
বারিধারায় ভারতীয় দূতাবাসে এই সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসরুর মাওলা।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের গত পাঁচ দশকের প্রথা ভেঙে এক ব্যতিক্রম ও কৌশলগত পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পেশাদার কূটনীতিকদের ওপর ভরসা রাখলেও, এবার নয়াদিল্লি সেখানে একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিকে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বেশ বৈচিত্র্যময়। আশির দশকে কংগ্রেসে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করলেও ১৯৯০ সালে তিনি জনতা দলে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনি দলটির প্রথম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন।