
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের সুস্থতা কামনায় আজ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসেছেন তামিম ইকবাল। মোহামেডানের সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে ক্লাব আয়োজিত দোয়া মাহফিলে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আসতেই পারেন। তবে অনুষ্ঠানে এসে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে যে স্মৃতিচারণা করলেন, তা অনেকের কাছেই নতুন মনে হতে পারে। তামিম জানিয়েছেন, তাঁর বিয়েতে গিয়েছিলেন মির্জা আব্বাস।
মির্জা আব্বাসকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার যৌক্তিকতাও তুলে ধরেন তামিম ইকবাল। বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে আমার দেখার সুযোগ খুব কম হয়েছে। তিনি আমার বিয়েতে একবার এসেছিলেন। এক-দুইবার তাঁর সঙ্গে দেখা হয়েছে। তাঁর ব্যাপারে আমি জানি। তিনি মোহামেডানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ক্রীড়ামন্ত্রীও ছিলেন। তিনি অসুস্থ। মোহামেডান ক্লাব একটি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে যে এখানে আসাটা গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরের এক হাসপাতালে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় মোহামেডানের দোয়া মাহফিলে ক্লাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে তামিমও ছিলেন। মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চেয়ে তামিম বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশের সবাই যাঁরা ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত আছে, সবাই চান তিনি যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যান। যেটা লোকমান ভাই বললেন যে তাঁর (মির্জা আব্বাস) অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। আমাদের সবার দোয়া তাঁর প্রতি। এ কারণেই আমার এখানে আসা।’
২০২৫ ডিপিএলে মোহামেডানের হয়ে খেলার আগমুহূর্তে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তামিম। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অবস্থান করছিলেন হাসপাতালে। মির্জা আব্বাসের দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠানে গত বছরের সেই দুঃসহ ঘটনার কথাও স্মরণ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন মোহামেডানের হয়ে কাজ কাজ করার ইচ্ছের কথাও, ‘আমি তো মোহামেডান টিমের সঙ্গে জড়িত আছি ভাই। আমার সবশেষ হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সময়ও মোহামেডানের হয়ে খেলছিলাম। সংগঠক হিসেবে আমি আসলে তেমন কিছু চিন্তা করিনি। যদি মোহামেডানের এ রকম কখনো মনে হয় যে আমাকে তাঁদের সঙ্গে নিলে এটা ক্লাবের জন্য ভালো হবে, তাঁরা যেকোনো সময় ডাকলে যেকোনো সময় চলে আসব।’

সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
১ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে