
রাজপুত্র ফিরে এসেছেন। সাও পাওলোর সান্তোস শহরে মানুষের ব্যতিব্যস্ততা বেড়ে গেছে। ভারী বর্ষণ উপেক্ষা করে শহরের মানুষ জড়ো হতে থাকে সান্তোসের মাঠ ভিলা বেলমিরোয়। রাজপত্রকে বরণ করে নিতে হবে যে! সেই রাজপুত্র নেইমার।
আল হিলালের সঙ্গে দিন কয়েক আগেই সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছিলেন। তখনই কেউ কেউ বলছিলেন সান্তোসে ফিরছেন তিনি। সেই ধারণাকে সত্যি করে আপাতত সান্তোসের সঙ্গে ছয় মাসের চুক্তি নেইমারের। তাঁর ফেরাটাকে বরণ করে নিতে আয়োজনের কোনো কমতি রাখেনি তাঁর শৈশবের ক্লাব সান্তোস।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাতে কাছাকাছি তিন ঘণ্টার এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় ‘প্রিন্স’ নেইমারকে।
হেলিকপ্টারে করে ভিলা বেলমিরোয় ফেরেন নেইমার। তার অনেক আগে থেকেই ভারী বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে জড়ো হতে থাকেন সান্তোস ভক্তরা। বৃষ্টির মধ্যেই মঞ্চে ওঠেন নেইমার। সান্তোসের মাঠে প্রায় ২০ হাজার দর্শকের মুখে তখন ‘নেইমার’, ‘নেইমার’ ধ্বনি। কখনো হাত নেড়ে, কখনো দুই হাত ওপরে তুলে দর্শকদের অভিবাদনের জবাব দিয়েছেন। দর্শকদের উদ্দেশ্য একবার তো মাথা নুইয়ে কুর্নিশ করার ভঙ্গিতেও দেখা গেল। অনুষ্ঠান শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’ নামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিল সান্তোস। সেখানে তুলে ধরা হয় এই ক্লাবে তাঁর শৈশবে পা রাখা, বেড়ে ওঠা ও নায়ক হয়ে ওঠার পথচলা।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখিও হয়েছিলেন নেইমার। সেখানে শিকড়ে ফেরার কারণও জানিয়েছে তিনি, ‘কতক সিদ্ধান্ত থাকে, যা ফুটবলীয় চুক্তির আওতায় পড়ে না। আল হিলালে ভালোই ছিলাম। পরিবার ভালো ছিল। কিন্তু কিছু ঘটনায় সিদ্ধান্তটি নিতেই হলো। অনুশীলনে নিজেকে অসুখী লাগছিল। ফেরার সুযোগটা পেয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবিনি।’
তো ফেরার পর কেমন লাগছে? নেইমারের উত্তর, ‘এখানে পা রাখার পর থেকেই ১৭ বছর বয়সী তরুণের মতো লাগছে নিজকে। খুব ভালো লাগছে। খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
গত নভেম্বরে আল হিলালের হয়ে খেলার সময় চোট পাওয়ার পর আর মাঠে নামে হয়নি তাঁর। তো প্রিয় ক্লাব সান্তোসে কখন শুরু তাঁর নতুন অধ্যায়ের শুরু হবে তা এই মুহূর্তে বলা কঠিন। সংবাদ সম্মেলনেই নেইমার জানিয়েছেন, আগে চেয়ে শারীরিকভাবে ভালো থাকলেও এখনো শতভাগ ফিট নন তিনি। আগামী বুধবার ক্যাম্পেওনাতো পলিস্তায় বোটাফোগোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। এই ম্যাচে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও তাঁকে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রথমার্ধে গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধেও বদলাল না ফল। ৯০ মিনিটের খেলা শেষে তাই অবিচ্ছিন্ন থাকে দুই দল। শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে তাই টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। যেখানে ৪-৩ গোলে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধেও বদলাল না ফল। ৯০ মিনিটের খেলা শেষে তাই অবিচ্ছিন্ন থাকে দুই দল। শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে তাই টাইব্রেকারে গড়াল ম্যাচ। সাফের বাইলজ অনুযায়ী, নকআউট ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে খেলা ড্র হলেও অতিরিক্তি সময় দেওয়া হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
ফখর জামানের নিষেধাজ্ঞায় ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। সেই সুযোগটাকে দারুণভাবেই কাজে লাগালেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার। ওপেনিংয়ে নেমেই ঝোড়ো ব্যাটিং করলেন এই বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
৪ ঘণ্টা আগে
৩৬ মিনিটে ভারত আবারও সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে কর্নার থেকে আসা জটলার ভেতর জোড্রিকের নেওয়া হেডটি সহজে তালুবন্দী করেন মাহিন। প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে বাংলাদেশ খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে ভারতকে চাপে রাখলেও ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করার আরও একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের।
৪ ঘণ্টা আগে