চট্টগ্রাম টেস্টে একের পর এক হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। প্রথম দিনে নির্বিষ বোলিং, বিস্মিত করা রিভিউ, একের পর এক ক্যাচ মিস, বাজে ফিল্ডিং—দুর্দশার সব চিত্রই দেখা গিয়েছিল। দ্বিতীয় দিনেও সেই একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি। সমালোচনার তির ছুটে এলেও যেন ভাবান্তর নেই নাজমুল হোসেন শান্তদের মনে।
গতকাল দ্বিতীয় দিনে প্রথম ইনিংস শুরু করে ব্যাটিংয়ে ভালো শুরুর আভাস দিলেও সেটির ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি আজ। চট্টগ্রামের ব্যাটিং-বান্ধব উইকেটে শ্রীলঙ্কা যেখানে পেয়েছে ৫৩১ রানের স্কোর সেখানে বাংলাদেশ অলআউট ১৭৮ রানে। এর আগে সিলেটেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানে হেরেছিল স্বাগতিকেরা।
আগামীকাল চতুর্থদিনে হারটাকে বাংলাদেশ কতটুকু প্রলম্বিত করতে পারে অপেক্ষা শুধু সেটি দেখার। ইতিমধ্যে যে লঙ্কানদের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ রান! আর এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই টেস্টে। আজ অবশ্য বোলিংয়ে বেশ ধারাবাহিক দেখা গেল বাংলাদেশকে। পেসারদের তোপে লঙ্কানরা দিন শেষ করেছে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১০২ রানে। হাসান মাহমুদ নিয়েছেন ৪ উইকেট।
কিন্তু লঙ্কানদের দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের ফিল্ডাররা যেন ‘হাতে তেল মেখে’ নেমেছিল। ইনিংসের অষ্টম ওভারের প্রথম বলে স্লিপে ক্যাচ ছাড়েন শাহাদাত হোসেন দিপু। গতকাল ক্যাচ ছাড়ার এই সংখ্যাটা ছিল ৭! সেই সুযোগটা ভালোমতোই কাজে লাগিয়ে রানের পাহাড় গড়ে সফরকারী দল। বাংলাদেশের ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতই যেন চট্টগ্রাম টেস্ট হাত ফসকে যেতে বসেছে শান্তদের।
সেই বিবর্ণ ফিল্ডারদের একটি নমুনা হলো—চার বাঁচাতে দৌড়াচ্ছেন চার ফিল্ডার! এমন হাস্যকর একটি দৃশ্যের ছবি এখন ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আর ফিল্ডারদের এমন দৌড় দেখে অনেকে মজা করে বলছেন—ফুটবল ম্যাচ। জাইদি নামে একজন টুইটারে এই ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দিয়েছেন, ‘ফুটবল ম্যাচ বা ক্রিকেট ম্যাচ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের বিনোদন কখনো শেষ হবে না।’
চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে স্লিপে ‘মাছ ধরার’ মতো তিন ফিল্ডারের ঘাসে লুটোপুটি দেখেও না হেসে পারেনি ক্রিকেট প্রেমীরা। এমনকি সেদিন শান্তর রিভিউ নেওয়া দেখেও ট্রল করেছে কলকাতা পুলিশ। বাউন্ডারি বাঁচাতে পাঁচ ফিল্ডারের দৌড়ের ঘটনাটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসের সময়, ইনিংসের ২১ তম ওভারের প্রথম বলে।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৬ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে