
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন বিরাট কোহলি। গত সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পর আরসিবির হয়ে অধিনায়কত্ব অধ্যায়ের ইতি ঘটেছে তাঁর। কোহলি বেঙ্গালুরুর অধিনায়কত্ব ছাড়ায় আইপিএলের আম্পায়াররা শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন মনে করেন তাঁর আরসিবি সতীর্থ প্রোটিয়া ব্যাটার এ বি ডি ভিলিয়ার্স।
২২ গজে কোহলি সব সময় এক ‘আক্রমণাত্মক’ চরিত্র। প্রায়ই আম্পায়ারদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ার দৃশ্যও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে একাধিকবার। আইপিএলে আরসিবির অধিনায়কত্ব ছাড়ায় আম্পায়ারদের সঙ্গে কোহলির তর্কে জড়ানোর সম্ভাবনা এখন কমেছে। ডি ভিলিয়ার্স তাই মজা করে বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, কোহলি অধিনায়কত্ব ছাড়ায় বেশ কয়েকজন আম্পায়ার শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন! তাদের কথা ভেবে আমি খুশি।’
গত সোমবারে কলকাতার বিপক্ষে এলিমিনেটর ম্যাচে হেরে আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ার পর নিজেদের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করে বেঙ্গালুরু দল। সেখানে কোহলির অধিনায়কত্বের এই সময়টা উদযাপন করতে গিয়ে ডি ভিলিয়ার্স মজা করে এমন মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে কোহলিকে জানিয়েছেন শুভকামনাও, ‘অধিনায়কত্বের দারুণ ক্যারিয়ারের জন্য কোহলি তোমাকে অভিনন্দন। তুমি এখন আরও স্বাধীনভাবে খেলবে এবং আরসিবি ও ভারতের হয়ে অনেক ট্রফি জিতবে, যেটা দেখতে আমার খুব ভালো লাগবে। ভালো থেকো আমার বন্ধু, আমার অধিনায়ক।’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৫ ঘণ্টা আগে