আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাংলাদেশ দলে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় লিটন দাসের বাদ পড়া। যদিও তাঁর বাদ পড়ার খবর আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল। যেদিন তিনি বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়লেন, সেদিন রাতেই বিস্ফোরক এক লিটনকে দেখা গেল। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পরশু রাতে এমন এক বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন, তাতে তাঁকে ঘিরে আলোচনা যেন হুট করে আরেক দিকে ঘুরে গেছে।
দুই দিন আগেও অনেকে বলছিলেন, লিটন কেন থাকবেন দলে? পরশু তাঁর ইনিংস দেখার পর এবার বলা হচ্ছে, এই লিটনকেই বাদ দিলেন নির্বাচকেরা! ৫৫ বলে ১২৫ রানের অনবদ্য ইনিংসটি বিপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এমন ইনিংসের পর পাকিস্তানের পিএসএলের দল করাচি কিংসে খেলার সুযোগও এসেছে লিটনের সামনে। বাদ পড়ে তাঁর অবশ্য কোনো ক্ষোভ নেই, ‘কে খেলাবে, কাকে খেলাবে না, এটা তাদের সিদ্ধান্ত। আমার কাজ ভালো খেলা, যেটা এত দিন করতে পারছিলাম না।’
লিটনের এই বিস্ময়কর ইনিংস নিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরশু দল ঘোষণায় লিটনকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যায় বলেছিলেন, ‘তীব্র রানখরায় ভুগছে। আউটের ধরন একই রকম। ক্রিকেটের সাদা বলের ফরম্যাটে পাওয়ার প্লেতে যে সুবিধা নেওয়া দরকার...চাপ চলে আসছে, অন্য প্রান্তে থাকা ব্যাটারের ওপর চাপ বাড়ছে, তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন দ্রুত উন্মোচিত হয়ে যাচ্ছে।’
পরশু লিটনের অসাধারণ পারফরম্যান্স লিপু টিভিতে সূক্ষ্মভাবেই দেখেছেন। তিনি জেনেছেন পিএসএলে লিটনের দল পাওয়ার খবরও। তবে তাঁর সঙ্গে কাল সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে বোঝা গেল, লিটনের সামনে জাতীয় দলের দুয়ার খোলা আছে। তাঁরা ইচ্ছা করে বন্ধ করে দিয়েছেন, তা ঠিক নয়। সেই দুয়ারের চৌকাঠ পেরোতে লিটনকে এভাবে ধারাবাহিক ভালো খেলতে হবে। নির্বাচকদের কথা হচ্ছে, লিটন যেখানেই খেলবেন, সেটা ক্যারি করতে হবে। অন্তত জাতীয় দলে ফিরতে হলে তো বটেই।
জাতীয় দলের নির্বাচকদের মধ্যে হান্নান সরকার সিলেট পর্বের শুরু থেকে সিলেটে অবস্থান করছেন। কাল টিম হোটেলে লিটনের বাদ পড়া এবং রাজশাহীর বিপক্ষে দানবীয় ব্যাটিং নিয়ে আড্ডাচ্ছলে বললেন, ‘রান না করলে দলের জায়গা ধরে রাখা সম্ভব নয়। লিটনও সেই প্রক্রিয়ার অংশ। আমাদের কেউই এতে কোনো খারাপ অনুভব করছি না। আমরা তাকে ম্যাচের পর ম্যাচ সুযোগ দিয়েছি, কিন্তু এখন তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। রানে ফিরলেই তার জায়গা আবার ফিরে আসবে। এটি একটি “ওপেন ফর অল” ব্যাপার।’ হান্নান আরও যোগ করলেন, ‘আমরা তার অফ ফর্ম দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি। আইসিসির নিয়ম মেনে আমাদের দল ঘোষণা করতে হয়েছে। তবে তার জন্য এখন যে সব সুযোগ শেষ, তা বলছি না। পারফরম্যান্সই তাকে আবার সুযোগ করে দেবে।’

