পাকিস্তানে বাঁহাতি কোনো পেসার উঠে এলেই তাঁকে তুলনা করা হয় ওয়াসিম আকরামের সঙ্গে। সর্বকালের অন্যতম সেরা পেসার ওয়াসিমের ধারেকাছেও অবশ্য এখন পর্যন্ত কেউ ঘেঁষতে পারেননি। মোহাম্মদ আমিরসহ একাধিক তারকা উঠে এলেও ক্যারিয়ার লম্বা করতে পারেননি কেউই। এবার ওয়াসিমের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে তরুণ ফাস্ট বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদিকে।
বিশ্বকাপে নজরকাড়া এই ফাস্ট বোলার বলেছেন, তিনি ওয়াসিমের মতো হওয়ার চেষ্টা করে যাবেন। গতকাল ঢাকা টেস্টের আগে ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসিম আকরামের রেকর্ড ভাঙা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় শাহিনকে। জবাবে এই ফাস্ট বোলার বলেন, ‘আমার সব সময়ই শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা থাকে। উইকেট নেওয়া বা না নেওয়া একদমই আমার হাতে নেই। আমি শুধু দলের জন্য চেষ্টাই করতে পারি। আগ্রাসী বোলিং করে দলকে জেতাতে চেষ্টা করতে পারি। শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করতে পারি। বাকিটা আল্লাহর হাতে।’
বাংলাদেশের উইকেট বরাবর স্পিন সহায়ক। এ ধরনের উইকেটে পেসারদের ভালো করতে হলে কী করতে হবে জানতে চাইলে শাহিন বলেন, ‘এশিয়ার সব উইকেটই আসলে কম-বেশি ধীরগতির। লোকে বলে যে স্পিনারদের সহায়তা বেশি মেলে। তবে শক্তপোক্ত হলে এবং গায়ে জোর থাকলে এখানেও কার্যকর হওয়া যায়।’
হাসান আলীর সঙ্গে জুটি গড়ে দারুণ সাফল্য পাচ্ছেন শাহিন। দুজনের মাঝে সমন্বয় নিয়ে এই পেসার বলেন, ‘হাসানেরও এখানে কৃতিত্ব আছে। হাসানের সঙ্গে যখনই আমি বোলিং করি, আমরা নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নিই যে, কে কখন আক্রমণ করবে, কে রান আটকে রাখবে।’

নকআউট পর্ব শুরুর আগেই ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে এক কীর্তির অংশ হয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছেন চার গোল নিয়ে। এর মাধ্যমে তিনি ছুঁয়েছেন রোনালদো, নেইমার ও জর্জিনহোর গড়া একটি বিরল রেকর্ড।
১ ঘণ্টা আগে
নকআউট পর্বের প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ভিনিসিয়ুস, ‘প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। যে দলই সামনে আসুক না কেন, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে 'সি' গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ৩ ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করল তারা। এই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে মরক্কো। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নকআউট পর্বে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ ঘণ্টা আগে
এরপর ৮৯ মিনিটে রাহিমির অ্যাসিস্ট থেকে আরেক বদলি ফুটবলার ইয়াসিন ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিলে মরক্কোর জয় নিশ্চিত হয়। শেষ দিকে সুফিয়ান আমরাবাত চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হাইতির আক্রমণভাগকে সফলভাবে রুখে দেয় মরক্কোর রক্ষণ। এই রোমাঞ্চকর জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশের টিকিট
২ ঘণ্টা আগে