নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে

উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক। টসও জিতলেন মুমিনুল হক। সবকিছু পক্ষেই ছিল। কিন্তু চেনা উইকেটেও অচেনা বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং নিয়ে যথারীতি ধুঁকছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান তোলে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ।
বহুদিন ধরে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে টপ অর্ডারের ধারাবাহিক ব্যর্থতা। টেস্টের শুরুতেও বাংলাদেশ কাঁপল সেই টপ অর্ডারে। ১৭ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ‘নেই’ হয়ে যান সাইফ হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। টি-টোয়েন্টিতে ব্যর্থতার পরও সাইফের ওপর ভরসা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। দুর্দান্ত তিন বাউন্ডারিতে দারুণ কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন এই ওপেনার। খেলছিলেন টি-টোয়েন্টি মেজাজেই। শাহিন শাহ আফ্রিদির ‘আনপ্লেবল’ এক ডেলিভারিতে শেষ সাইফের সব প্রতিরোধ।
এরপর শান্তকে নিয়ে সাদমান চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন ইনিংস টেনে নেওয়ার। দলীয় ৩৩ রানে হাসান আলীর বলে সাদমান এলবিডব্লিউ হলে আবারও বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর সবাই হয়তো তাকিয়ে ছিলেন অধিনায়ক মুমিনুলের ব্যাটের দিকে। কিন্তু নিজের পয়া ভেন্যুতেও ‘ফেল’ মুমিনুল। অধিনায়কের বিদায়ের পর দলীয় ৪৯ রানে শান্তও ফিরে গেলে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটারই আউট হয়েছেন ১৪ রান করে। মুমিনুল থেমেছেন ৬ রানে।
দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশকে পথ দেখাচ্ছে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ব্যাট। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে পঞ্চম উইকেটে দুজনের ৬৯ বলে ২০ রানের জুটি হয়ে গেছে। অবশ্য কাজটা আরও কঠিন দুজনের জন্য। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে বড় কিছু করতে হলে এই দুজনকেই যে নিতে হবে দায়িত্ব।

উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক। টসও জিতলেন মুমিনুল হক। সবকিছু পক্ষেই ছিল। কিন্তু চেনা উইকেটেও অচেনা বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং নিয়ে যথারীতি ধুঁকছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান তোলে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ।
বহুদিন ধরে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে টপ অর্ডারের ধারাবাহিক ব্যর্থতা। টেস্টের শুরুতেও বাংলাদেশ কাঁপল সেই টপ অর্ডারে। ১৭ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ‘নেই’ হয়ে যান সাইফ হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। টি-টোয়েন্টিতে ব্যর্থতার পরও সাইফের ওপর ভরসা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। দুর্দান্ত তিন বাউন্ডারিতে দারুণ কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন এই ওপেনার। খেলছিলেন টি-টোয়েন্টি মেজাজেই। শাহিন শাহ আফ্রিদির ‘আনপ্লেবল’ এক ডেলিভারিতে শেষ সাইফের সব প্রতিরোধ।
এরপর শান্তকে নিয়ে সাদমান চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন ইনিংস টেনে নেওয়ার। দলীয় ৩৩ রানে হাসান আলীর বলে সাদমান এলবিডব্লিউ হলে আবারও বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর সবাই হয়তো তাকিয়ে ছিলেন অধিনায়ক মুমিনুলের ব্যাটের দিকে। কিন্তু নিজের পয়া ভেন্যুতেও ‘ফেল’ মুমিনুল। অধিনায়কের বিদায়ের পর দলীয় ৪৯ রানে শান্তও ফিরে গেলে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটারই আউট হয়েছেন ১৪ রান করে। মুমিনুল থেমেছেন ৬ রানে।
দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশকে পথ দেখাচ্ছে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ব্যাট। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে পঞ্চম উইকেটে দুজনের ৬৯ বলে ২০ রানের জুটি হয়ে গেছে। অবশ্য কাজটা আরও কঠিন দুজনের জন্য। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে বড় কিছু করতে হলে এই দুজনকেই যে নিতে হবে দায়িত্ব।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নামের পাশে যুক্ত হতে পারত আরও একটি গোল। ১০০০ গোলের যে মিশনে তিনি নেমেছেন, তাতে এগিয়ে যেতে পারতেন আরও এক ধাপ। আল শাবাবের রক্ষণভাগে তিনি পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলটা তিনি করতে পারেননি।
১১ মিনিট আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। ইন্দোরে আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ২টায় শুরু হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে। আজ শেষ হবে বিপিএলের লিগ পর্ব। মিরপুরে বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায় শুরু হবে রংপুর রাইডার্স-নোয়াখালী এক্সপ্রেস ম্যাচ।
৩৭ মিনিট আগে
বিপিএলের শেষভাগে এসে বিদেশি ক্রিকেটার উড়িয়ে নিয়ে আসা একেবারে নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে প্লে-অফ পর্ব উতড়ে কীভাবে শিরোপা জেতা যায়, সেই লক্ষ্যে তারকা বিদেশি দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের বিপক্ষে গতকাল বুলাওয়েতে জয়ের দারুণ সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে ৭০ বলে ৭৫ রানের সমীকরণ মেলানো তেমন একটা কঠিন কাজ নয়। কিন্তু ক্রিকেটকে কেন গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা বলা হয়, সেটা আরও একবার প্রমাণ হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে