সংক্রমিত কোষ থেকে সফলভাবে এইচআইভি ভাইরাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। নোবেলজয়ী ক্রিসপার জেন-এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সফলতা এসেছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এই প্রযুক্তির সাহায্যে কোষের আণবিক স্তরে ডিএনএকে অনেকটা কাঁচির মতো কেটে ফেলা যায়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার এই পর্যায়ে শরীর থেকে ভাইরাসটিকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রক্রিয়াটি নিরাপদ কি-না তা পরীক্ষা করার জন্যও আরও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত এইচআইভি ভাইরাসের যেসব ওষুধ পাওয়া যায় সেগুলো এই ভাইরাসের কার্যক্রমকে কিছু সময়ের জন্য থামিয়ে রাখতে পারে কিন্তু পুরোপুরিভাবে নির্মূল করতে পারে না।
আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষক দলটি একটি মেডিকেল কনফারেন্সে তাদের প্রাথমিক ফলাফলের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেছে। সফলতার বিষয়টিকে তাঁরা শুধুমাত্র একটি প্রাথমিক অবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এর মানে এই নয় যে—শিগগিরই এইচআইভি ভাইরাস নিরাময় সম্ভব হবে।
এই গবেষণার বিষয়ে নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেম-সেল এবং জিন-থেরাপি প্রযুক্তির সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর জেমস ডিক্সন মত দিয়েছেন, ফলাফলগুলো এখনো অনেক যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।
এইচআইভি আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষের আজীবন অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপির প্রয়োজন হয়। যদি একজন এইচআইভি রোগী নির্ধারিত ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয়—তাহলে সুপ্ত ভাইরাস আবার জেগে উঠতে পারে এবং সমস্যার কারণ হতে পারে।

প্লাস্টিকের বোতল ও কৃষিজ বর্জ্য ব্যবহার করে ভবিষ্যতে খাওয়ার উপযোগী, ভ্যানিলা-স্বাদের কুকি তৈরি করা সম্ভব হতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক। জিনগতভাবে পরিবর্তিত ইস্ট বা খামির ব্যবহার করে এই কুকি তৈরির প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করা হয়েছে।
৭ দিন আগে
প্রায় দুই দশক ধরে আমরা জানি, চাঁদে কোনো না কোনো ফর্মে অর্থাৎ কোনো না কোনো রূপে পানি রয়েছে। কিন্তু এখনো আমরা ঠিক জানি না, চাঁদের যেসব গর্তে সব সময় ছায়া থাকে, সেখানে কতটা ব্যবহারযোগ্য বরফ জমে আছে বা সেই বরফ কতটা গভীরে চাপা পড়ে আছে কিংবা ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে।
৯ দিন আগে
যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইতালির পলিটেকনিকো দ্য তুরিনের এক যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি কেজি পেলোড (মালামাল) মহাকাশে পাঠাতে বিশ্বের প্রধান মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে ভারতের খরচ সবচেয়ে বেশি।
৯ দিন আগে
একই পুরুষ ইঁদুরের জিনগত উপাদান ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ পুরুষ ও স্ত্রী ইঁদুরের জন্ম দিয়েছেন জাপানের একদল বিজ্ঞানী। জিন সম্পাদনা বা ‘জিন এডিটিং’ প্রযুক্তির সাহায্যে পুরুষ ভ্রূণ থেকে ওয়াই (Y) ক্রোমোজোম সম্পূর্ণ অপসারণ করে এই রূপান্তর ঘটানো হয়েছে।
১১ দিন আগে