
স্পেনের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। এবার টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ বেছে নিতে সমর্থকদের ভোট গ্রহণ শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার পাঁচ ফুটবলার।
ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হওয়া লিওনেল স্কালোনির দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে গোলরক্ষক, রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগ—চার বিভাগেই। গোলরক্ষকদের তালিকায় প্রত্যাশিতভাবেই জায়গা পেয়েছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ডিফেন্ডার হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেস। মিডফিল্ডে আছেন এনসো ফার্নান্দেস। আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনার একমাত্র প্রতিনিধি লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন মেসি। টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক; নিজে ৮ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি। ১০ গোল করে সবার ওপরে আছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ফিফার প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের দুই নিয়মিত ডিফেন্ডার পাও কুবারসি ও আইমেরিক লাপোর্তে রক্ষণভাগের মনোনীতদের মধ্যে জায়গা পাননি। বিশেষ করে কুবারসির বাদ পড়া বিস্ময় তৈরি করেছে, কারণ বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি।
এ ছাড়া মাঝমাঠের তালিকাও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সমর্থকেরা ৪-৪-২, ৪-৩-৩ কিংবা ৩-৪-৩—এই তিনটি ছকে নিজেদের সেরা একাদশ সাজাতে পারবেন। সে কারণেই কয়েকজন স্বীকৃত ফরোয়ার্ডকেও মিডফিল্ডারদের তালিকায় রাখা হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
সেরা একাদশের লড়াইয়ে প্রাথমিকভাবে জায়গা পেয়েছেন যেসব ফুটবলার:
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেস (আর্জেন্টিনা), ভোজিনহা (কেপ ভার্দে), উনাই সিমন (স্পেন), জর্ডান পিকফোর্ড (ইংল্যান্ড), এলোয় রুম (কুরাসাও)।
ডিফেন্ডার: লিসান্দ্রো মার্তিনেস (আর্জেন্টিনা), নুনো মেন্দেস (পর্তুগাল), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন), ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (ব্রাজিল), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (আর্জেন্টিনা), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), পেদ্রো পোরো (স্পেন)।
মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড), মাইকেল অলিসে (ফ্রান্স), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল), এনসো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা), উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স), লুকা মদরিচ (ক্রোয়েশিয়া), ইসমাইল সাইবারি (মরক্কো), রদ্রি (স্পেন), লামিন ইয়ামাল (স্পেন)।
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স), আরলিং হলান্ড (নরওয়ে), হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড). হুলিয়ান কিনিওনেস (মেক্সিকো), মিকেল ওইয়ারসাবাল (স্পেন)।

বিশ্বকাপ ফাইনালে মাঠের লড়াই শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের আচরণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। একই সঙ্গে ফাইনালে লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানোর যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটিও প
৫ ঘণ্টা আগে
২০৩০ বিশ্বকাপে দলসংখ্যা ৬৪-তে বাড়ানোর সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে ফিফার কড়া সমালোচনা করেছেন লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস। তাঁর অভিযোগ, মাত্র ৪০ দিনের একটি টুর্নামেন্টের জন্য বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে পুরো ফুটবলশিল্প ও ঘরোয়া লিগগুলোর জন্য হুমকি হয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পরই আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন লিওনেল স্কালোনি। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসেননি তিনি। বিস্তারিত আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চান স্কালোনি।
৬ ঘণ্টা আগে
অন্য সতীর্থদের মতো এমিলিয়ানো মার্তিনেসও বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের কষ্ট এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। আর্জেন্টিনার হয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় হতাশ এই গোলরক্ষক এবার নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে