
ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ নারী দল। হারের পর মাথা ঠান্ডা রেখে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। অধিনায়কের সে কথার প্রতিফলনই যেন ফুটে উঠল সোবহানা মোস্তারির ব্যাটে।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মোস্তারি। বাংলাদেশের তৃতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করলেন তিনি। এর আগে সেঞ্চুরি করেছেন ফারজানা হক ও জ্যোতি। দুবার এই স্বাদ পেয়েছেন ফারজানা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে চতুর্থ সেঞ্চুরিয়ান মোস্তারি।
ব্রিসবেনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভুলে যাওয়ার মতোই। ৮ রানেই ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে সফরকারীরা। তাতে প্রথম ম্যাচের মতো অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে জ্যোতিকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মোস্তারি। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের হতাশ করে স্কোরবোর্ড ভারী করতে থাকেন তাঁরা।
দুজনের ব্যাটিংয়ের ধরন অবশ্য ভিন্ন ছিল। মোস্তারির সাবলীল ব্যাটিংয়ের বিপরীতে টেস্ট মেজাজে খেলেছেন জ্যোতি। মেগান শুটের বলে মোস্তারি বোল্ড হলে ভাঙে ১৯৫ রানের জুটি। ওয়ানডে ক্রিকেটে যে কোনো উইকেটে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। ১৩৪ বলে ১৮ বাউন্ডারিতে ১১৮ রানের ইনিংস খেলেন মোস্তারি। ওয়ানডেতে এখন এটাই বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস।
জ্যোতি অপরাজিত থাকেন ৭৪ রানে। তাঁর ১১৪ বলের ইনিংসে বাউন্ডারি চারটি; স্ট্রাইকরেট ৬৪.৯১। বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান করে অতিথিরা। ৪ উইকেট নেন শুট। ১০ ওভারে তাঁর খরচ ৩৬ রান। ৩৫ রানে ১ উইকেট নেন কিম গার্থ।

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়নস। তাদের ২১৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। শেষ পর্যন্ত জয় পেলেও তাই প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। প্রতিপক্ষ যে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল, সেটাও স্বীকার করলেন তিনি।
১৬ মিনিট আগে
লিটন দাস ক্যাচ ধরার পরপরই করলেন আবেদন। হাসান মাহমুদ ঘুরে তাকাতেই আম্পায়ার আলাউদ্দিন পালেকের আঙুল তুলে দিলেন। আফগানিস্তানের টেলএন্ডার ব্যাটার ইয়ামিন আহমাদজাই রিভিউ নিয়ে শুধু হাসানের অপেক্ষাই বাড়ালেন। আল্ট্রা এজে স্পাইক ধরা পড়তেই হাসান আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামের পিচে সিজদা দিয়েছেন।
৩৭ মিনিট আগে
দিনের প্রথম সেশনে উইকেট পড়ল ৮টি। আফগানিস্তানের ৬টার বিপরীতে বাংলাদেশ হারাল দুটি। বড় লিড নেওয়ায় সেশনটা হয়ে থাকল সফরকারীদের।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। দিনের বাকি সময়টা নির্বিঘ্নে পার করে দেন দুজন। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। শুরুটা করেন ইবাদত হোসেন। এরপর দৃশ্যপটে হাসান মাহমুদ। এই পেসারের দাপুটে বোলিংয়ে এগিয়ে থাকল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে