ক্রীড়া ডেস্ক

পাঁচ মাস পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। শারজায় আরব আমিরাতের বিপক্ষে আজ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবেন লিটন দাসরা। জাতীয় দলের লম্বা বিরতি গেলেও ক্রিকেটাররা অবশ্য মাঝে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলেছেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) মোটামুটি সবাই ছিলেন। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন খেলছেন।
শান্ত-সৌম্যরা দেশে প্রস্তুতিও নিয়েছেন বেশ। তবে আজ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের একাদশ কেমন হবে? দলে দুটি জায়গা নিশ্চিতই। চোট সমস্যা না থাকলে অধিনায়ক লিটন দাস ও সহ-অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসানের। লিটন ভালো ছন্দে নেই ব্যাট হাতে, তবে পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে এটি তাঁর প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হবে।
বাকি নয়টি জায়গা নিয়ে লড়াই। তবে টপ অর্ডারে ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশন মিলিয়ে লিটন, সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিমকে দেখা যেতে পারে। পারভেজ হোসেন ইমনও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। নিজের সবশেষ টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২১ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো এক ইনিংসও খেলেছেন। যদি সৌম্য-তামিম একাদশে থাকেন তাহলে টপ অর্ডারে আরেক বাঁহাতি হয়তো রাখতে চাইবে না টিম ম্যানেজমেন্ট। বিপিএল ও ডিপিএলেও উজ্জ্বল ছিলেন ইমন। তাঁর ব্যাপারটিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া নাজমুল হোসে শান্ত একাদশে খেলে থাকবেন কি না, তা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকছে। ব্যাট হাতে তিনিও ভালো অবস্থায় নেই লম্বা সময় ধরে। টি-টোয়েন্টিতে তাঁর অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার একটি কারণও ছিল এটি। কিছুটা চাপমুক্ত থেকে ব্যাটিংটা করতে চান। সব শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন গত বছর ভারত সফরে। ডিসেম্বরে ওয়েস্ট সিরিজে লিটনই দিয়েছিলেন নেতৃত্ব। মাঝে বিপিএলও শান্তর ভালো যায়নি। ফরচুন বরিশালের হয়ে ৫ ম্যাচে করেছেন ৫৬ রান। ধুঁকতে থাকায় সব ম্যাচে একাদশেও তাঁর সুযোগ হয়নি।
চার নম্বরে দেখা যেতে পারে তাওহীদ হৃদয়কে। পাঁচ নম্বরে জাকের আলী অনিকের থাকার সম্ভাবনাই বেশি। ছয় নম্বরে শামীম হোসেন পাটোয়ারি। সাত নম্বরে শেখ মেহেদী, আট নম্বরে রিশাদ হোসেন। ডানহাতি স্পিনার মেহেদীর সঙ্গে লেগ স্পিনার রিশাদের কম্বিনেশনই হওয়ার কথা। পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল) দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। নয় নম্বরে ডানহাতি পেসার তানিজম হাসান সাকিবের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁর সঙ্গে হাসান মাহমুদের বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ঝলক দেখিয়েছেন এ পেসারও। তবে সাকিবের ব্যাটিং বাড়তি কাজে লাগতে পারে দলের।
১০ নম্বরে আইপিএলে ডাক পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান। অভিজ্ঞ বাঁহাতি মোস্তাফিজ থাকায় শরীফুল ইসলামের সম্ভাবনা কমই। পিএসএলে গতির ঝড় তোলা নাহিদ রানা একাদশে থাকার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব/হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
এই ম্যাচ খেলেই মোস্তাফিজ চলে যাবেন আইপিএল খেলতে। তাঁর রিপ্লেস হিসেবে এরই মধ্যে আমিরাতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন নাসুম আহমেদ।

