বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের আরও কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

জোমেল ওয়ারিকান, রস্টন চেজদের ঘূর্ণি জাদুতে কুপোকাত হয়ে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ১৪২ রানেই। মিরপুর শেরেবাংলার বর্তমান পিচের যে অবস্থা, তাতে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়ে উইন্ডিজকে ঘায়েল করার স্বপ্ন দেখতেই পারেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসানরা ওভারের পর ওভার করে যাচ্ছেন। কিন্তু উইকেটের দেখা পাচ্ছেন না।
৫৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে সর্বনাশের পথটা বাংলাদেশের আগেই তৈরি হয়েছিল। আজ চতুর্থ দিনে দুই দফা বৃষ্টি বাগড়া দিয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের মাঝে একবার। আরেকবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৭০ রান তাড়া করার সময়। যেখানে উইন্ডিজ ৬৩ রান করার পর ২৮ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। চা পানের বিরতি পর্যন্ত ১৭.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৮৭ রান করেছে ক্যারিবীয়রা। ব্র্যান্ডন কিং করেছেন ৪০ রান। আরেক ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ৩৯ রানে ব্যাটিং করছেন।
১৭০ রানের লক্ষ্যে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ১ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে যখন ৮ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, তখন লাঞ্চ ঘোষণা করা হয়। সেই ওভারেই ক্যাম্পবেলের বিপক্ষে তিনবার এলবিডব্লুর আবেদন করেন মিরাজ। কোনোবারই আম্পায়ার সাড়া দেননি। এমনকি লাঞ্চ বিরতির পর খেলা শুরু হলে নাঈম-তাইজুলরাও আবেদন করেন। আম্পায়ার সাড়া দেননি। নাজমুল হোসেন শান্ত দুইবার রিভিউ নিলে আম্পায়ার্স কলে বেঁচে যান ক্যারিবীয় ওপেনাররা। পুঁজি যখন কম, একেকটা উইকেটের জন্য যেখানে চাতক পাখির মতো অপেক্ষা, সেখানে রিভিউ নিয়েও উইকেট না পারার হতাশা ফুটে উঠেছে শান্তর চেহারায়।
বরাবরের মতো আজ চতুর্থ দিনের দুপুরেই শেরেবাংলার ফ্লাডলাইট জ্বালানো হয়েছে। ২টা ১০ মিনিটে চা পানের বিরতি দেওয়ার কথা থাকলেও ৩-৪ মিনিট আগে বিরতি দেওয়া হয়। কিং-ক্যাম্পবেল সমানে সমানে রান করছেন। কিং খেলেছেন ৬২ বল। ৪৫ বল খেলেছেন ক্যাম্পবেল।










