চলতি বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ হবে আগামী ২০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। এই গ্রহণের বিশেষত্বের ফলে বলা হচ্ছে হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ। হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ সাধারণত ১০০ বছর পরপর হলেও এবার মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে আবার দেখা যাচ্ছে। এর আগে ২০১৩ সালে হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ হয়েছিল।
স্পেস ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি ১৮ মাস পরপর একটি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়। এই সময় সূর্যকে চাঁদ পুরোপুরি ঢেকে দেয়। সূর্যের নানা রকমের গ্রহণ হয়। কখনো আংশিক আবার কখনো পুরোপুরি ঢাকা পড়ে সূর্য, যাকে বলে পূর্ণগ্রাস। আবার কখনো বলয়গ্রাস হয়, যা ‘রিং অব ফায়ার’ হিসেবে পরিচিত। যদি তিন রকম গ্রহণ একসঙ্গে ঘটে, তাকে হাইব্রিড গ্রহণ বলা হয়।
চলতি বছর মোট চারটি গ্রহণ হবে, সেগুলোর মধ্যে দুটি চন্দ্রগ্রহণ এবং দুটি সূর্যগ্রহণ ৷ নাসা জানিয়েছে, এবারের হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ শুধু অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলের এক্সমাউথ শহর থেকে পুরোপুরি দেখা যাবে। পুরো গ্রহণের স্থায়িত্ব হবে ১ মিনিট ১৬ সেকেন্ড।
পরবর্তী সূর্যগ্রহণটি হবে ১৪ অক্টোবর, শনিবার। ২০২৩ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ৫ মে, ২০২৩ শুক্রবার। দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণটি হবে ২৮ অক্টোবর, রোববার।

১৮৭২ সালের ৫ ডিসেম্বর উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ‘মেরি সেলেস্ট’। জাহাজটিতে তখন কোনো মানুষ ছিল না। অথচ খাবার, মালপত্র ও নাবিকদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র প্রায় অক্ষত অবস্থায় পড়ে ছিল।
৭ দিন আগে
সম্প্রতি আবিষ্কৃত একটি গ্রহাণু খুব কাছ দিয়ে পৃথিবী অতিক্রম করতে যাচ্ছে। তবে এতে কোনো ধরনের বিপদের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) জানিয়েছে, ‘২০২৬ জেএইচ২’ নামের এই গ্রহাণুটি আজ সোমবার (১৮ মে) পৃথিবীর প্রায় ৯১ হাজার ৫৯৩ কিলোমিটার দূর দিয়ে অতিক্রম করছে।
৭ দিন আগে
মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে আসা মানুষের অভিজ্ঞতাকে বলা হয়—‘নিয়ার-ডেথ এক্সপেরিয়েন্স’ বা ‘এনডিই’। দীর্ঘদিন ধরেই জীবন আর মৃত্যুর মাঝে থাকা এই ধূসর অবস্থাটি নিয়ে বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের কৌতূহলের অন্ত নেই।
৮ দিন আগে
১৮৪৫ সালের দুর্ভাগ্যজনক ফ্রাঙ্কলিন অভিযানের চার নাবিকের পরিচয় অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। প্রায় ১৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আর্কটিকে নিখোঁজ থাকা এই অভিযানের রহস্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে।
৮ দিন আগে