দলের প্রথম সাত ম্যাচে একাদশে ঢোকার সুযোগই হয়নি পেসার চেতন সাকারিয়ার। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলার সুযোগ পান কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে। ম্যাচে নেমেই অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট উপড়ে দিয়ে জায়গা করে নেন পরের ম্যাচেও।
মোস্তাফিজুর রহমান, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, শার্দুল ঠাকুরদের নিয়ে দিল্লির বোলিং লাইনআপটা বেশ শক্তিশালীই। স্কোয়াডের বাইরে লুঙ্গি এনগিডি, এনরিখ নর্তিয়েদের মতো পেসাররা। সাকারিয়ার অন্তর্ভুক্তির সেই লাইনআপের বৈচিত্র্য বাড়িয়েছে।
দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্ত ও কোচ রিকি পন্টিংকে নিয়ে এনডিটিভির সঙ্গে কথা বলেছেন মোস্তাফিজ সতীর্থ সাকারিয়া। কোচ-অধিনায়ক দুজনকে নিয়েই প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাঁহাতি এই পেসার।
কোচ রিকি পন্টিংকে নিয়ে সাকারিয়া বলেছেন, ‘এই দলের সঙ্গে অনেক দিন থেকেই আছি। রিকি পন্টিংয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আমি হতবাক। যখন কোনো কঠিন পরিস্থিতি আসে, দেখা যাবে পন্টিং কিছু একটা নিয়ে মজা করে পরিস্থিতিকে হালকা করে দিচ্ছেন। ম্যাচের আগে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সবার সঙ্গেই কথা বলেন। তিনি সব খেলোয়াড়কে আলাদাভাবে ম্যাচের আগে উজ্জীবিত করেন।’
অধিনায়ক ঋষভ পন্তকে নিয়েও আছে সাকারিয়ার মুগ্ধতা। জানালেন দলের ভালো-মন্দ সবদিকেই খেয়াল পন্তের, ‘ঋষভ ভাই খুবই ঠান্ডা মানুষ। সব চাপ-দায়িত্ব একাই কাঁধে নিয়ে নেন। চাপের সময় পুরো দলের ভার তিনি একাই বয়ে বেড়ান। দলের যখন কেউ ভালো করে তিনি সেই খেলোয়াড়ের খুব প্রশংসা করেন। আর কেউ খারাপ করলে সবার আগে তিনিই হাত তুলে বলেন সব দোষ তার। দলকে ঝামেলায় পড়তে দেন না।’

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৪ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে