
২০২৬-২৭ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ মাঠে গড়াবে ২১ আগস্ট। কিন্তু শুরুর আগেই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ডের শীর্ষ ফুটবল লিগ। এবার প্রথম ম্যাচ থেকে রেকর্ডসংখ্যক ৯টি ক্লাব নতুন স্থায়ী প্রধান কোচের অধীনে মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে উদ্বোধনী সপ্তাহে এত বেশি ক্লাবের ডাগআউটে নতুন মুখ আগে কখনো দেখা যায়নি।
পরিবর্তনের এই ঢেউ ছুঁয়ে গেছে লিগের সবচেয়ে বড় ক্লাবগুলোকেও। লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, চেলসি, নিউক্যাসল ইউনাইটেড—ইংলিশ ফুটবলের শক্তিধর দলগুলোর ডাগআউটে এসেছে বড় ধরনের রদবদল। আর্নে স্লটকে বিদায় দিয়ে লিভারপুল দায়িত্ব দিয়েছে আন্দোনি ইরাওলাকে। দীর্ঘ সাফল্যের অধ্যায়ের ইতি টেনে পেপ গার্দিওলা সরে দাঁড়ানোর পর ম্যানচেস্টার সিটির দায়িত্ব নিয়েছেন এনজো মারেস্কা। চেলসির ডাগআউটে জাবি আলোনসো, বোর্নমাউথে মার্কো রোজ, নটিংহাম ফরেস্টে অলিভার গ্লাসনার, ক্রিস্টাল প্যালেসে পিয়েরে সেজ, ফুলহামে আলভারো আরবেলোয়া এবং ইপসউইচ টাউনে গ্যারি ও’নিল। এদিকে এডি হাওয়ের বিদায়ের পর নিউক্যাসলের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ম্যাথিয়াস ইয়াইসলে।
এর আগে সর্বোচ্চ ৮ ক্লাব নতুন কোচ নিয়ে মৌসুম শুরু করেছিল ২০১৬-১৭ সালে। ওই বছর প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক হয়েছিল পেপ গার্দিওলা ও আন্তোনিও কন্তের। প্রথম মৌসুমে চেলসিকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন কন্তে। তারও আগে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে সাতটি এবং ২০১২-১৩ মৌসুমে ছয়টি ক্লাব নতুন কোচ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল।
এই ব্যাপক পরিবর্তনের আরেকটি বড় প্রভাব পড়েছে প্রিমিয়ার লিগের কোচদের ধারাবাহিকতায়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেওয়া আর্সেনালের মিকেল আর্তেতা এখন লিগের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কোচ। অথচ তাঁর মেয়াদ এখনো সাত বছর পূর্ণ হয়নি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে শুধু আতলেতিকো মাদ্রিদের দিয়েগো সিমিওনে নিজের ক্লাবে তাঁর চেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্বে আছেন।
নতুন কোচ মানেই কি নতুন সাফল্য? প্রিমিয়ার লিগে বহুদিন ধরে চালু রয়েছে ‘নিউ ম্যানেজার বাউন্স’ তত্ত্ব। অর্থাৎ নতুন কোচ আসার পর দল স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ভালো ফল করতে শুরু করে। নতুন অনুপ্রেরণা, কৌশলগত পরিবর্তন এবং মানসিক পুনর্জাগরণ—সব মিলিয়ে এমনটি ঘটে বলে বিশ্বাস করা হয়। কিন্তু কোচের বদল সাফল্যের কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। গত মৌসুমে ১১ বার কোচ পরিবর্তন হয়েছে প্রিমিয়ার লিগে। নটিংহাম ফরেস্ট এক মৌসুমে তিনজন কোচ বদলেছে, টটেনহাম ও চেলসিও একাধিকবার কোচ বদল করেছে। মাইকেল ক্যারিক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম পাঁচ ম্যাচে ম্যাচপ্রতি ২.৬ পয়েন্ট এনে দিয়েছিলেন। একই গড় ছিল চেলসির লিয়াম রোজেনিয়রেরও। কিন্তু মৌসুমের শেষ ভাগে টানা ব্যর্থতায় তাঁকেও বিদায় নিতে হয়।

গবেষণা বলছে, শুধু কোচ বদল নয়; দলের খেলোয়াড়দের মান এবং ক্লাবের বিনিয়োগ দীর্ঘ মেয়াদে সাফল্যের বড় নিয়ামক। প্রিমিয়ার লিগ শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র ছয়জন কোচ নিজের প্রথম মৌসুমে শিরোপা জিততে পেরেছেন। সেই তালিকায় আছেন হোসে মরিনিও, কার্লো আনচেলত্তি, ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি, ক্লদিও রানিয়েরি, আন্তোনিও কন্তে এবং সর্বশেষ আর্নে স্লট।
তবু এত বড় রদবদলের পর একটি প্রশ্ন এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত—এই নতুন মুখগুলোর মধ্যে কে হবেন প্রিমিয়ার লিগের পরবর্তী প্রভাবশালী কোচ? উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, ২০২৬-২৭ মৌসুম শুধু নতুন কোচদের নয়, প্রিমিয়ার লিগের নতুন এক যুগেরও সূচনা।

২৩ বছর পর বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কেমন আয়োজন, সেটা বিমানবন্দরে নেমেই নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা বিমানবন্দরে দেখেছিলেন। বড় পোস্টারে প্রথম টেস্টের সময়সূচি, ভেন্যু উল্লেখ করা ছিল। এবার প্রস্তুতি ম্যাচ নিয়েও যে কী পরিমাণ রোমাঞ্চিত অস্ট্রেলিয়া, সেটা সামাজিক মাধ্যমে এক প
৭ ঘণ্টা আগে
জিতলেই সরাসরি ফাইনালের টিকিট—আজ কলম্বোর প্রেমাদাসায় জাফনা কিংস-গল গ্যালান্টস প্রথম কোয়ালিফায়ারের সমীকরণটা ছিল এমনই। তাওহীদ হৃদয় জ্বলে উঠলেন প্রয়োজনের সময়ই। ঝোড়ো ইনিংসে জাফনা কিংসকে তুললেন ফাইনালে। জাফনার এই আনন্দে শামিল হয়েছেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও, যাঁর কাছ থেকে ম্যাচের মাঝে ট
৯ ঘণ্টা আগে
কদিন আগেই লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ৮ বলে ৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে জাফনা কিংসের জয়ে অবদান রেখেছিলেন তাওহীদ হৃদয়। তাঁর সেই একটা ছক্কায় ক্যাচ ধরে এক দর্শক জিতেছিলেন লাখ টাকার পুরস্কার। আজ প্রথম কোয়ালিফায়ারেও তাণ্ডব চালালেন হৃদয়। জাফনা কিংস সরাসরি উঠে গেল ফাইনালে।
১০ ঘণ্টা আগে
১৪ জুন মিরপুরে বাঁ পায়ের মাংসপেশিতে চোটে পড়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর খেলাই হয়নি লিটন দাসের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলেও শুরুতে তাঁর নাম ছিল না। শেষ মুহূর্তে তাঁকে যুক্ত করা হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমদের সঙ্গে। এবার জানা গেল লিটন দাসের কী অবস্থা।
১১ ঘণ্টা আগে