আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিজয়ের মাসে অধিকাংশ পত্রিকা ও টেলিভিশনগুলোর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ওই ফেসবুক পোস্টে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাসে অধিকাংশ পত্রিকা ও টেলিভিশনগুলোর ভূমিকা দেখছি। গত বছরের বিজয়ের মাসের, আর এবারের ভূমিকা দেখুন। ছিঃ!’
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়েনের সাবেক এই সভাপতি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিগত দিনে দেখতাম, বিভিন্ন পত্রিকা বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে একটি কলাম ঝুলাত, এরপর প্রত্যেক দিন কোনো না কোনো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরত। তবে এবার অধিকাংশ পত্রিকায় সেটি দেখছি না। এ ছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশনে বিজয়ের মাসের কাউন্টডাউন করত। এবার সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সে জন্যই আমি এই প্রশ্ন তুললাম।’
বিজয়ের মাস নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর নীরব ভূমিকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি সেটা সংবাদমাধ্যমগুলোর কাছেই জানতে চাই। অতীতে তাঁরা যেটি করেছে সেটাতে কি তাঁদের বিশ্বাস নেই। নাকি সরকারের চাপে করেছিল। আর এবার কি সরকার তাঁদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে? নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করলে তাঁরা সেল্ফ সেন্সরশিপ করেছে কি না?’
তিনি আরও জানান, বিজয়ের মাস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ১ ডিসেম্বর সারা দেশে পতাকা মিছিল করেছে। মাসব্যাপী দলটির কর্মসূচী চলছে। বিজয়ের মাস প্রতিবছরের মতোই পালন করছে দলটি।

বিজয়ের মাসে অধিকাংশ পত্রিকা ও টেলিভিশনগুলোর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ওই ফেসবুক পোস্টে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাসে অধিকাংশ পত্রিকা ও টেলিভিশনগুলোর ভূমিকা দেখছি। গত বছরের বিজয়ের মাসের, আর এবারের ভূমিকা দেখুন। ছিঃ!’
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়েনের সাবেক এই সভাপতি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিগত দিনে দেখতাম, বিভিন্ন পত্রিকা বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে একটি কলাম ঝুলাত, এরপর প্রত্যেক দিন কোনো না কোনো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরত। তবে এবার অধিকাংশ পত্রিকায় সেটি দেখছি না। এ ছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশনে বিজয়ের মাসের কাউন্টডাউন করত। এবার সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সে জন্যই আমি এই প্রশ্ন তুললাম।’
বিজয়ের মাস নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর নীরব ভূমিকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি সেটা সংবাদমাধ্যমগুলোর কাছেই জানতে চাই। অতীতে তাঁরা যেটি করেছে সেটাতে কি তাঁদের বিশ্বাস নেই। নাকি সরকারের চাপে করেছিল। আর এবার কি সরকার তাঁদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে? নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করলে তাঁরা সেল্ফ সেন্সরশিপ করেছে কি না?’
তিনি আরও জানান, বিজয়ের মাস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ১ ডিসেম্বর সারা দেশে পতাকা মিছিল করেছে। মাসব্যাপী দলটির কর্মসূচী চলছে। বিজয়ের মাস প্রতিবছরের মতোই পালন করছে দলটি।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৫ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৫ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৮ ঘণ্টা আগে