নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইংল্যান্ড ইনিংসের ২৩তম ওভারের প্রথম বলে ফাহিমা খাতুন ফিরিয়ে দিলেন ইমা ল্যাম্বকে। তখন বাংলাদেশ শিবিরে কী উল্লাস। ৭৮ রানেই ইংলিশদের ৫ উইকেট গায়েব! জয়ের জন্য তখনো ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১০১ রান!
তখন জয়ের সম্ভাবনা হেলে পড়েছিল বাংলাদেশের দিকে। বোলার-ফিল্ডারের শারীরিক ভাষাতেও ছিল একটা উজ্জীবনী ছোঁয়া। কিন্তু আশা জাগিয়েও স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণায় পুড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে ৪ উইকেটে।
প্রথম ৭ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ড ইনিংসে ধাক্কা দেওয়ার যে শুরুটা করেছিলেন মারুফা আক্তার, সেটি পরে টেনে নিয়ে যান ফাহিমা খাতুন। দুজনের আঁটসাঁট বোলিংয়েই বিপাকেই পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু দলকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন হিথার নাইট। তিনে উইকেটে এসে ১১১ বলে ৭৯ রান। ৮টি চার ও ১টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটিই জিতিয়ে দেয় ইংল্যান্ডকে। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন চার্লি ডিন। ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। দল না জিতলেও বল হাতে সবচেয়ে সফল ফাহিমা; ১৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৪৯.৪ ওভারে ১৭৮ রানে অলআউট হয়েছে। দুই ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ও শারমিন আক্তারের ২৪ রানের জুটি ছিন্ন হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ব্যক্তিগত ৪ রান করে রুবাইয়া আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই জুটি। পরের ওভারেই ফিরে রানের খাতা না খুলেই ফিরে যান ওয়ান ডাউনে উইকেটে আসা নিগার সুলতানা জ্যোতি। অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায়—২৫/২!
এই জোড়া ধাক্কার পর দলের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন শারমিন আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। তৃতীয় উইকেট ৩৪ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ৫২ বলে ৩০ রান করে আউট হয়ে গেলেও ৯২ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন মোস্তারি। তাঁর ১০৮ বলের ইনিংসটি আছে ৮টি চার। বাংলাদেশের পৌনে দু শ পেরেনো স্কোরে অবদান আছে রাবেয়া খানের। দলের স্কোর বাড়িয়ে নিতে টি-টোয়েন্টি মেজাজে রান তোলের তিনি। ২৭ বলে করেন হার না মানা ৪৩ রান। ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট—১৫৯.২৫!
ইংল্যান্ডের সোফি একলেস্টন বল হাতে সবচেয়ে সফল; ২৭ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

ইংল্যান্ড ইনিংসের ২৩তম ওভারের প্রথম বলে ফাহিমা খাতুন ফিরিয়ে দিলেন ইমা ল্যাম্বকে। তখন বাংলাদেশ শিবিরে কী উল্লাস। ৭৮ রানেই ইংলিশদের ৫ উইকেট গায়েব! জয়ের জন্য তখনো ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১০১ রান!
তখন জয়ের সম্ভাবনা হেলে পড়েছিল বাংলাদেশের দিকে। বোলার-ফিল্ডারের শারীরিক ভাষাতেও ছিল একটা উজ্জীবনী ছোঁয়া। কিন্তু আশা জাগিয়েও স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণায় পুড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে ৪ উইকেটে।
প্রথম ৭ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ড ইনিংসে ধাক্কা দেওয়ার যে শুরুটা করেছিলেন মারুফা আক্তার, সেটি পরে টেনে নিয়ে যান ফাহিমা খাতুন। দুজনের আঁটসাঁট বোলিংয়েই বিপাকেই পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু দলকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন হিথার নাইট। তিনে উইকেটে এসে ১১১ বলে ৭৯ রান। ৮টি চার ও ১টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটিই জিতিয়ে দেয় ইংল্যান্ডকে। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন চার্লি ডিন। ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। দল না জিতলেও বল হাতে সবচেয়ে সফল ফাহিমা; ১৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৪৯.৪ ওভারে ১৭৮ রানে অলআউট হয়েছে। দুই ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ও শারমিন আক্তারের ২৪ রানের জুটি ছিন্ন হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ব্যক্তিগত ৪ রান করে রুবাইয়া আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই জুটি। পরের ওভারেই ফিরে রানের খাতা না খুলেই ফিরে যান ওয়ান ডাউনে উইকেটে আসা নিগার সুলতানা জ্যোতি। অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায়—২৫/২!
এই জোড়া ধাক্কার পর দলের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন শারমিন আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। তৃতীয় উইকেট ৩৪ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ৫২ বলে ৩০ রান করে আউট হয়ে গেলেও ৯২ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন মোস্তারি। তাঁর ১০৮ বলের ইনিংসটি আছে ৮টি চার। বাংলাদেশের পৌনে দু শ পেরেনো স্কোরে অবদান আছে রাবেয়া খানের। দলের স্কোর বাড়িয়ে নিতে টি-টোয়েন্টি মেজাজে রান তোলের তিনি। ২৭ বলে করেন হার না মানা ৪৩ রান। ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট—১৫৯.২৫!
ইংল্যান্ডের সোফি একলেস্টন বল হাতে সবচেয়ে সফল; ২৭ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৩ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৪ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে