
আজ শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। চাইলে এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত বিশ্বকাপও বলতে পারেন। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বরাবরই খেলে এসেছে বাংলাদেশ। এবারও সরাসরি জায়গা করে নিয়েছিলেন লিটন-মোস্তাফিজরা। কিন্তু বাংলাদেশকে ছাড়াই শুরু হচ্ছে এই বিশ্বকাপ। আর তাই টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত টুর্নামেন্ট—ক্রিকেটীয় কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছে স্কটল্যান্ডকে।
কেন বাংলাদেশের খেলা হচ্ছে না, সেটা সবার জানা। ক্রিকেটের মধ্যে রাজনীতি মিশে গেলে যা হয়, সেটাই হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটার বলে আইপিএল থেকে অযৌক্তিকভাবে বের করে দেওয়া হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে। এর প্রতিবাদেই ভারতের মাটিতে টুর্নামেন্ট না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের মাটিতে ভারত কিংবা ভারতের মাটিতে পাকিস্তান না খেললে তাদের জন্য আলাদা ভেন্যুর ব্যবস্থা করতে পারে আইসিসি, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য পারে না!
ক্রিকেটের বিশ্বায়নের জন্য, নতুন নতুন দেশকে খেলায় সম্পৃক্ত করতে যখন চেষ্টা করে যাচ্ছে আইসিসি, তখন ক্রিকেটপাগল একটা জাতিকে বিশ্বকাপ থেকে বঞ্চিত করাটা কতটা যৌক্তিক; একদিন হয়তো সেই প্রশ্নও উঠবে। বাংলাদেশ না থাকায় কিছুটা হলেও তো রং হারিয়েছে বিশ্বকাপ। নিজেদের দল নেই বলে বাংলাদেশের অনেক দশর্কই হয়তো এবার খেলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। বাংলাদেশ নেই বলে কলকাতায় টিকিটের চাহিদায় ধস নেমেছে বলেও খবর ভারতীয় পত্রপত্রিকার। আর বাদ পড়া বাংলাদেশের সমর্থনে গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত চাপে থাকা আইসিসিকে আরও চাপে ফেলেছে। পাকিস্তান ম্যাচটি বর্জন করলে বিপুল রাজস্ব হারাবে আইসিসি।
তাই এই বিশ্বকাপে না থেকেও আছে বাংলাদেশ। লিটন-মোস্তাফিজরা না খেললেও টুর্নামেন্টের ধারাভাষ্য প্যানেলে আছেন বাংলাদেশের আতহার আলী খান। শুধু আতহারই নন, আছেন আরও দুজন বাংলাদেশি আম্পায়ার—এলিট প্যানেলের শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত ও আন্তর্জাতিক প্যানেলের গাজী সোহেল।
বাংলাদেশ সময় আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শুরু হবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ভারতের ঋষভ শর্মা ও শিবামনির সংগীত পরিবেশনায় ওয়াংখেড়েতে স্বাগত জানানো হবে দর্শকদের। থাকছেন গায়ক বাদশাহ ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহিও।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে অবশ্য শুরু হয়ে যাবে মাঠের খেলা। বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায় শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ডাচদের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। বেলা সাড়ে তিনটায় কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্কটিশদের মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেললে এটাই হতো এই টুর্নামেন্টে লিটন-মোস্তাফিজদের প্রথম ম্যাচ। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ওয়াংখেড়েতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিক ভারত।
তো বাংলাদেশবিহীন এই বিশ্বকাপের ফেবারিট কে? অনেকে এগিয়ে রাখছেন ভারতকে। একেতে ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা দলটির, তার ওপর তাদের দলটিও দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে প্রত্যাশার চাপ নিয়েও ধারাবাহিক ভালো খেলার রেকর্ড ভারতের।
তবে টুর্নামেন্ট শুরুর পর ভারতের বড় চ্যালেঞ্জার হয়ে উঠতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা; যারা সাদা বলের ক্রিকেটে কখনো কোনো বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। নকআউট পর্বে সব সময় বড় অস্ট্রেলিয়া, হিসাবে রাখতে হবে তাদের। বরাবরের মতো এবারও আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান। তবে ইংল্যান্ড কিংবা নিউজিল্যান্ডও এবার কাপ নিয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

মাঠের পারফরম্যান্সে ভারত-পাকিস্তান তেমন একটা লড়াই দেখা যায় না বললেই চলে। তবে ‘হাইভোল্টেজ ম্যাচ’ নামে পরিচিত এই ম্যাচ আলোচনায় আসে অন্যান্য ঘটনায়। ভক্ত-সমর্থকেরা যে আশায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট কাটেন, সেরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ তাঁরা উপভোগ করতে পারেন না। ইরফান পাঠানের মতে মাঠে ভারতকে
১০ ঘণ্টা আগে
নিজেদের প্রথম ম্যাচে ধূমকেতুর হয়ে ফিফটি করেছিলেন জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার লিটন দাস ও সাইফ হাসান। তাঁদের ফিফটিতে জাতীয় দলের আদলে গড়া ধূমকেতু সহজ জয় পেয়েছিল দুরন্তর বিপক্ষে।
১০ ঘণ্টা আগে
ক্যালেব ফ্যালকনার লড়ে গেলেন নিঃসঙ্গ শেরপার মতো। একপ্রান্তে ঝড় তুললেও সতীর্থদের কাছ থেকে তেমন সহায়তা পাননি। পাঁচ নম্বরে নামা এই ব্যাটার যখন ইংল্যান্ডের শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার পর ভারত তখন উল্লাসে ব্যস্ত। ষষ্ঠবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের আনন্দের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) বাদ দেওয়ার পর পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বর্জন নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের মতো অবশ্য পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেনি। আগামীকাল ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে সালমান আলী আঘার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান। যে মাঠে তারা
১২ ঘণ্টা আগে