ফের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া

মিরপুর শেরেবাংলায় সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘূর্ণি জাদুতে চোখে সর্ষেফুল দেখছে বাংলাদেশ। তা দেখে প্রকৃতিরও মন খারাপ হয়ে গেল। চতুর্থ দিনের সকালের সেশনে ফের বাগড়া দিল বৃষ্টি।
গতকাল বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের তৃতীয় দিনের দুপুরে নেমেছিল বৃষ্টি। আজও বাদ সাধল প্রকৃতি। বাগড়া দিল বেরসিক বৃষ্টি। আপাতত খেলা বন্ধ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৬ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩২ রান করেছে। লিডসহ স্বাগতিকদের স্কোর ১৫৯ রান। নাঈম হাসান ৪৯ রানে ব্যাটিং করছেন। শরীফুল ইসলাম ৩ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি।
দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৯ রান করে আজ চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শুরুর পঞ্চম বলে জোমেল ওয়ারিকানকে চার মারেন জাকের আলী অনিক। যেখানে মুমিনুল হক ছিটকে যাওয়ায় কনকাশন বদলি হিসেবে সুযোগ পান জাকের। তবে চার মারার পরের বলেই স্লিপে রস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দেন জাকের।
৩৪ বলে ২ চারে ২২ রান করা জাকেরের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ২৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৪ রান। তাতে ভেঙে যায় সপ্তম উইকেটে জাকের-নাঈমের ৫০ বলে ৩১ রানের জুটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এরপর ক্যাচ মিসের মহড়া শুরু করে। চতুর্থ দিনে উইন্ডিজ যে তিন ক্যাচ মিস করেছে, তার মধ্যে তিনটিই ওয়ারিকানের বলে। যার মধ্যে একটিতে হাসান মাহমুদের কট এন্ড বোল্ড সুযোগ হাতছাড়া করেন ওয়ারিকান। ৩১.২ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার যখন ক্যাচ ড্রপ করেন, তখন হাসানের রান ১। বাংলাদেশ ৮৬ রানে হারাতে পারত অষ্টম উইকেট।
ওয়ারিকানের বলে এরপর যে দুই ক্যাচ মিস হয়েছে, দুইবারই জীবন পেয়েছেন নাঈম। যার মধ্যে ৩৪তম ওভারের প্রথম বলে প্রথম স্লিপে চেজ ক্যাচ মিস করে সেটাকে চার বানিয়ে দেন। তখন নাঈমের রান ২১। আরেক দফা যখন জীবন পান, তখন তাঁর রান ২৯। ৩৬তম ওভারের শেষ বলে এবারও ওয়ারিকানের বলে চেজ সেই প্রথম স্লিপেই ক্যাচ মিস করেছেন।
নাঈম এক প্রান্তে জীবন পেয়ে সুযোগ কাজে লাগাতে থাকেন। অন্যপ্রান্তে তাঁকে হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম সঙ্গ দিতে থাকেন। হাসান, তাইজুল দুই জনই ৮ রান করে আউট হয়েছেন। দুই টেলএন্ডার ব্যাটারই এলবিডব্লুর শিকার হয়েছেন। যার মধ্যে ওয়ারিকানের আর্ম বলে এলবিডব্লু হওয়ার পর হাসান রিভিউ নষ্ট করেছেন। আগের দুই ব্যাটার শান্ত, লিটন রিভিউ নষ্ট করায় বাংলাদেশের তিন রিভিউ শেষ হয়ে যায়। তাঁরাও এলবিডব্লু হয়েছেন। আর তাইজুলকে এলবিডব্লু করেন চেজ।
হাসান, তাইজুল দ্রুত ফেরায় বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ৪৫ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৭ রান। নাঈম একপ্রান্তে স্বীকৃত ব্যাটারের মতো খেলতে থাকেন।










