
যুক্তরাষ্ট্রের মতো ‘পুঁচকে’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারবে সেটি হয়তো কেউ কল্পনাও করেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এমন বিশাল ধাক্কা দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে সবাইকে। তবে কী আরেকটি ভুলে যাওয়ার মতো বিশ্বকাপ কাটাতে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা? সেই প্রশ্নই আসছে ঘুরেফিরে। বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরে নাজমুল হোসেন শান্তদের পারফরম্যান্স হতাশাজনক।
বিশ্বকাপ দলের বাইরে থাকা ২১ ক্রিকেটার নিয়ে আজ বাংলাদেশ টাইগার্সের দল দিয়েছে বিসিবি। এ নিয়ে মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন লিপু। সেখানেই যুক্তরাষ্ট্রে নাজমুল হোসেন শান্তদের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ অভিযান এখনো শুরুই হয়নি। একটা সিরিজ খেলছি। বিশ্বকাপের আলোকেই দল ঘোষণা করেছি। বিস্তর চিন্তাভাবনা করেই দল দিয়েছি। আকাঙ্ক্ষিত ফর্মে সবাই নেই, এটা দুঃখজনক। কাঙ্ক্ষিত ফলাফলও করতে পারছি না। হতাশাজনকই বলব, দুটি ম্যাচেই জেতার মতো অবস্থায় ছিলাম।’
লম্বা সময় ধরে ফর্মে নেই টপ অর্ডাররা। সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তা তো আছেই, বিশ্বকাপে ভালো করতে দলীয় পারফরম্যান্সে উন্নতি করতে হবে মনে করেন লিপু, ‘ওপরের ব্যাটাররা রান পাচ্ছে না সত্য। দ্বিতীয় ম্যাচে যদি তাকান, অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও জয়ের প্রান্তে নিয়ে যেতে পারেনি। দলগতভাবে উন্নতি করতে হবে।’
টপ অর্ডারদের মধ্যে লিটন দাসের ব্যাটে রান নেই অনেক দিন। তাঁকে বিশ্বকাপ দলে রাখা নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সফরেও প্রথম ম্যাচে রান পাননি তিনি। বাদ পড়েন দ্বিতীয় ম্যাচে। এই কারণে লিটনের বিকল্পও ভেবে রেখেছে বিসিবি। সেই বিকল্প—এনামুল হক বিজয়। এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারও আছেন বাংলাদেশ টাইগার্স দলে। লিটনের বিকল্প হিসেবে বিজয়কে নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন বলেছেন লিপু, ‘লাল বল ও সাদা বলের জন্য কিছু ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছি (বাংলাদেশ টাইগার্স)। বিশেষ করে সাদা বলের ওরা বিশ্বকাপের স্ট্যান্ডবাই। ওপরের দিকে বিজয়কে রাখা হয়েছে যদি লিটনের কোনো ক্রাইসিস হয়। সোহানকে রাখা হয়েছে যদি জাকেরের সমস্যা হয়। সাইফউদ্দিনকেও রাখা হয়েছিল। খালেদ আছে, সাইফউদ্দিন ১০ তারিখের পর আসবে। ইমন আছে। নাসুম আছে, মিরাজ আছে। নাসুমের কাছ থেকেও চিঠি পেয়েছি, ঢাকায় চার-পাঁচ দিন থাকতে পারবে না। সে জন্ডিসে আক্রান্ত ছিল। মেডিকেল টিম মনে করেন, সামনে মাসের শুরুতেই সে সিলেটের সেশনে জয়েন করবে।’
আজ রাতে হিউস্টনের প্রেইরি ভিউতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে হারলেও হোয়াইটওয়াশ হবেন শান্তরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যেখানে অভিজ্ঞ বাংলাদেশের হেসেখেলে সিরিজ জেতার কথা, সেখানে এখন সিরিজ হারের শঙ্কা—এই সিরিজে কী তবে আগে থেকে চাপে ছিলেন শান্তরা? লিপু জানিয়েছেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রথম ম্যাচে হারের পর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘চাপ কাজ করেছে, চাপ ছিল না বলব না। প্রথম ম্যাচে কেউ কি ভেবেছিলেন ৪ ওভারে ৫৫-৬০ রান ডিফেন্ড করতে পারবে না? প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং অর্ডার ব্যর্থ ছিল। রিয়াদ-হৃদয় ছাড়া কেউ রান করতে পারেনি, এ কারণে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। ভিন্ন পরিবেশ, ভিন্ন জায়গা। ২ দিন টর্নেডোর কারণে প্র্যাকটিসও করতে পারেনি। এখান থেকেই কিছু ব্যাটার ফর্মের বাইরে। চাপ তৈরি হয়েই যায়।’
