এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রথম সেঞ্চুরি করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন হ্যারি ব্রুক। ইংলিশ এই ব্যাটারের প্রশংসায় সরব হয়ে উঠেছে সামাজিক মাধ্যম। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে ব্রুক এখন ‘কলকাতার রসগোল্লা’।
ইডেন গার্ডেনসে গতকাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রতিপক্ষ ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন ব্রুক। ৫৫ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ইংলিশ এই ব্যাটার। দুর্দান্ত এই সেঞ্চুরি করার পর হায়দরাবাদ তাকে নিয়ে একটি ভিডিও বানিয়েছে। ভিডিওতে ছিলেন ব্রুক আর ছিল এক হাঁড়ি রসগোল্লা। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছিল ভারতীয় বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় গান ‘আমি কলকাতার রসগোল্লা’। হায়দরাবাদ ক্যাপশন দিয়েছে, ‘আমরা যা খেলি: ক্রিকেট বল আর হ্যারি যা দেখেন: রসগোল্লা।’
ব্রুকের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ২২৮ রান করে হায়দরাবাদ। রান তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেটে ২০৫ রান করে কলকাতা। হায়দরাবাদের ২৩ রানের জয়ে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন ব্রুক।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে