
গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিনই সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে অবসর নেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। দুই দিন আগেই ইংল্যান্ড সিরিজের আগে টেস্ট ক্রিকেট থেকেও বিদায়ের ঘোষণা দেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর পথ ধরে এবার ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ থেকে অবসরের পথে হাঁটছেন কোহলি।
ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন, টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয়ে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন কোহলি। তিনি অবসর নিতে চান এটা জানিয়েছেন ক্রিকেট বোর্ডকে। এমনকি মাস খানেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে এই আলোচনা। তবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকেরা চান কোহলি টেস্ট ক্রিকেট খেলে যাক। বিশেষ করে ইংল্যান্ড সফরের আগে তাঁকে অবসরের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলতে যাওয়ার কথা ভারতের।
কোহলি বিদায় নিলে মোটামুটি অভিজ্ঞ ক্রিকেটার কমে যাবে ভারতীয় দলে। এরই মধ্যে রোহিত অবসর বলে দিয়েছেন, রবিচন্দ্রন অশ্বিন সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সরে গেছেন। চেতশ্বর পূজারা ও আজিঙ্কা রাহানেও নেই দলে। এখানো টেস্ট খেলার মতো ফিটনেসে আসেননি মোহাম্মদ শামি।
কোহলি অবসর নিলে নতুন অধিনায়ক জন্য বড় চাপ যাবে ইংল্যান্ড সিরিজ। তবে বিসিসিআইয়ের আশা করছে, ইংল্যান্ড সিরিজে খেলবেন তিনি। যদি কোহলি সিদ্ধান্ত না বদলান, তবে ১৪ বছরের এক গৌরবময় টেস্ট ক্যারিয়ারের অবসান ঘটবে। যেখানে তিনি ১২৩টি টেস্ট খেলেছেন, এর মধ্যে ৬৮ টেস্টে ছিলেন অধিনায়ক। টেস্টে ৩৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার করেছেন ৯২৩০ রান, গড় ৪৬.৮৫। সেঞ্চুরি ৩০টি।

শেষ বিকেলে পাকিস্তানের দুই-একটা উইকেট তুলে নিতে পারলে সেটা হতো বাংলাদেশের জন্য ‘প্লাস পয়েন্ট’। চার বোলার খাটিয়েও সফল হননি নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপরও এগিয়ে থাকার স্বস্তি নিয়ে দিনের খেলা শেষ করল বাংলাদেশ।
৪০ মিনিট আগে
ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা তাঁর লিখিত বক্তব্যে ড. ইউনূসের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘প্রফেসর ইউনূস নিজে দুই কন্যার পিতা। নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও ক্ষমতায়নের জন্য সারা জীবন কাজ করেছেন বলে দাবি করেন। তাঁর নোবেল পুরস্কারের অংশীদারও একজন নারী। অথচ তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশের মহিলাদের খেলাধুলার জন্য
১ ঘণ্টা আগে
দলীয় ১১৬ রানে মেহেদী হাসান মিরাজ যখন ফিরে যান, তখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছিল—সম্মানজনক সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারবে তো বাংলাদেশ? শেষ পর্যন্ত লজ্জা এড়িয়ে সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের বিপক্ষে স্বাগতিকেরা এই সমীকরণ মিলিয়েছে। সেটা সম্ভব হয়েছে লিটন দাসের লড়িয়ে ইনিংসে ভর করে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথম দুই সেশনে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে রীতিমতো বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল পাকিস্তান। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিমরা ক্রিজে টিকে গিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেনি। তাতে ২০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। কিন্তু বাকিদের ব্যর্থতার দিনে একপ্রান্তে আগলে রাখেন লিটন দাস।
২ ঘণ্টা আগে