ক্রীড়া ডেস্ক

এশিয়া কাপে ব্যর্থতার দায় নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস। ফাইনালে উঠতে না পারায় ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে আশার কথাও শুনিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তান ও হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোরে পা রাখে বাংলাদেশ। শেষ চারের শুরুটাও দারুণ হয়েছিল তাদের। প্রথম ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে হারায় ফিল সিমন্সের দল। এরপর ভারতের কাছে হারলেও ফাইনালের আশা টিকে ছিল। এজন্য শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে হতো বাংলাদেশের।
দুবাইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই অলিখিত সেমিফাইনালে নিজেদের কাজটা খুব ভালোভাবেই করেছিলের বোলাররা। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেনদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৩৫ রানেই পাকিস্তানকে আটকে রাখে বাংলাদেশ। কিন্তু জবাব দিতে নেমে হতাশ করেন ব্যাটাররা। তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহান কিংবা জাকের আলী—সবাই দেন ব্যর্থতার পরিচয়। তাই ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশ। ১১ রানের জয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট হাতে পায় পাকিস্তান।
সুযোগ থাকার পরও বাংলাদেশ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠতে না পারায় অনুমিতভাবেই ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন ভক্তরা। কষ্ট পেয়েছেন লিটন নিজেও। বিশেষ করে চোটের কারণে শেষ দুটি ম্যাচে দলের বাইরে থাকার বিষয়টি নিয়ে এখনো মন খারাপ হচ্ছে তার।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বার্তায় লিটন লিখেছেন, ‘২০২৫ সালের এশিয়া কাপে আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েছিলাম। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল ফাইনালে ওঠা এবং জয়লাভ করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা তা করতে পারিনি। একটি দল হিসেবে, আমরা বাংলাদেশের সব উৎসাহী সমর্থকের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’
গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচে না খেলার বিষয়টি সহজে ভুলতে পারবেন না লিটন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে আঘাতের কারণে শেষ দুটি ম্যাচে অনুপস্থিত থাকা আমার কাছে হৃদয়বিদারক ছিল। একই কারণে আমি আসন্ন আফগানিস্তান সিরিজেও অংশ নিতে পারব না। আমি সুস্থ হওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। এটা আমাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কষ্ট দেবে।’
সমর্থনের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি লিটন, ‘টুর্নামেন্ট-জুড়ে অপ্রতিরোধ্য সমর্থনের জন্য আপনাদের প্রত্যেককে অনেক ধন্যবাদ। ক্রীড়াবিদ হিসেবে, বিশ্বের সেরা সমর্থক পেয়ে আমরা সত্যিই ভাগ্যবান। আশা করি, আমরা খুব শিগগিরই আপনাদের প্রাপ্যটা ফিরিয়ে দিতে পারব।’

এশিয়া কাপে ব্যর্থতার দায় নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস। ফাইনালে উঠতে না পারায় ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে আশার কথাও শুনিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তান ও হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোরে পা রাখে বাংলাদেশ। শেষ চারের শুরুটাও দারুণ হয়েছিল তাদের। প্রথম ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে হারায় ফিল সিমন্সের দল। এরপর ভারতের কাছে হারলেও ফাইনালের আশা টিকে ছিল। এজন্য শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে হতো বাংলাদেশের।
দুবাইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই অলিখিত সেমিফাইনালে নিজেদের কাজটা খুব ভালোভাবেই করেছিলের বোলাররা। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেনদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৩৫ রানেই পাকিস্তানকে আটকে রাখে বাংলাদেশ। কিন্তু জবাব দিতে নেমে হতাশ করেন ব্যাটাররা। তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহান কিংবা জাকের আলী—সবাই দেন ব্যর্থতার পরিচয়। তাই ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশ। ১১ রানের জয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট হাতে পায় পাকিস্তান।
সুযোগ থাকার পরও বাংলাদেশ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠতে না পারায় অনুমিতভাবেই ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন ভক্তরা। কষ্ট পেয়েছেন লিটন নিজেও। বিশেষ করে চোটের কারণে শেষ দুটি ম্যাচে দলের বাইরে থাকার বিষয়টি নিয়ে এখনো মন খারাপ হচ্ছে তার।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বার্তায় লিটন লিখেছেন, ‘২০২৫ সালের এশিয়া কাপে আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েছিলাম। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল ফাইনালে ওঠা এবং জয়লাভ করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা তা করতে পারিনি। একটি দল হিসেবে, আমরা বাংলাদেশের সব উৎসাহী সমর্থকের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’
গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচে না খেলার বিষয়টি সহজে ভুলতে পারবেন না লিটন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে আঘাতের কারণে শেষ দুটি ম্যাচে অনুপস্থিত থাকা আমার কাছে হৃদয়বিদারক ছিল। একই কারণে আমি আসন্ন আফগানিস্তান সিরিজেও অংশ নিতে পারব না। আমি সুস্থ হওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। এটা আমাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কষ্ট দেবে।’
সমর্থনের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি লিটন, ‘টুর্নামেন্ট-জুড়ে অপ্রতিরোধ্য সমর্থনের জন্য আপনাদের প্রত্যেককে অনেক ধন্যবাদ। ক্রীড়াবিদ হিসেবে, বিশ্বের সেরা সমর্থক পেয়ে আমরা সত্যিই ভাগ্যবান। আশা করি, আমরা খুব শিগগিরই আপনাদের প্রাপ্যটা ফিরিয়ে দিতে পারব।’

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য ম্যাচটা ছিল বাঁচা মরার। প্লে অফের দৌঁড়ে টিকে থাকার জন্য চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে আজ জেতার বিকল্প ছিল না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সামনে। জয়ের সমীকরণ মেলাতে পারেনি নোয়াখালী। চট্টগ্রামের কাছে ৫ উইকেটে হেরে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিল হায়দার আলীর
৪৩ মিনিট আগে
বিপিএলে হুট করে অধিনায়ক পরিবর্তনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। এবারের বিপিএলে দুই ম্যাচের পরই নোয়াখালী এক্সপ্রেস বদলে ফেলে অধিনায়ক। সৈকত আলীর পরিবর্তে হায়দার আলীর কাঁধে নেতৃত্বভার তুলে দেয় নোয়াখালী। আর রংপুর রাইডার্স কি না অধিনায়ক পরিবর্তন করল শেষভাগে এসে।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো দূর হয়নি। নিরাপত্তাইস্যুতে ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়েছে, সেই সিদ্ধান্তে এখনো অনড়। এবার ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলতে ঢাকায় আইসিসির প্রতিনিধি দল আসতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্দান্ত ছন্দে আছেন শরীফুল ইসলাম। আজ দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল টুর্নামেন্টে নিজের সেরা বোলিং করলেন এই বাঁ হাতি পেসার। ঢাকা পর্বের প্রথম ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে বল হাতে পুরো আলোটাই নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে