
সংসদ নির্বাচনের আগেই নতুন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করার চিন্তা করছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আজ এসেছে। ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ ২০২৬’ নামের এই টুর্নামেন্টে তিনটি দলে ভাগ হয়ে খেলবেন দেশের সেরা খেলোয়াড়েরাই। টুর্নামেন্টে প্রাইজমানি ও ফি মিলিয়ে আড়াই কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার থাকছে।
অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে বিসিবি রাখছে ‘ইম্প্যাক্ট খেলোয়াড়’ পদ্ধতি, যেখানে কৌশলগত জায়গায় নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তিনটি দলের মধ্যে ধূমকেতু একাদশের নেতৃত্বে থাকছেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস, দুর্বার একাদশের নেতৃত্বে থাকছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও দুরন্ত একাদশের অধিনায়ক আকবর আলী।
ধূমকেতু একাদশের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তাঁর সহকারী কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। দুর্বার একাদশের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুল, সহকারী কোচের তুষার ইমরান। দুরন্ত একাদশের প্রধান কোচ হান্নান সরকার, সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করবেন রাজিন সালেহ।
ম্যাচ হবে ৫,৬ এবং ৭ ফেব্রুয়ারি। ফাইনাল হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। খেলা শুরু বিকেল ৪টায়। ম্যাচের ফাঁকে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। টুর্নামেন্টটি অবশ্য দর্শকেরা বিনা পয়সায় দেখতে পাবেন না। দেখতে হবে টিকিট কেটে।
টিকিটের মূল্য:
পূর্ব গ্যালারি – ১০০ টাকা
উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারি– ২০০ টাকা
ক্লাব হাউস – ৫০০ টাকা
গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড – ১,০০০ টাকা

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৫ ঘণ্টা আগে