
রেকর্ড বই বলছে, টানা ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। চলতি বিশ্বকাপে এখনো কোনো প্রতিপক্ষ স্পেনের জালের নাগাল পায়নি। আজ লস অ্যাঞ্জেলেসে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে যখন বেলজিয়ামের মুখোমুখি হওয়ার আগে স্প্যানিশদের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। মাঠের লড়াইয়ের আগে স্পেনের অন্যতম ভরসা দানি অলমো স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য কেবল কোয়ার্টার ফাইনাল পার হওয়া নয়, বরং পুরো বিশ্বকাপ নিজেদের করে নেওয়া।
অতীতের কোনো রেকর্ড বা পরিসংখ্যান যে মাঠের লড়াইয়ে বাড়তি সুবিধা দেয় না, সেটি বেশ ভালোই জানা অলমোর। দলের আত্মবিশ্বাসী মনোভাব ফুটিয়ে তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি ম্যাচকেই এক একটি ফাইনাল মনে করে মাঠে নামি। কোচের সরল বার্তা—পরের ম্যাচটাই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত থাকা আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল না, আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো প্রতিটি ম্যাচ জেতা।’ বেলজিয়ামের শক্তিকে সমীহ করলেও অলমোর কথায় ঝরেছে নিজেদের কৌশলের ওপর অগাধ আস্থা। অন্য কোনো দল কী করল, তা নিয়ে না ভেবে নিজেদের দুর্বলতাগুলো প্রতিনিয়ত শুধরে নেওয়াই স্পেনের প্রধান শক্তি।
চলতি টুর্নামেন্টে স্পেনের গোলপোস্টের নিচে উনাই সিমন যেন এক চীনের প্রাচীর। তবে এই অভেদ্য রক্ষণকে কোনো একক কৃতিত্বের ফ্রেমে বাঁধতে নারাজ অলমো। পুরো স্কোয়াডের দলগত প্রচেষ্টাকে সামনে এনে এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বলেন, ‘আমাদের কৌশলটা পরিষ্কার—সবাই মিলে আক্রমণ করা আর সবাই মিলে রক্ষণ সামলানো। কোচ আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন, দলের স্ট্রাইকারই হলেন প্রথম ডিফেন্ডার। উনাই এবং আমাদের ডিফেন্স লাইন দুর্দান্ত খেলছে। আমরা যদি নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারি, তবে জয় আমাদের হাতের মুঠোয় আসবেই; কারণ, গোল করার মতো সুযোগ আমরা প্রতিনিয়ত তৈরি করছি।’
স্পেনের আক্রমণভাগের মূল ভরসা এখন দুই তরুণ তুর্কি—লামিনে ইয়ামাল ও পেদ্রি। ইয়ামাল গোল না পেলেও কীভাবে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে তছনছ করে দিচ্ছেন, সেই কৌশলগত ব্যাখ্যাও দিলেন অলমো। তাঁর মতে, ইয়ামালের গতি ও ড্রিবলিং মাঠের অন্য প্রান্তে স্পেস বা খালি জায়গা তৈরি করে দেয়, যা স্পেনের আক্রমণকে আরও ধারালো করে তোলে। পেদ্রিকে দলের জন্য ‘অনন্য’ আখ্যা দিয়ে অলমো যোগ করেন, ‘পেদ্রিকে মাঠে দেখাটা একটা পরম আনন্দ। ও থাকা মানেই দলের শক্তি দ্বিগুণ হয়ে যাওয়া। আমাদের কৌশলে ও অপরিহার্য।’
প্রতিপক্ষ বেলজিয়ামের ম্যাচ ঘোরানোর মতো একঝাঁক তারকা নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক স্পেন। তবে অলমোর ভরসা দলের বেঞ্চের গভীরতায়। শুরুর একাদশ হোক কিংবা বদলি খেলোয়াড়—ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার মতো ফুটবলার দে লা ফুয়েন্তের হাতে রসদের কম নেই। সব মিলিয়ে বেলজিয়ামের গতিময় ফুটবলের বিপক্ষে নিজেদের নিখুঁত পাসিং আর পজেশন ধরে রাখার চিরচেনা রসায়ন নিয়েই আজ শেষ চারের টিকিট কাটতে নামছে স্পেন।

বোস্টনে গত রাতে মরক্কোকে ২-০ গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়েছে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পের এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে ফরাসিরা। আজ রাতে নিশ্চিত হবে ফ্রান্সের সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন-বেলজিয়াম। এক নজ
২৭ মিনিট আগে
পেনাল্টি থেকে গোলটা করতে পারলেই কিলিয়ান এমবাপ্পে বসে যেতেন লিওনেল মেসির পাশে। কিন্তু এমবাপ্পে সোজা বলটা তুলে দিলেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর হাতে। এমন ঘটনার পর চলছে নানা আলোচনা। ম্যাচ শেষে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লিওনেল মেসি। গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট করে রেকর্ড বই তছনছ করছেন তিনি। তবে আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেললে বিপাকে পড়তে পারেন তারকা ফরোয়ার্ড। এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইতিহাস নিজেই নিজের পুনরাবৃত্তি ঘটায়—বিশ্বকাপে ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের ফল মানে তো এমন কিছুই। টানা দুই বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে ফ্রান্সের কাছে হেরে গেল মরক্কো। তবে আগামী বিশ্বকাপে মরক্কো ভিন্ন গল্প লিখবে বলে আশাবাদী দলটির কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি।
৩ ঘণ্টা আগে