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাংলাদেশ দলে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় লিটন দাসের বাদ পড়া। যদিও তাঁর বাদ পড়ার খবর আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল। যেদিন তিনি বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়লেন, সেদিন রাতেই বিস্ফোরক এক লিটনকে দেখা গেল। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পরশু রাতে এমন এক বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন, তাতে তাঁকে ঘিরে আলোচনা যেন হুট করে আরেক দিকে ঘুরে গেছে।
দুই দিন আগেও অনেকে বলছিলেন, লিটন কেন থাকবেন দলে? পরশু তাঁর ইনিংস দেখার পর এবার বলা হচ্ছে, এই লিটনকেই বাদ দিলেন নির্বাচকেরা! ৫৫ বলে ১২৫ রানের অনবদ্য ইনিংসটি বিপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এমন ইনিংসের পর পাকিস্তানের পিএসএলের দল করাচি কিংসে খেলার সুযোগও এসেছে লিটনের সামনে। বাদ পড়ে তাঁর অবশ্য কোনো ক্ষোভ নেই, ‘কে খেলাবে, কাকে খেলাবে না, এটা তাদের সিদ্ধান্ত। আমার কাজ ভালো খেলা, যেটা এত দিন করতে পারছিলাম না।’
লিটনের এই বিস্ময়কর ইনিংস নিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরশু দল ঘোষণায় লিটনকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যায় বলেছিলেন, ‘তীব্র রানখরায় ভুগছে। আউটের ধরন একই রকম। ক্রিকেটের সাদা বলের ফরম্যাটে পাওয়ার প্লেতে যে সুবিধা নেওয়া দরকার...চাপ চলে আসছে, অন্য প্রান্তে থাকা ব্যাটারের ওপর চাপ বাড়ছে, তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন দ্রুত উন্মোচিত হয়ে যাচ্ছে।’
পরশু লিটনের অসাধারণ পারফরম্যান্স লিপু টিভিতে সূক্ষ্মভাবেই দেখেছেন। তিনি জেনেছেন পিএসএলে লিটনের দল পাওয়ার খবরও। তবে তাঁর সঙ্গে কাল সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে বোঝা গেল, লিটনের সামনে জাতীয় দলের দুয়ার খোলা আছে। তাঁরা ইচ্ছা করে বন্ধ করে দিয়েছেন, তা ঠিক নয়। সেই দুয়ারের চৌকাঠ পেরোতে লিটনকে এভাবে ধারাবাহিক ভালো খেলতে হবে। নির্বাচকদের কথা হচ্ছে, লিটন যেখানেই খেলবেন, সেটা ক্যারি করতে হবে। অন্তত জাতীয় দলে ফিরতে হলে তো বটেই।
জাতীয় দলের নির্বাচকদের মধ্যে হান্নান সরকার সিলেট পর্বের শুরু থেকে সিলেটে অবস্থান করছেন। কাল টিম হোটেলে লিটনের বাদ পড়া এবং রাজশাহীর বিপক্ষে দানবীয় ব্যাটিং নিয়ে আড্ডাচ্ছলে বললেন, ‘রান না করলে দলের জায়গা ধরে রাখা সম্ভব নয়। লিটনও সেই প্রক্রিয়ার অংশ। আমাদের কেউই এতে কোনো খারাপ অনুভব করছি না। আমরা তাকে ম্যাচের পর ম্যাচ সুযোগ দিয়েছি, কিন্তু এখন তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। রানে ফিরলেই তার জায়গা আবার ফিরে আসবে। এটি একটি “ওপেন ফর অল” ব্যাপার।’ হান্নান আরও যোগ করলেন, ‘আমরা তার অফ ফর্ম দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি। আইসিসির নিয়ম মেনে আমাদের দল ঘোষণা করতে হয়েছে। তবে তার জন্য এখন যে সব সুযোগ শেষ, তা বলছি না। পারফরম্যান্সই তাকে আবার সুযোগ করে দেবে।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৫ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে