নিজস্ব প্রতিবেদক

সাইফ হাসানের বাবা বাংলাদেশি হলেও মায়ের বাড়ি শ্রীলঙ্কায়। কর্মসূত্রে সৌদি আরবে দুই দেশের এই দুই নাগরিকের পরিচয় থেকে পরিণয়। সে হিসেবে অর্জুনা রানাতুঙ্গার দেশ সাইফের কাছে নানু বাড়িই। সেই দেশে তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী কি সাইফই হচ্ছেন?
প্রশ্নের উত্তর পেতে অবশ্য আরও কটা দিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে কাল সংঘনিরোধ পর্ব শেষে কলম্বোর কাটুনায়েকে অনুশীলন শুরু করা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলেছেন সাইফ। বিসিবির পাঠানো ভিডিওবার্তায় তরুণ ওপেনার বলেছেন, ‘আয়ারল্যান্ড অনূর্ধ্ব–২৩ সিরিজ ও জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএলে) ব্যাটিংয়ে খুব ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। ফিটনেস নিয়েও সন্তুষ্ট আছি। আত্মবিশ্বাসও খুব ভালো। একাদশে সুযোগ পেলে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।’
গত ১৫ বছরে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই ওপেনিংয়ে দলের ‘অটোমেটিক চয়েস’ হয়ে খেলছেন তামিম। নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন দলের অন্যতম সেরা ব্যাটিংস্তম্ভ হিসেবে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর সঙ্গী হিসেবে বহু পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর লিটন দাসই এখন বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দ। কিন্তু সংস্করণটা যখন লাল বলের হয়ে যায়–তখন দুশ্চিন্তা বাড়ে টিম ম্যানেজমেন্টের। টেস্টে তামিমের ওপেনিং সঙ্গী বাছতে যেন গলদগর্ম অবস্থা নির্বাচকদেরও। এই জায়গায় এখনো কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারেননি। গত তিন বছরে বাংলাদেশ দল ভিন্ন ১১টি ওপেনিং জুটি দেখেছে। বারবার জুটি বদলেও ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো ওপেনিং জুটি গড়ে ১০ ওভারও খেলতে পারছে না। অথচ ওপেনারদের কাজ থাকে নতুন বলটা পুরোনো করে দেওয়ার।
গত কয়েক বছরে তাই তামিমের সঙ্গী হিসেবে কখনো লিটন, কখনো সাদমান আবার কখনো সাইফ–সৌম্য খেলেছেন। চোটে পড়ায় যেসব টেস্টে তামিম হাতছাড়া করেছেন, সেসব টেস্টে ইমরুল কায়েসকেও ওপেনার হিসেবে দেখা গেছে। এবার লঙ্কা সফরে তামিম–সাইফের পাশাপাশি আছেন সাদমান ইসলামও। গত আড়াই বছরে তামিমের পর ওপেনিংয়ে সবচেয়ে (৭ টেস্ট) বেশি দেখা গেছে এই বাঁহাতিকে। তামিমের সঙ্গী হিসেবে সাদমানকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ভাবনাও ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের।
কিন্তু সাদমানের ভাগ্যটা একটু খারাপই বলতে হবে। অভিষেক হওয়ার পর বাংলাদেশের টানা ছয় টেস্টে খেলেছেন বাঁহাতি ওপেনার। আঙুলের চোটে পড়ায় গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে ছিলেন দলের বাইরে। সেই চোট সেরে এই ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামেন। চট্টগ্রামের সেই টেস্টে ফিফটিও করেন। এরপর আবারও চোট; নিতম্বের ব্যথায় দ্বিতীয় টেস্টের দলের বাইরে চলে যাওয়া।
সাদমানের সামনে সুযোগ ছিল ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি নেওয়ার। কিন্তু এবার তাঁর সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় করোনা। কোভিড পজিটিভ হওয়ায় জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খেলার বদলে তাঁকে ঘরবন্দী হয়েই কাটাতে হয়েছে সময়। সাদমানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে টেস্টে তেমন কিছু করতে না পারলেও গত কয়েক মাসটা দুর্দান্তই গেছে সাইফের। স্থগিত হওয়ার আগে এনসিএলে ঢাকার হয়ে দুই ম্যাচে মাঠে নেমে দুটিতেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি আর হাফ সেঞ্চুরির দেখা।
এর আগে আয়ারল্যান্ডের তরুণদের বিপক্ষেও করেছেন সেঞ্চুরি। সাম্প্রতিক কালে লাল বলে সাইফের পারফরম্যান্সই এগিয়ে রাখতে পারে তাঁকে! টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো ভাবতে পারে, এতে একদিকে ‘প্রস্তুত’ ব্যাটসম্যানকে পাওয়া যাবে, আবার ওপেনিংয়ে বাঁহাতি–ডান হাতি সমন্বয়টাও ভালো হবে।
অবশ্য উইকেটকিপার হিসেবে নুরুল হাসান একাদশে ঢুকে পড়লে–দুজনের জন্যই তামিমের সঙ্গী হওয়া হবে এক লাফে এভারেস্ট ছোঁয়ার মতো কঠিনই! তখন লিটনই ওপেনিংয়েও
চলে আসতে পারেন। তাই প্রথম টেস্ট শুরুর আগে ক্রিকেটারদের নামের তালিকা না পাওয়া পর্যন্ত ধোঁয়াশা থাকছেই–তামিমের সঙ্গী হচ্ছেন কে।

সাইফ হাসানের বাবা বাংলাদেশি হলেও মায়ের বাড়ি শ্রীলঙ্কায়। কর্মসূত্রে সৌদি আরবে দুই দেশের এই দুই নাগরিকের পরিচয় থেকে পরিণয়। সে হিসেবে অর্জুনা রানাতুঙ্গার দেশ সাইফের কাছে নানু বাড়িই। সেই দেশে তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী কি সাইফই হচ্ছেন?
প্রশ্নের উত্তর পেতে অবশ্য আরও কটা দিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে কাল সংঘনিরোধ পর্ব শেষে কলম্বোর কাটুনায়েকে অনুশীলন শুরু করা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলেছেন সাইফ। বিসিবির পাঠানো ভিডিওবার্তায় তরুণ ওপেনার বলেছেন, ‘আয়ারল্যান্ড অনূর্ধ্ব–২৩ সিরিজ ও জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএলে) ব্যাটিংয়ে খুব ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। ফিটনেস নিয়েও সন্তুষ্ট আছি। আত্মবিশ্বাসও খুব ভালো। একাদশে সুযোগ পেলে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।’
গত ১৫ বছরে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই ওপেনিংয়ে দলের ‘অটোমেটিক চয়েস’ হয়ে খেলছেন তামিম। নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন দলের অন্যতম সেরা ব্যাটিংস্তম্ভ হিসেবে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর সঙ্গী হিসেবে বহু পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর লিটন দাসই এখন বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দ। কিন্তু সংস্করণটা যখন লাল বলের হয়ে যায়–তখন দুশ্চিন্তা বাড়ে টিম ম্যানেজমেন্টের। টেস্টে তামিমের ওপেনিং সঙ্গী বাছতে যেন গলদগর্ম অবস্থা নির্বাচকদেরও। এই জায়গায় এখনো কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারেননি। গত তিন বছরে বাংলাদেশ দল ভিন্ন ১১টি ওপেনিং জুটি দেখেছে। বারবার জুটি বদলেও ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো ওপেনিং জুটি গড়ে ১০ ওভারও খেলতে পারছে না। অথচ ওপেনারদের কাজ থাকে নতুন বলটা পুরোনো করে দেওয়ার।
গত কয়েক বছরে তাই তামিমের সঙ্গী হিসেবে কখনো লিটন, কখনো সাদমান আবার কখনো সাইফ–সৌম্য খেলেছেন। চোটে পড়ায় যেসব টেস্টে তামিম হাতছাড়া করেছেন, সেসব টেস্টে ইমরুল কায়েসকেও ওপেনার হিসেবে দেখা গেছে। এবার লঙ্কা সফরে তামিম–সাইফের পাশাপাশি আছেন সাদমান ইসলামও। গত আড়াই বছরে তামিমের পর ওপেনিংয়ে সবচেয়ে (৭ টেস্ট) বেশি দেখা গেছে এই বাঁহাতিকে। তামিমের সঙ্গী হিসেবে সাদমানকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ভাবনাও ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের।
কিন্তু সাদমানের ভাগ্যটা একটু খারাপই বলতে হবে। অভিষেক হওয়ার পর বাংলাদেশের টানা ছয় টেস্টে খেলেছেন বাঁহাতি ওপেনার। আঙুলের চোটে পড়ায় গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে ছিলেন দলের বাইরে। সেই চোট সেরে এই ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামেন। চট্টগ্রামের সেই টেস্টে ফিফটিও করেন। এরপর আবারও চোট; নিতম্বের ব্যথায় দ্বিতীয় টেস্টের দলের বাইরে চলে যাওয়া।
সাদমানের সামনে সুযোগ ছিল ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি নেওয়ার। কিন্তু এবার তাঁর সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় করোনা। কোভিড পজিটিভ হওয়ায় জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খেলার বদলে তাঁকে ঘরবন্দী হয়েই কাটাতে হয়েছে সময়। সাদমানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে টেস্টে তেমন কিছু করতে না পারলেও গত কয়েক মাসটা দুর্দান্তই গেছে সাইফের। স্থগিত হওয়ার আগে এনসিএলে ঢাকার হয়ে দুই ম্যাচে মাঠে নেমে দুটিতেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি আর হাফ সেঞ্চুরির দেখা।
এর আগে আয়ারল্যান্ডের তরুণদের বিপক্ষেও করেছেন সেঞ্চুরি। সাম্প্রতিক কালে লাল বলে সাইফের পারফরম্যান্সই এগিয়ে রাখতে পারে তাঁকে! টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো ভাবতে পারে, এতে একদিকে ‘প্রস্তুত’ ব্যাটসম্যানকে পাওয়া যাবে, আবার ওপেনিংয়ে বাঁহাতি–ডান হাতি সমন্বয়টাও ভালো হবে।
অবশ্য উইকেটকিপার হিসেবে নুরুল হাসান একাদশে ঢুকে পড়লে–দুজনের জন্যই তামিমের সঙ্গী হওয়া হবে এক লাফে এভারেস্ট ছোঁয়ার মতো কঠিনই! তখন লিটনই ওপেনিংয়েও
চলে আসতে পারেন। তাই প্রথম টেস্ট শুরুর আগে ক্রিকেটারদের নামের তালিকা না পাওয়া পর্যন্ত ধোঁয়াশা থাকছেই–তামিমের সঙ্গী হচ্ছেন কে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেবে আইসিসি, এমন খবর বের হয়েছিল আজ। তবে এর কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি বিসিবি। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো কথাই হয়নি স্কটল্যান্ডের।
৭ ঘণ্টা আগে
সিলেট টাইটানস এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের প্লে অফ। এলিমিনেটরে আগামীকাল দুপুর দেড়টায় মাঠে নামবে দুদল। শেষ চারের ম্যাচে লিটন দাসের দলের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিলেন সিলেটের ইংলিশ ব্যাটার ইথান ব্রুকস।
৮ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
৯ ঘণ্টা আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
১২ ঘণ্টা আগে