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে হারের পর পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ না পাওয়াকে দায় দিয়েছিলেন সাকিব। লিপুর কণ্ঠেও সেই একই সুর, ‘প্র্যাকটিসও তো আমরা করতে পারিনি। আপনি জানেন ওখানে একটা টর্নেডো হয়েছিল। মাঠ প্রস্তুত ছিল না, যে কয়টা দিন হাতে সময় ছিল সে জায়গায় ঘাটতি হয়েছে। এর বেশি কিছু না।’
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে পারফরম্যান্স যেমনই হোক বা প্রস্তুতি ম্যাচে—প্রধান নির্বাচক মনে করেন, বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে তাদের আস্থার জায়গা ফিরে পাবে। এ নিয়ে আশাবাদী লিপু, ‘আমরা সময় পাব। প্রস্তুতি ম্যাচও খেলব। প্রত্যেক খেলোয়াড়, দল, দেশ, মানুষ আশা রাখছে দল যেন ভালো করে। এই প্রত্যাশা থাকবে। অনেকেই সাংঘাতিকভাবে হতাশ। পারফরম্যান্সও করেছে হতাশাজনক। আমার বিশ্বাস, যে কয়দিন ট্রেনিংয়ের সুযোগ পাবো, সঙ্গে দুটি ওয়ার্ম আপ ম্যাচ, সেখানে এ উইকেটে খেলার সুযোগ পাব। আমার বিশ্বাস, তারা আস্থার জায়গা ফিরে পাবে। ফর্ম যথেষ্ট ভালো নাও হতে পারে তবে আস্থার জায়গা অর্জন করতে পারবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মতো ‘পুঁচকে’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারবে সেটি হয়তো কেউ কল্পনাও করেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এমন বিশাল ধাক্কা দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে সবাইকে। তবে কী আরেকটি ভুলে যাওয়ার মতো বিশ্বকাপ কাটাতে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা? সেই প্রশ্নই আসছে ঘুরেফিরে। বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরে নাজমুল হোসেন শান্তদের পারফরম্যান্স হতাশাজনক।
বিশ্বকাপ দলের বাইরে থাকা ২১ ক্রিকেটার নিয়ে আজ বাংলাদেশ টাইগার্সের দল দিয়েছে বিসিবি। এ নিয়ে মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন লিপু। সেখানেই যুক্তরাষ্ট্রে নাজমুল হোসেন শান্তদের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ অভিযান এখনো শুরুই হয়নি। একটা সিরিজ খেলছি। বিশ্বকাপের আলোকেই দল ঘোষণা করেছি। বিস্তর চিন্তাভাবনা করেই দল দিয়েছি। আকাঙ্ক্ষিত ফর্মে সবাই নেই, এটা দুঃখজনক। কাঙ্ক্ষিত ফলাফলও করতে পারছি না। হতাশাজনকই বলব, দুটি ম্যাচেই জেতার মতো অবস্থায় ছিলাম।’
লম্বা সময় ধরে ফর্মে নেই টপ অর্ডাররা। সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তা তো আছেই, বিশ্বকাপে ভালো করতে দলীয় পারফরম্যান্সে উন্নতি করতে হবে মনে করেন লিপু, ‘ওপরের ব্যাটাররা রান পাচ্ছে না সত্য। দ্বিতীয় ম্যাচে যদি তাকান, অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও জয়ের প্রান্তে নিয়ে যেতে পারেনি। দলগতভাবে উন্নতি করতে হবে।’
