প্রিয় তারকার সান্নিধ্য পেতে কে না চায়! টাকার বিনিময়ে সে সান্নিধ্যের পাশাপাশি নৈশভোজেরও সুযোগ সমর্থকদের করে দিয়েছিল পাকিস্তান দল। ২৫ ডলারের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী পাকিস্তানিদের এমন একটি ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ ডিনারের সুযোগ করে দেয় পাকিস্তান দল।
সঙ্গে প্রিয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে সেলফি তোলার বিষয়টি তো ছিলোই। টাকার বিনিময়ে এমনটা করায় এবার সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান দল। দলটির সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ তো রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন দলকে, ‘অফিশিয়াল ডিনারের কথা শুনেছি। কিন্তু এটা ছিল প্রাইভেট ডিনার। কে করেছে এটা! খুবই বাজে কাজ হয়েছে। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে ২৫ ডলার থাকলেই আমাদের খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা করা যাবে! খোদা না করুক, যদি বাজে কিছু হয়ে যায়, তখন সবাই বলবে ছেলেরা শুধু টাকা কামানোটাই বোঝে!’পাকিস্তান দলের সঙ্গে এমন বিতর্ক অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগেও বহুবার দলটি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে শিরোনাম হয়েছেন। বাবর আজম-শাহিন শাহ আফ্রিদিদের তাই নৈশভোজ নিয়ে সুপরামর্শ দিয়েছেন লতিফ। তিনি বলেছেন, ‘২-৩টি নৈশভোজে তোমরা অংশ নিতেই পারো। তবে বাণিজ্যিক স্বার্থ নেই এমন নৈশভোজে। তোমরা দাতব্য (সংস্থার) এবং তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজে যেতে পারো। কিন্তু এই নৈশভোজ না তো ছিল তহবিল সংগ্রহের কিংবা দাতব্যকাজের। পাকিস্তান ও পাকিস্তান ক্রিকেটের নাম জড়িয়ে আছে এটি এমন একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান। এমন ভুল আর কোরো না।’

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৬ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে