল। ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চার স্টাম্পিং করা কামরান ৩০ বলে ৪১ রান করে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ডিসমিসালের হিসেবে সাত উইকেটরক্ষক ব্যাটারের মধ্যে দিনেশ কার্তিক অবশ্য একটু আলাদা। তিনি আন্তপ্রদেশ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে হরিয়ানার বিপক্ষে চার স্টাম্পিংয়ের পাশাপাশি একটা ক্যাচও ধরেছিলেন। উসমান খান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম—সিলেট স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসের এই চার ব্যাটারকে স্টাম্পিং করেন অ্যাডাম রসিংটন। যাঁদের মধ্যে উসমান ও ইমাদের উইকেট নেন তানভীর ইসলাম। শামীম, সাব্বিরকে ফিরিয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। চট্টগ্রামের ১০ উইকেটের জয়ে রসিংটনই পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ইনিংসে চার স্টাম্পিং ও সর্বোচ্চ রান
দল রান প্রতিপক্ষ সাল
অ্যাডাম রসিংটন চট্টগ্রাম রয়্যালস ৬০* ঢাকা ক্যাপিটালস ২০২৬
কামরান আকমল পাকিস্তান ৪১ নেদারল্যান্ডস ২০০৯
দিনেশ কার্তিক তামিলনাড়ু ৩৭ হরিয়ানা ২০০৭
লাহিরু দাওয়াতাগে এস ক্যাপিটাল ২৩ কুরুনেগালা ২০২৫
দিনেশ রামদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ পাকিস্তান ২০১৪
টনি ফ্রস্ট ওয়ারউইকশায়ার ৩* গ্লামরগান ২০০৪
ধীমান ঘোষ সিলেট ২ খুলনা ২০১০

ইংল্যান্ডের অ্যাডাম রসিংটন আজ গ্লাভসে চুম্বক লাগিয়ে খেলতে নেমেছেন কি না কে জানেন! চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে খেলা এই উইকেটরক্ষক আজ স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন। স্টাম্পিংয়ের পর ব্যাটিংটাও করেছেন দুর্দান্ত।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এখন চলছে বিপিএলের চট্টগ্রাম রয়্যালস-ঢাকা ক্যাপিটালস ম্যাচ। ঢাকার চার ব্যাটারকে স্টাম্পিং করে বিপিএল ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছেন। চার স্টাম্পিং করা রসিংটন ৩৬ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ চার স্টাম্পিংয়ের কীর্তি এখন পর্যন্ত সাত উইকেটরক্ষকের রয়েছে। তবে রসিংটন ছাড়া কেউই ফিফটি করতে পারেননি।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের সাতটির মধ্যে কেবল দুটি হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। এই দুটি আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। লর্ডসে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার কামরান আকমল চার স্টাম্পিং করেছিলেন। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষেই হয়েছিল এমন রেকর্ড স্টাম্পিং। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে চার স্টাম্পিং করেছিলেন তিনি।
রসিংটনের আগে টনি ফ্রস্ট, দিনেশ কার্তিক, কামরান আকমল, ধীমান ঘোষ, লাহিরু দাওয়াতাগে ও দিনেশ রামদিন—এই ছয় উইকেটরক্ষক ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছিলেন। রসিংটনসহ পাঁচ ক্রিকেটারের ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের ঘটনাগুলো তাঁদের ঘরোয়া ক্রিকেটেই হয়েছে। রানের হিসাব করলে এই তালিকায় দুইয়ে কামরান আকমল। ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চার স্টাম্পিং করা কামরান ৩০ বলে ৪১ রান করে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ডিসমিসালের হিসেবে সাত উইকেটরক্ষক ব্যাটারের মধ্যে দিনেশ কার্তিক অবশ্য একটু আলাদা। তিনি আন্তপ্রদেশ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে হরিয়ানার বিপক্ষে চার স্টাম্পিংয়ের পাশাপাশি একটা ক্যাচও ধরেছিলেন। উসমান খান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম—সিলেট স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসের এই চার ব্যাটারকে স্টাম্পিং করেন অ্যাডাম রসিংটন। যাঁদের মধ্যে উসমান ও ইমাদের উইকেট নেন তানভীর ইসলাম। শামীম, সাব্বিরকে ফিরিয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। চট্টগ্রামের ১০ উইকেটের জয়ে রসিংটনই পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ইনিংসে চার স্টাম্পিং ও সর্বোচ্চ রান
দল রান প্রতিপক্ষ সাল
অ্যাডাম রসিংটন চট্টগ্রাম রয়্যালস ৬০* ঢাকা ক্যাপিটালস ২০২৬
কামরান আকমল পাকিস্তান ৪১ নেদারল্যান্ডস ২০০৯
দিনেশ কার্তিক তামিলনাড়ু ৩৭ হরিয়ানা ২০০৭
লাহিরু দাওয়াতাগে এস ক্যাপিটাল ২৩ কুরুনেগালা ২০২৫
দিনেশ রামদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ পাকিস্তান ২০১৪
টনি ফ্রস্ট ওয়ারউইকশায়ার ৩* গ্লামরগান ২০০৪
ধীমান ঘোষ সিলেট ২ খুলনা ২০১০

টানা ৩ হারে অস্ট্রেলিয়ার কাছে অ্যাশেজ হেরেছে ইংল্যান্ড। অবশেষে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অজিদের হারিয়ে ব্যবধান কমিয়েছে তারা। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মর্যাদাপূর্ণ সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে দুই দল। ম্যাচটির জন্য ১২ সদস্যের দল দিয়েছে ইংল্যান্ড।
২০ মিনিট আগে
জয় দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি পর্ব শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই হেরে যায় চট্টগ্রাম কিংস। ঘুরে দাঁড়াতেও বেশি সময় নিল না তারা। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে শেখ মেহেদি হাসানের দল।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর একগাদা ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের হোম সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সময়কালে নিজেদের মাঠে পাঁচটি দলের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজরা। এর মধ্যে আছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ডের মতো ক্রিকেট বিশ্বের শক্তিশালী দলগুলো।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছর শুরু হলো, কিন্তু মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের চিত্রটা বদলায়নি। পয়েন্ট খুইয়ে বছর শুরু করার পাশাপাশি, বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম পর্ব শেষ করল তারা। ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে আজ গোলশূন্য ড্র করেছে আলফাজ আহমেদের দল।
২ ঘণ্টা আগে