ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কারণে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টি-টোয়েন্টির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ভারতের এই টুর্নামেন্টের সাফল্যে বাকি দেশগুলোও ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটি আয়োজন করছে।
ফলে এ সংস্করণের জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। তবে সাদা বলের অন্য সংস্করণটি পড়েছে ঝুঁকির মুখে। সারা বিশ্বে ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সংস্করণটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। তাঁরা ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে নিজেদের মতো করে মত দিয়েছেন। এবার এই আলোচনায় যোগ দিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি রবি শাস্ত্রী। তিনি ওয়ানডেকে বিলুপ্ত না করে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ কমিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দৈনিক আনন্দবাজারকে।
বেন স্টোকসের অবসরের পরেই ওয়ানডের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা চলছে। ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক জানিয়েছেন, আইসিসির ঠাসা সূচির জন্য তিনি সব সংস্করণ চালিয়ে যেতে পারছেন না। তাই চাপ কমাতে ওয়ানডে থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর অবসরের সুর ধরে ক্রিকেটের অনেকেই সংস্করণটিকে বিলুপ্তির কথা বলেছেন। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রী ভিন্ন মত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘না, না (বিলুপ্তি) ভুলে গেলে চলবে না পঞ্চাশ ওভারের ওয়ানডে চ্যাম্পিয়নকেই কিন্তু এখনো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বলা হয়। তাই বিশ্বকাপ রাখতেই হবে। আর বিশ্বকাপ রাখতে গেলে পুরোপুরি ওয়ানডে সংস্করণ তুলে দেওয়া সম্ভব কী ভাবে?’
শাস্ত্রী ওয়ানডে সংস্করণকে বাঁচাতে নতুন এক পথের কথা বলেছেন। তাঁর মতে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর জনপ্রিয়তার কারণে দর্শকেরা আর দ্বিপক্ষীয় সিরিজ দেখতে চান না। আর দেখলেও এসব সিরিজ মনে রাখেন না। এ জন্য ভারতের সাবেক কোচ বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ রাখেন। ৫০ ও ২০ ওভারের দুটো বিশ্বকাপই থাকুক। বরং দ্বিপক্ষীয় সিরিজ কমিয়ে দেওয়া হোক। আমি সাত বছর ধরেই এটা বলে চলেছি।’
শাস্ত্রী ভারতীয় দলের কোচের পদ হারানোর পর স্কাই স্পোর্টসের হয়ে ধারাভাষ্যকারের কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজে ধারাবিবরণী দিচ্ছেন।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১৯ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে