
পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভারত সফরে গেছে বাংলাদেশ দল। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে চেন্নাইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টে বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের বিপক্ষে মাঠ নামবেন নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা।
টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দারুণ লড়াই দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে। ভারত সফরে যাওয়া বাংলাদেশের দলের প্রশংসা করে যুক্তি দিয়ে ভোগলে জানিয়েছেন, এটাই বাংলাদেশের সেরা টেস্ট স্কোয়াড।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাংলাদেশের স্কোয়াড নিয়ে অতীত ও বর্তমান মিলিয়ে ভোগলের বিশ্লেষণ, ‘তারা (বাংলাদেশ) ভারতের বিপক্ষে ১৩টি টেস্ট খেলেছে, বৃষ্টির কারণে দুটি ড্র ছাড়া সব হেরেছে। একটা টেস্টে জেতার খুব কাছে গিয়েছিল। সেটা সর্বশেষ যে ম্যাচ ছিল ঢাকায়। ২০১৯ সালে সফরে এসে তারা যে দুই টেস্ট খেলল, তাদের কাছ থেকে কোনো লড়াইয়ের তাড়না পাইনি। কিন্তু এবার তাও বাংলাদেশ দলটাকে নিয়ে কেন আমি এত আগ্রহী? কারণ আমি সত্যিই বিশ্বাস করি লম্বা সময় ধরে আমার দেখা এটাই তাদের সেরা দল।’
এবারের বাংলাদেশ দল কেন সেরা? এর দারুণ যুক্তি দিয়েছেন ভোগলে, ‘যেসব কারণে এই স্কোয়াড তাদের সেরা বলব, তা হচ্ছে এক নম্বরে তাদের এখন গতিময় পেসার আছে। নাহিদ রানা সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পেসার। সব সময় আমরা সত্যিকারের পেসের কথা বলি, যেটাতে কিছু না কিছু হয়, নাহিদের তা আছে। পাকিস্তানের খুব ভালো ব্যাটারদের সে ভুগিয়েছে। হাসান মাহমুদ আরেকজন যে বেশ কিছু উইকেট নিয়েছে। তাসকিন আহমেদের নিজেকে আরেকবার দেখানোর মঞ্চ, সে কেমন মানের বোলার। কাজেই তাদের তিনটা সত্যিকারের পেসার আছে।’
উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার হিসেবে মুশফিকুর রহিম-লিটন দাসের মতো অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটারকে নিয়ে বললেন, ‘এ ছাড়া বেশি যে দুই কারণে আমি তাদের উঁচুতে রাখছি, তা হচ্ছে তাদের দুজন লোক আছে যারা কিপিং করতে পারে এবং একই সঙ্গে দারুণ ব্যাটার (মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস)। একদম খাঁটি ব্যাটার হিসেবে একাদশে থাকতে পারে।’
দুই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও মেহেদী মিরাজ থাকায় দলের ভারসাম্যও দুর্দান্ত। ভোগলে বললেন, ‘দুজন প্রকৃত স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার আছে। সাকিব আল হাসান অবশ্যই। প্রতিটা সময়ে যে ভালো করছে, আমি যার কথা প্রায়ই বলি, সে হচ্ছে মেহেদী হাসান মিরাজ।’
সাকিব ও মুশফিক খেলা ছেড়ে দিলে মিডল অর্ডারে ভোগলের আস্থার লিটন ও মিরাজে, ‘আমার দেখে মনে হয়েছে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুজনেই আরও বড় ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। জানি না সাকিব আর কতদিন খেলবে, আমার মনে হয় সে শেষের দিকে আছে। একই কথা বলব মুশফিকের বেলায়। এই দুজনের একদম আদর্শ বিকল্প হবে মিরাজ ও লিটন। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে নিজেদের সামর্থ্যের থেকে এক ধাপ নিচে ব্যাট করছে সবাই। এটা ব্যাটিং গভীরতার খুব ভালো দিক। কিন্তু ওপরের দিক থেকে রান আসতে হবে। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের রান পেতে হবে।’
ভারত এগিয়ে থাকবে মনে করছেন ভোগলে। তবে বাংলাদেশের কাছ থেকে কিছুটা লড়াই আশা করছেন এই ক্রিকেট বিশ্লেষক, ‘ভারত অনেক এগিয়ে থেকে ফেবারিট হিসেবে শুরু করবে। আমি বাংলাদেশের কাছ থেকে কিছুটা লড়াই আশা করব। কারণ এটা আমি আগে দেখিনি। যদি তারা লড়াইটা করতে পারে তাহলে দারুণ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হতে যাচ্ছে।’

পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভারত সফরে গেছে বাংলাদেশ দল। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে চেন্নাইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টে বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের বিপক্ষে মাঠ নামবেন নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা।
টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দারুণ লড়াই দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে। ভারত সফরে যাওয়া বাংলাদেশের দলের প্রশংসা করে যুক্তি দিয়ে ভোগলে জানিয়েছেন, এটাই বাংলাদেশের সেরা টেস্ট স্কোয়াড।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাংলাদেশের স্কোয়াড নিয়ে অতীত ও বর্তমান মিলিয়ে ভোগলের বিশ্লেষণ, ‘তারা (বাংলাদেশ) ভারতের বিপক্ষে ১৩টি টেস্ট খেলেছে, বৃষ্টির কারণে দুটি ড্র ছাড়া সব হেরেছে। একটা টেস্টে জেতার খুব কাছে গিয়েছিল। সেটা সর্বশেষ যে ম্যাচ ছিল ঢাকায়। ২০১৯ সালে সফরে এসে তারা যে দুই টেস্ট খেলল, তাদের কাছ থেকে কোনো লড়াইয়ের তাড়না পাইনি। কিন্তু এবার তাও বাংলাদেশ দলটাকে নিয়ে কেন আমি এত আগ্রহী? কারণ আমি সত্যিই বিশ্বাস করি লম্বা সময় ধরে আমার দেখা এটাই তাদের সেরা দল।’
এবারের বাংলাদেশ দল কেন সেরা? এর দারুণ যুক্তি দিয়েছেন ভোগলে, ‘যেসব কারণে এই স্কোয়াড তাদের সেরা বলব, তা হচ্ছে এক নম্বরে তাদের এখন গতিময় পেসার আছে। নাহিদ রানা সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পেসার। সব সময় আমরা সত্যিকারের পেসের কথা বলি, যেটাতে কিছু না কিছু হয়, নাহিদের তা আছে। পাকিস্তানের খুব ভালো ব্যাটারদের সে ভুগিয়েছে। হাসান মাহমুদ আরেকজন যে বেশ কিছু উইকেট নিয়েছে। তাসকিন আহমেদের নিজেকে আরেকবার দেখানোর মঞ্চ, সে কেমন মানের বোলার। কাজেই তাদের তিনটা সত্যিকারের পেসার আছে।’
উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার হিসেবে মুশফিকুর রহিম-লিটন দাসের মতো অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটারকে নিয়ে বললেন, ‘এ ছাড়া বেশি যে দুই কারণে আমি তাদের উঁচুতে রাখছি, তা হচ্ছে তাদের দুজন লোক আছে যারা কিপিং করতে পারে এবং একই সঙ্গে দারুণ ব্যাটার (মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস)। একদম খাঁটি ব্যাটার হিসেবে একাদশে থাকতে পারে।’
দুই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও মেহেদী মিরাজ থাকায় দলের ভারসাম্যও দুর্দান্ত। ভোগলে বললেন, ‘দুজন প্রকৃত স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার আছে। সাকিব আল হাসান অবশ্যই। প্রতিটা সময়ে যে ভালো করছে, আমি যার কথা প্রায়ই বলি, সে হচ্ছে মেহেদী হাসান মিরাজ।’
সাকিব ও মুশফিক খেলা ছেড়ে দিলে মিডল অর্ডারে ভোগলের আস্থার লিটন ও মিরাজে, ‘আমার দেখে মনে হয়েছে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুজনেই আরও বড় ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। জানি না সাকিব আর কতদিন খেলবে, আমার মনে হয় সে শেষের দিকে আছে। একই কথা বলব মুশফিকের বেলায়। এই দুজনের একদম আদর্শ বিকল্প হবে মিরাজ ও লিটন। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে নিজেদের সামর্থ্যের থেকে এক ধাপ নিচে ব্যাট করছে সবাই। এটা ব্যাটিং গভীরতার খুব ভালো দিক। কিন্তু ওপরের দিক থেকে রান আসতে হবে। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের রান পেতে হবে।’
ভারত এগিয়ে থাকবে মনে করছেন ভোগলে। তবে বাংলাদেশের কাছ থেকে কিছুটা লড়াই আশা করছেন এই ক্রিকেট বিশ্লেষক, ‘ভারত অনেক এগিয়ে থেকে ফেবারিট হিসেবে শুরু করবে। আমি বাংলাদেশের কাছ থেকে কিছুটা লড়াই আশা করব। কারণ এটা আমি আগে দেখিনি। যদি তারা লড়াইটা করতে পারে তাহলে দারুণ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হতে যাচ্ছে।’

৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে চলছে নানা রকম জটিলতা। ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনো অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার ব্যাপারেও চলছে নানারকম কথাবার্তা।
৬ মিনিট আগে
মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
৪৪ মিনিট আগে
জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে