
সচরাচর যেমনটা দেখা যায়, পরিস্থিতি এখন ঠিক তাঁর উল্টো। ডারউইনে হেরে টেস্ট সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। আর আগামীকাল সকাল ৬টায় ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন বাংলাদেশের।
অথচ দুই দলের শক্তির কি ব্যবধান! ঐতিহ্য-অর্জনেও যোজন যোজন ব্যবধান দুই দলের। প্রাক্-সিরিজ তো অনেকেই এটিকে ‘ডেভিড-গোয়ালিয়থে’র লড়াই হিসেবেই দেখেছেন। কিন্তু যা ভাবা যায়নি, ডারউইনে সেটাই করে দেখিয়েছে বাংলাদেশ। টানা তিন দিন অমিত শক্তিধর অস্ট্রেলিয়াকে চাপের ওপর রেখে চতুর্থ দিনেই জিতে গেছে ম্যাচ।
দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ ডারউইনের পারফরম্যান্সটাকে ম্যাকাইতেও টেনে নেওয়া। বাংলাদেশ এই কাজটা কতটা করতে পারবে, তার ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করবে। তবে ডারউইনের অস্ট্রেলিয়াকে যদি দ্বিতীয় টেস্টেও আশা করে সফরকারী বাংলাদেশ, তবে সেটা হবে বড় ভুল। প্রথম টেস্টে নিজেদের ভুলত্রুটি শুধুরে আরও শাণিত হয়ে ম্যাকাইয়ে ফিরতে চাইবে অস্ট্রেলিয়া, এটাই স্বাভাবিক। তাই ম্যাকাইয়ে মাঠের লড়াই শুরুর আগে সতর্ক বাংলাদেশ। কোচ ফিল সিমন্স তাঁর শিষ্যদের সতর্ক করলেন এভাবে, ‘অস্ট্রেলিয়া শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। তাই আমাদের হয় ডারউইনের পারফরম্যান্সের মান ধরে রাখতে হবে, না হয় আরও ১% হলেও উন্নতি করতে হবে।’ এখানে শেষ নয়, সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্টে তাদের খেলার কৌশলেও পরিবর্তন আনবে বলে সতর্ক সিমন্স, ‘প্রতিপক্ষ তাদের খেলার কৌশল বদলাবে এবং আমাদের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করবে, এটা জেনেই আমাদের তৈরি থাকতে হবে।’
ডারউইনে হারের পর অস্ট্রেলীয়রা স্বীকার করেছেন, যে ধৈর্য নিয়ে ব্যাটিং করা দরকার ছিল, প্রথম টেস্টে সেটা করতে করতে পারেননি তাঁরা। দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হওয়ায় ওপেনার জ্যাক ওয়েদারল্ডকে বাদ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরিয়ে এনেছে ম্যাট রেনশকে। আর আগামীকাল ভালো শুরু হতে যাওয়া ম্যাকাই টেস্টেও অস্ট্রেলিয়া খারাপ খেললে জ্যাক ওয়েদারল্ডের মতো কপাল পুড়বে বেশ কজনেরই! ইএসপিএনক্রিকইনফোর ‘নিউজরুম’ আলোচনায় ম্যাকাই টেস্টেও অস্ট্রেলিয়া হেরে গেলে দলটির কয়েকজন অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটারকে নিয়ে নতুন করে নির্বাচকেরা ভাবতে বাধ্য হওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
প্রথম টেস্ট হারের পর দেশে-বিদেশের অস্ট্রেলিয়ার সমালোচনার মুখে দলটির ক্রিকেটাররাও ম্যাকাইয়ে ভালো খেলার তাগিদ বোধ করছেন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসে ডারউইনে সেঞ্চুরি করা গ্রিন তো জানিয়েই দিলেন, আগ্রাসী ব্যাটিং না করেই বেসিক মেনে ব্যাট করেই সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। একইভাবে ব্যাটিং করতে চান ম্যাকাইয়েও।
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দিয়েই দেশটির দ্বাদশ টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে ম্যাকাইয়ের। টেস্ট না হলেও এখানে তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে। এই ভেন্যুর পিচ নিয়ে সবারই একটা কৌতূহল—কেমন আচরণ করবে উইকেট? আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে পিচ নিয়ে ক্যামেরুন গ্রিন বললেন, ‘এখনকার পিচ সাধারণত সুন্দর হয়। যদিও সাদা বলের ক্রিকেট এবং লাল বলের ক্রিকেট ভিন্ন। আমরা খুব ভালো উইকেট আশা করছি, বাউন্সি এবং গতিময় হবে।’
ডারউইন থেকে আগেই ম্যাকাই পৌঁছেছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ ভ্রমণ ক্লান্তি কাটাতে এখানে এসে বাড়তি এক দিন ছুটি কাটিয়েছেন শান্ত-মুশফিকরা। এরপর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় নেমে টানা তিন ঘণ্টার নিবিড় অনুশীলন সেরেছে দল। এখানকার পিচ সম্পর্কেও তাই একটা ধারণা পেয়েছে দল। দেখার পর ম্যাকাইয়ের পিচ নিয়ে কোচ ফিল সিমন্স বললেন, ‘পিচ বেশ চমৎকার দেখাচ্ছে। ঘাসের দারুণ একটি আচ্ছাদনে শক্ত পিচ। তাই টেস্ট ক্রিকেটের জন্য এটি একটি দারুণ উইকেট হতে যাচ্ছে।’
কিন্তু ‘দারুণ’ উইকেটই সব কথা নয়। ভালো উইকেটে ভালো ব্যাটিং করাটাই আসল—এটাই মনে করিয়ে দিলেন সিমন্স, ‘প্রতিটি উইকেটই ব্যাটারদের জন্য ভালো, কিন্তু সেখানে কীভাবে ব্যাট করছেন, সেটাই আসল কথা।’

আরও একবার মাঠে নামবেন লিওনেল মেসি। এবার আর কোনো হিসাবনিকাশ নেই, সামনে নতুন কোনো টুর্নামেন্টও নেই। আছে শুধু বিদায়ের উপলক্ষ। বুয়েনস এইরেসে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ৫টায় বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবেন মেসি। যে জার্সি পরে প্রায় দুই দশক ধরে ফুটবল-জাদুতে সম্মোহিত করেছেন...
৩ ঘণ্টা আগে
আর মাত্র এক ম্যাচ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার নামবেন লিওনেল মেসি। এমন মুহূর্তের অপেক্ষায় বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। যে মনুমেন্তালে মেসি শেষবার নামবেন, সেই স্টেডিয়ামে ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে থাকবেন তাঁর সাবেক সতীর্থ আনহেল দি মারিয়াও। তবে নাহুয়েল মলিনা, পাওলো দিবালার এখানে থাকার কথা থাকলেও সেটা
৬ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতিতে পর্তুগালের আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্বটা এখন গনসালো রামোসের কাঁধেই। রামোসও সেটা দারুণভাবে করে যাচ্ছেন। গোলের পর বন্দুকের গুলির মতো উদযাপন করেন তিনি। ২৫ বছর বয়সী পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড এবার পোস্ট দিয়ে সেটা ডিলিটও করে দিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবলের ইতিহাসে একটি ছবি সময়ের ফ্রেমে চিরতরে বন্দি হয়ে আছে। ১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ের পর নার্স সু কার্পেন্টারের হাত ধরে হেঁটে যাচ্ছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। উদ্দেশ্য অ্যান্টি-ডোপিং পরীক্ষা। ম্যারাডোনার মুখে হাসি। আর্জেন্টিনা টানা দুই ম্যাচ জিতেছে, দু
৬ ঘণ্টা আগে