পাঁচ মাস পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। শারজায় আরব আমিরাতের বিপক্ষে আজ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবেন লিটন দাসরা। জাতীয় দলের লম্বা বিরতি গেলেও ক্রিকেটাররা অবশ্য মাঝে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলেছেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) মোটামুটি সবাই ছিলেন। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন খেলছেন।
শান্ত-সৌম্যরা দেশে প্রস্তুতিও নিয়েছেন বেশ। তবে আজ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের একাদশ কেমন হবে? দলে দুটি জায়গা নিশ্চিতই। চোট সমস্যা না থাকলে অধিনায়ক লিটন দাস ও সহ-অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসানের। লিটন ভালো ছন্দে নেই ব্যাট হাতে, তবে পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে এটি তাঁর প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হবে।
বাকি নয়টি জায়গা নিয়ে লড়াই। তবে টপ অর্ডারে ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশন মিলিয়ে লিটন, সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিমকে দেখা যেতে পারে। পারভেজ হোসেন ইমনও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। নিজের সবশেষ টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২১ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো এক ইনিংসও খেলেছেন। যদি সৌম্য-তামিম একাদশে থাকেন তাহলে টপ অর্ডারে আরেক বাঁহাতি হয়তো রাখতে চাইবে না টিম ম্যানেজমেন্ট। বিপিএল ও ডিপিএলেও উজ্জ্বল ছিলেন ইমন। তাঁর ব্যাপারটিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া নাজমুল হোসে শান্ত একাদশে খেলে থাকবেন কি না, তা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকছে। ব্যাট হাতে তিনিও ভালো অবস্থায় নেই লম্বা সময় ধরে। টি-টোয়েন্টিতে তাঁর অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার একটি কারণও ছিল এটি। কিছুটা চাপমুক্ত থেকে ব্যাটিংটা করতে চান। সব শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন গত বছর ভারত সফরে। ডিসেম্বরে ওয়েস্ট সিরিজে লিটনই দিয়েছিলেন নেতৃত্ব। মাঝে বিপিএলও শান্তর ভালো যায়নি। ফরচুন বরিশালের হয়ে ৫ ম্যাচে করেছেন ৫৬ রান। ধুঁকতে থাকায় সব ম্যাচে একাদশেও তাঁর সুযোগ হয়নি।
চার নম্বরে দেখা যেতে পারে তাওহীদ হৃদয়কে। পাঁচ নম্বরে জাকের আলী অনিকের থাকার সম্ভাবনাই বেশি। ছয় নম্বরে শামীম হোসেন পাটোয়ারি। সাত নম্বরে শেখ মেহেদী, আট নম্বরে রিশাদ হোসেন। ডানহাতি স্পিনার মেহেদীর সঙ্গে লেগ স্পিনার রিশাদের কম্বিনেশনই হওয়ার কথা। পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল) দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। নয় নম্বরে ডানহাতি পেসার তানিজম হাসান সাকিবের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁর সঙ্গে হাসান মাহমুদের বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ঝলক দেখিয়েছেন এ পেসারও। তবে সাকিবের ব্যাটিং বাড়তি কাজে লাগতে পারে দলের।
১০ নম্বরে আইপিএলে ডাক পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান। অভিজ্ঞ বাঁহাতি মোস্তাফিজ থাকায় শরীফুল ইসলামের সম্ভাবনা কমই। পিএসএলে গতির ঝড় তোলা নাহিদ রানা একাদশে থাকার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব/হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
এই ম্যাচ খেলেই মোস্তাফিজ চলে যাবেন আইপিএল খেলতে। তাঁর রিপ্লেস হিসেবে এরই মধ্যে আমিরাতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন নাসুম আহমেদ।

রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত মাস পরই বরখাস্ত হলেন জাবি আলোনসো। গতকাল স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে হার এবং লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকার প্রেক্ষাপটে ‘পারস্পরিক সমঝোতার’ ভিত্তিতে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন...
৫ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলার মতো পরিস্থিতি নেই— আজ বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৬ ঘণ্টা আগে
নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স রীতিমতো উড়ছে। জয় দিয়েই তারা সিলেট পর্ব শেষ করেছে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাজশাহী।শুধু তাই নয়, রাজশাহীর জয়ে ২০২৬ বিপিএলে তিন দলের প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
৮ ঘণ্টা আগে