টপ অর্ডারদের মধ্যে লিটন দাসের ব্যাটে রান নেই অনেক দিন। তাঁকে বিশ্বকাপ দলে রাখা নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সফরেও প্রথম ম্যাচে রান পাননি তিনি। বাদ পড়েন দ্বিতীয় ম্যাচে। এই কারণে লিটনের বিকল্পও ভেবে রেখেছে বিসিবি। সেই বিকল্প—এনামুল হক বিজয়। এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারও আছেন বাংলাদেশ টাইগার্স দলে। লিটনের বিকল্প হিসেবে বিজয়কে নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন বলেছেন লিপু, ‘লাল বল ও সাদা বলের জন্য কিছু ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছি (বাংলাদেশ টাইগার্স)। বিশেষ করে সাদা বলের ওরা বিশ্বকাপের স্ট্যান্ডবাই। ওপরের দিকে বিজয়কে রাখা হয়েছে যদি লিটনের কোনো ক্রাইসিস হয়। সোহানকে রাখা হয়েছে যদি জাকেরের সমস্যা হয়। সাইফউদ্দিনকেও রাখা হয়েছিল। খালেদ আছে, সাইফউদ্দিন ১০ তারিখের পর আসবে। ইমন আছে। নাসুম আছে, মিরাজ আছে। নাসুমের কাছ থেকেও চিঠি পেয়েছি, ঢাকায় চার-পাঁচ দিন থাকতে পারবে না। সে জন্ডিসে আক্রান্ত ছিল। মেডিকেল টিম মনে করেন, সামনে মাসের শুরুতেই সে সিলেটের সেশনে জয়েন করবে।’
আজ রাতে হিউস্টনের প্রেইরি ভিউতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে হারলেও হোয়াইটওয়াশ হবেন শান্তরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যেখানে অভিজ্ঞ বাংলাদেশের হেসেখেলে সিরিজ জেতার কথা, সেখানে এখন সিরিজ হারের শঙ্কা—এই সিরিজে কী তবে আগে থেকে চাপে ছিলেন শান্তরা? লিপু জানিয়েছেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রথম ম্যাচে হারের পর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘চাপ কাজ করেছে, চাপ ছিল না বলব না। প্রথম ম্যাচে কেউ কি ভেবেছিলেন ৪ ওভারে ৫৫-৬০ রান ডিফেন্ড করতে পারবে না? প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং অর্ডার ব্যর্থ ছিল। রিয়াদ-হৃদয় ছাড়া কেউ রান করতে পারেনি, এ কারণে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। ভিন্ন পরিবেশ, ভিন্ন জায়গা। ২ দিন টর্নেডোর কারণে প্র্যাকটিসও করতে পারেনি। এখান থেকেই কিছু ব্যাটার ফর্মের বাইরে। চাপ তৈরি হয়েই যায়।’
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে হারের পর পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ না পাওয়াকে দায় দিয়েছিলেন সাকিব। লিপুর কণ্ঠেও সেই একই সুর, ‘প্র্যাকটিসও তো আমরা করতে পারিনি। আপনি জানেন ওখানে একটা টর্নেডো হয়েছিল। মাঠ প্রস্তুত ছিল না, যে কয়টা দিন হাতে সময় ছিল সে জায়গায় ঘাটতি হয়েছে। এর বেশি কিছু না।’
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে পারফরম্যান্স যেমনই হোক বা প্রস্তুতি ম্যাচে—প্রধান নির্বাচক মনে করেন, বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে তাদের আস্থার জায়গা ফিরে পাবে। এ নিয়ে আশাবাদী লিপু, ‘আমরা সময় পাব। প্রস্তুতি ম্যাচও খেলব। প্রত্যেক খেলোয়াড়, দল, দেশ, মানুষ আশা রাখছে দল যেন ভালো করে। এই প্রত্যাশা থাকবে। অনেকেই সাংঘাতিকভাবে হতাশ। পারফরম্যান্সও করেছে হতাশাজনক। আমার বিশ্বাস, যে কয়দিন ট্রেনিংয়ের সুযোগ পাবো, সঙ্গে দুটি ওয়ার্ম আপ ম্যাচ, সেখানে এ উইকেটে খেলার সুযোগ পাব। আমার বিশ্বাস, তারা আস্থার জায়গা ফিরে পাবে। ফর্ম যথেষ্ট ভালো নাও হতে পারে তবে আস্থার জায়গা অর্জন করতে পারবে।’

২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
৩ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটি ঘুরে আগামীকাল বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনালী এই ট্রফি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় অবতরণ করবে। দুপুরে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে রাখা হবে প্রদর্শনের জন্য।
৬ ঘণ্টা আগে