
বন্ধ থাকা ট্যুরিস্ট ভিসা চালু এবং দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার কাছে আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) নেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে এই অনুরোধ জানান জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
বারিধারায় ভারতীয় দূতাবাসে এই সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসরুর মাওলা।
সাক্ষাৎ শেষে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশ সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় প্রণয় ভার্মাকে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়। সাক্ষাতে আমরা বাংলাদেশ ও ভারতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।’
রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘বিশেষ করে দুই দেশের মানুষের সম্পর্ক কীভাবে আরও সুদৃঢ় করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি বাস্তবায়ন এবং শিগগির ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট। আজ বুধবার এনসিপি কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
হামে শিশু মৃত্যু কোনো গাফিলতি নয়, এটি একটি সুস্পষ্ট ক্রাইম। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা অভিভাবকদের হাহাকার দেখছি। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না কীভাবে এই সংকট তৈরি হয়েছে। এটি আল্লাহপ্রদত্ত কোনো সংকট নয়...
২১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী হলো একটা আফিম, এটা মাদকের চেয়েও ডেঞ্জারাস। এটা একবার যে খায়, সে জীবনে আর ভুলতে পারে না। এখানে তাদের নেতারা যা বলেন শুদ্ধ-অশুদ্ধ-ভুল, এরা এটাই মানে। মওদুদির বংশের কেউ কিন্তু জামায়াতে ইসলামী করে না...
১ দিন আগে
আমরা সবাই বলছি তরুণদের রাজনীতিতে আসতে হবে। এ রকম যদি হয় যে, আমলাদের আটকানোর প্রয়োজন বা আইজিপিদের বা গুরুত্বপূর্ণ পদধারী, যাঁরা সত্যিকার অর্থেই প্রভাব বিস্তার করতে পারে, রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় তাদের আটকান। কিন্তু যাঁরা আসলে এই ধরনের নিরীহ চাকরিতে ছিল, তাদের আটকানো মনে হয় না খুব সংগত বিষয়...
১ দিন আগে