
রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হয় না বহু বছর ধরে। দুই দলের লড়াই শুধু আইসিসি ও এসিসির টুর্নামেন্টেই দেখা যায়। ফলে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে সবার আগ্রহ থাকে তুঙ্গে।
এমনিতেই অবশ্য দুই দলের ম্যাচ মানেই রুদ্ধশ্বাস দ্বৈরথ। আর আজকের এশিয়া কাপের ম্যাচটা যেন আরও একটু বেশি। কেননা, চার বছরেরও বেশি সময় পর আজ প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সর্বশেষ ২০১৯ বিশ্বকাপে খেলেছিল তারা।
এতে করে চাপটা একটু বেশি থাকবে আজ। জয়ের জন্য দুই দলই উন্মুখ থাকবে। এমন মুহূর্তেই দুই দেশের সাবেক ক্রিকেটাররা উত্তরসূরিদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। শোয়েব আখতারও ব্যতিক্রম নন। আগেও বহুবার দিয়েছেন। পাল্লেকেলের ম্যাচ নিয়েও দিয়েছেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাবর আজমদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বাবরদের ভারতের দুর্বল জায়গায় আঘাত করার পরামর্শ দিয়েছেন শোয়েব। পাকিস্তানের সাবেক পেসার বলেছেন, ‘ভারত-পাকিস্তানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সব সময় অন্যরকম কিছু। পাকিস্তানের শক্তির জায়গা বোলিং। যদি শুরুতেই ভারতের তিন ব্যাটার আউট হয়ে যায়, তাহলে তারা বিপদে পড়ে যায়। পাকিস্তানের চেষ্টা থাকবে ভারতের দুর্বল জায়গায় আঘাত করার।’
টস জিতলে কী নেওয়া উচিত, সেটিও জানিয়েছেন শোয়েব। তাঁর মতে, ব্যাটিং নেওয়া ঠিক হবে। তিনি বলেছেন, ‘যদি পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিং নেয়, ভারতের ওপর শুরু থেকে আক্রমণ করবে। অন্যদিকে ভারত টসে জিতলে পাকিস্তান বিপদে পড়তে পারে। কারণ উইকেটে পরিস্থিতি ভালো হয়নি। আলোর নিচে ভালোভাবে বল ব্যাটে আসে না।’
উত্তরসূরিদের ম্যাচ নিয়ে চাপ না নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন শোয়েব। চাপের বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন তিনি। দেশটির সাবেক গতিতারকা বলেছেন, ‘ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচটি একটি রোমাঞ্চকর লড়াই হতে যাচ্ছে। আমরা থ্রিলার দেখতে চেয়েছিলাম, সেটা পাচ্ছি। সম্ভবত দুই বিলিয়নের বেশি মানুষ ম্যাচ দেখবে। এতে করে চাপ নেওয়ার দরকার নেই। ছেলে-মেয়েদের গল্প শোনানোর জন্য দারুণ এক ম্যাচ। বলতে পারবে বিরাট কোহলির বিপক্ষে খেলেছি। যেমন আমি বলি, শচীন টেন্ডুলকারের বিপক্ষে খেলেছি। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। এই সুযোগগুলো তাই মিস করা উচিত হবে না। মনোযোগ দিয়ে নিজেদের সেরা খেলা দিতে হবে।’

রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হয় না বহু বছর ধরে। দুই দলের লড়াই শুধু আইসিসি ও এসিসির টুর্নামেন্টেই দেখা যায়। ফলে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে সবার আগ্রহ থাকে তুঙ্গে।
এমনিতেই অবশ্য দুই দলের ম্যাচ মানেই রুদ্ধশ্বাস দ্বৈরথ। আর আজকের এশিয়া কাপের ম্যাচটা যেন আরও একটু বেশি। কেননা, চার বছরেরও বেশি সময় পর আজ প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সর্বশেষ ২০১৯ বিশ্বকাপে খেলেছিল তারা।
এতে করে চাপটা একটু বেশি থাকবে আজ। জয়ের জন্য দুই দলই উন্মুখ থাকবে। এমন মুহূর্তেই দুই দেশের সাবেক ক্রিকেটাররা উত্তরসূরিদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। শোয়েব আখতারও ব্যতিক্রম নন। আগেও বহুবার দিয়েছেন। পাল্লেকেলের ম্যাচ নিয়েও দিয়েছেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাবর আজমদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বাবরদের ভারতের দুর্বল জায়গায় আঘাত করার পরামর্শ দিয়েছেন শোয়েব। পাকিস্তানের সাবেক পেসার বলেছেন, ‘ভারত-পাকিস্তানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সব সময় অন্যরকম কিছু। পাকিস্তানের শক্তির জায়গা বোলিং। যদি শুরুতেই ভারতের তিন ব্যাটার আউট হয়ে যায়, তাহলে তারা বিপদে পড়ে যায়। পাকিস্তানের চেষ্টা থাকবে ভারতের দুর্বল জায়গায় আঘাত করার।’
টস জিতলে কী নেওয়া উচিত, সেটিও জানিয়েছেন শোয়েব। তাঁর মতে, ব্যাটিং নেওয়া ঠিক হবে। তিনি বলেছেন, ‘যদি পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিং নেয়, ভারতের ওপর শুরু থেকে আক্রমণ করবে। অন্যদিকে ভারত টসে জিতলে পাকিস্তান বিপদে পড়তে পারে। কারণ উইকেটে পরিস্থিতি ভালো হয়নি। আলোর নিচে ভালোভাবে বল ব্যাটে আসে না।’
উত্তরসূরিদের ম্যাচ নিয়ে চাপ না নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন শোয়েব। চাপের বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন তিনি। দেশটির সাবেক গতিতারকা বলেছেন, ‘ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচটি একটি রোমাঞ্চকর লড়াই হতে যাচ্ছে। আমরা থ্রিলার দেখতে চেয়েছিলাম, সেটা পাচ্ছি। সম্ভবত দুই বিলিয়নের বেশি মানুষ ম্যাচ দেখবে। এতে করে চাপ নেওয়ার দরকার নেই। ছেলে-মেয়েদের গল্প শোনানোর জন্য দারুণ এক ম্যাচ। বলতে পারবে বিরাট কোহলির বিপক্ষে খেলেছি। যেমন আমি বলি, শচীন টেন্ডুলকারের বিপক্ষে খেলেছি। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। এই সুযোগগুলো তাই মিস করা উচিত হবে না। মনোযোগ দিয়ে নিজেদের সেরা খেলা দিতে হবে।’

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
১ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে