
গোড়ালির ওপরের অংশ—চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যাকিলিস টেনডনের সমস্যায় ভুগছিলেন তাসকিন আহমেদ। এ জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ নিতে লন্ডনে গিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ। চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ শেষে জানা গেছে, আপাতত কোনো অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই তাঁর। এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
লন্ডনে তাসকিনের সঙ্গে ছিলেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। তাসকিনকে সেখানে দেখছেন একজন গোড়ালির সার্জন, একজন স্পোর্টস ফিজিশিয়ান ও একজন স্পোর্টস ফিজিওথেরাপিস্ট। বিশদ মূল্যায়নের পর চিকিৎসক দল মত দিয়েছেন, এখনই কোনো অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই তাঁর।
অস্ত্রোপচারবিহীন একটি পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হবে বাংলাদেশ জাতীয় দলের মেডিকেল ও ফিজিক্যাল সাপোর্ট স্টাফদের তত্ত্বাবধানে। দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘বিশেষজ্ঞদের মতে, তাসকিনের জন্য এখন সবচেয়ে উপযুক্ত পদ্ধতি হচ্ছে রক্ষণাত্মক, অর্থাৎ অপারেশন ছাড়াই চিকিৎসা। তার পুনর্বাসন কর্মসূচি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে ধীরে ধীরে তার ফিটনেস ফিরে আসে এবং টেনডনের সমস্যাটিও নিয়ন্ত্রিত থাকে। আমরা তাসকিনের উন্নতির ব্যাপারে আশাবাদী।’
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের পরামর্শ অনুযায়ী যদি নির্ধারিত পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ঠিকভাবে করতে পারেন তাসকিন, জুনের শুরুতেই তার ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে নিজেদের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তান সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজও হাতছাড়া হয়েছে তাঁর।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৯ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে