
মিছিলে বাধা দিলে পুলিশকে চাপে ফেলার হুমকি দিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন গাজীপুর জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি সুলতান মো. সিরাজুল ইসলাম। মহানগর পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ করে দেওয়া পোস্টটি খুব দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয় পড়ে।
রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সুলতান মো. সিরাজুল ইসলাম তাঁর ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে পোস্টটি করেন।
পোস্টে সিরাজুল ইসলাম লেখেন, ‘মাননীয় পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপার মহোদয় মিছিল করেছি, কাউকে হত্যা করি নাই। রাষ্ট্রের কোন ক্ষতিও করি নাই। পুলিশ যদি ডিস্টার্ব করেন আমার নেতাকর্মীদের, তাহলে আপনাদেরকেও চাপে ফেলার কৌশল আমি জানি।’
পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘সকল থানার সামনে মিছিল করব। আর আমার সম্পর্কে ধারণা আছে তো ইনশাআল্লাহ। আমি যা বলি তা করি। রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়ে মোকাবেলা করতে বলেন। প্রতিহিংসা বা রাষ্ট্রের শক্তি দিয়ে নয়।’
পোস্টের শেষে ‘সুলতান মো. সিরাজুল ইসলাম, সভাপতি, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগ’ পরিচয় উল্লেখ করা হয়।
এ দিকে পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনদের কাউকে এই পোস্টের সমর্থনে, কাউকে বিরোধিতা করে, আবার কাউকে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করতেও দেখা গেছে।
এই পোস্টের বিষয়ে মন্তব্য জানতে গাজীপুর পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার তার অফিশিয়াল নম্বরে কল দেওয়া হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুন (১৯) ‘আত্মহত্যার’ সময় ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটেই ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি তখন আত্মীয়স্বজন নিয়ে ডাইনিংয়ে খাওয়া-দাওয়া করছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামও। এমপি নজরুল নামাজ পড়ার পরে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনে...
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা এক নির্মাণশ্রমিককে চাপা দিয়েছে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদী হাসান (২৪) নামের ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রেহানা পারভীন হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত পলাতক আসামি তাঁর স্বামী আওলাদ হোসাইন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে স্ত্রী নিখোঁজ বলে প্রচার করে ফিরে যান অস্ট্রেলিয়ায়। স্ত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে মর্মে জাল মৃত্যু সনদ দেন সে দেশের সরকারি দপ্তরে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।
৫ ঘণ্টা আগে
গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক দূষণমুক্ত করতে তিন বছরের প্রকল্প টেনে বাড়ানো হয়েছে ১৬ বছর। ব্যয় বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা। তবু দূষণমুক্ত হয়নি রাজধানীর সবচেয়ে অভিজাত এলাকার এই জলাশয়। প্রকল্পটির অনিয়ম নিয়ে উত্থাপিত অডিট আপত্তিগুলোরও বড় অংশ অনিষ্পন্ন রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে