
জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। গতকাল বুধবার এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ও ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। এসব কর্মসূচির কারণে কোথাও কোথাও মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। যানজটে ব্যাপকভাবে ভুগেছে ঢাকাবাসী। এদিকে হামলার প্রতিবাদে সারা দেশে আজ বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি।
এক বছর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মানুষের কথা শুনতে ১ জুলাই থেকে সব জেলায় পদযাত্রা শুরু করে এনসিপি। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। এর অংশ হিসেবে গতকাল গোপালগঞ্জে পত্রযাত্রা কর্মসূচি পালন করে এনসিপি। গতকাল সেখানে সমাবেশ করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। এই সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হামলা চালান ছাত্রলীগ, যুবদলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
গোপালগঞ্জে গতকাল হামলার পরে ঢাকায় বিক্ষোভ ও ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন এনসিপি নেতারা। রাজধানীর শাহবাগ, রামপুরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা মিরপুরসহ কয়েকটি স্থানে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। এ সময় এসব স্থানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
গতকাল বিকেল পাঁচটায় বিভিন্ন এলাকা থেকে এনসিপির নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে শাহবাগে জড়ো হন। এক ঘণ্টা অবস্থান করে ছয়টার দিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ব্লকেড কর্মসূচি তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।
ব্লকেডের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন, আমি খুবই হতাশ হয়েছি যখন প্রশাসন জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সারা দেশে ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছি। এর মধ্যেই অনেক স্থানে ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ব্লকেড তুলে নেওয়ার ঘোষণায় তিনি বলেন, আমরা আগামী ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলাম। এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপি সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। সেই সঙ্গে জনগণের দুর্ভোগের কথা ভেবে আমরা কর্মসূচি তুলে নিচ্ছি।
গোপালগঞ্জে হামলার পর গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। এই বিক্ষোভে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরাও অংশ নেন। এতে ওই এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত নেতারা হুমকি দেন, গোপালগঞ্জের পরিণতি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মতো হবে।
এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজার শহরের লিংক রোড, ঈদগাঁওসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ শেষে বিক্ষোভ করছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। এ সময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কসহ অভ্যন্তরীণ সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এ সময় ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রীরা। বিক্ষোভ, ব্লকেড ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে নোয়াখালী শহরের মাইজদীর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাইজদী-চৌমুহনী প্রধান সড়কে। লক্ষ্মীপুর শহরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কে এই বিক্ষোভের কারণে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। অবরোধের দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে ২৪ ঘণ্টার আালটিমেটাম দিয়ে সড়ক অবরোধ তুলে নেন নেতা-কর্মীরা।
কুমিল্লায় গতকাল বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে হামলার নিন্দা জানান এবং জড়িতদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা। ৪০ মিনিট ধরে অবরোধ কর্মসূচি চলে। এসময় রাস্তার দুই দিকে যানজটের সৃষ্টি হয়। জনভোগান্তির কথা মাথায় রেখে দ্রুত অবরোধ কর্মসূচি তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।
এনসিপির পথসভায় হামলার প্রতিবাদে নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মহাসড়কের জেলখানা মোড়ে বুধবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হওয়া এই ব্লকেড চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। একই ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদে গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন গাজীপুর মহানগর এনসিপির নেতা-কর্মীরা।
একই দাবিতে মানিকগঞ্জের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এসসিপির আহ্বায়ক কমিটির নেতা-কর্মীরা। ঢাকার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার (জাবি) নেতা-কর্মীরা।
হামলার প্রতিবাদে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উত্তর থানা-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। এতে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গমুখী যান চলাচল প্রায় ৫০ মিনিট বন্ধ থাকে। হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা প্রায় ৬টা পর্যন্ত খুলনা-ভাঙ্গা-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়।
নারায়ণগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল বিকেলে মহাসড়কের সাইনবোর্ড অংশ অবরোধ করেন তাঁরা। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাজবাড়ীতে ঢাকাগামী ও খুলনাগামী মহাসড়ক এবং রাজবাড়ী-ফরিদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়।
কিশোরগঞ্জে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সন্ধ্যায় ১ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ করেছেন মাদারীপুর শহরের লেকেরপাড়ের স্বাধীনতা অঙ্গনের মঞ্চে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এনসিপি নেতারা।
সারা দেশের মতো সিলেটেও ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল বিকালে নগরীর চৌহাট্টায় এ কর্মসূচি পালন করে ছাত্র-জনতা। পরে তারা দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেওয়া হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা সেখানে অবস্থানের পর এনসিপির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্লকেড তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী নগরের অলোকার মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে এনসিপি। এই মিছিল নগরের সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ হয়েছে নওগাঁয়ও। হামলার প্রতিবাদে যশোর চাঁচড়া মোড়ে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। এমন বিক্ষোভ হয়েছে বাগেরহাটে, বরগুনার আমতলী, ভোলা ও ঝালকাঠিতে।

জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। গতকাল বুধবার এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ও ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। এসব কর্মসূচির কারণে কোথাও কোথাও মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। যানজটে ব্যাপকভাবে ভুগেছে ঢাকাবাসী। এদিকে হামলার প্রতিবাদে সারা দেশে আজ বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি।
এক বছর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মানুষের কথা শুনতে ১ জুলাই থেকে সব জেলায় পদযাত্রা শুরু করে এনসিপি। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। এর অংশ হিসেবে গতকাল গোপালগঞ্জে পত্রযাত্রা কর্মসূচি পালন করে এনসিপি। গতকাল সেখানে সমাবেশ করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। এই সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হামলা চালান ছাত্রলীগ, যুবদলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
গোপালগঞ্জে গতকাল হামলার পরে ঢাকায় বিক্ষোভ ও ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন এনসিপি নেতারা। রাজধানীর শাহবাগ, রামপুরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা মিরপুরসহ কয়েকটি স্থানে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। এ সময় এসব স্থানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
গতকাল বিকেল পাঁচটায় বিভিন্ন এলাকা থেকে এনসিপির নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে শাহবাগে জড়ো হন। এক ঘণ্টা অবস্থান করে ছয়টার দিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ব্লকেড কর্মসূচি তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।
ব্লকেডের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন, আমি খুবই হতাশ হয়েছি যখন প্রশাসন জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সারা দেশে ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছি। এর মধ্যেই অনেক স্থানে ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ব্লকেড তুলে নেওয়ার ঘোষণায় তিনি বলেন, আমরা আগামী ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলাম। এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপি সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। সেই সঙ্গে জনগণের দুর্ভোগের কথা ভেবে আমরা কর্মসূচি তুলে নিচ্ছি।
গোপালগঞ্জে হামলার পর গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। এই বিক্ষোভে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরাও অংশ নেন। এতে ওই এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত নেতারা হুমকি দেন, গোপালগঞ্জের পরিণতি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মতো হবে।
এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজার শহরের লিংক রোড, ঈদগাঁওসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ শেষে বিক্ষোভ করছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। এ সময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কসহ অভ্যন্তরীণ সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এ সময় ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রীরা। বিক্ষোভ, ব্লকেড ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে নোয়াখালী শহরের মাইজদীর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাইজদী-চৌমুহনী প্রধান সড়কে। লক্ষ্মীপুর শহরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কে এই বিক্ষোভের কারণে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। অবরোধের দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে ২৪ ঘণ্টার আালটিমেটাম দিয়ে সড়ক অবরোধ তুলে নেন নেতা-কর্মীরা।
কুমিল্লায় গতকাল বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে হামলার নিন্দা জানান এবং জড়িতদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা। ৪০ মিনিট ধরে অবরোধ কর্মসূচি চলে। এসময় রাস্তার দুই দিকে যানজটের সৃষ্টি হয়। জনভোগান্তির কথা মাথায় রেখে দ্রুত অবরোধ কর্মসূচি তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।
এনসিপির পথসভায় হামলার প্রতিবাদে নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মহাসড়কের জেলখানা মোড়ে বুধবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হওয়া এই ব্লকেড চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। একই ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদে গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন গাজীপুর মহানগর এনসিপির নেতা-কর্মীরা।
একই দাবিতে মানিকগঞ্জের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এসসিপির আহ্বায়ক কমিটির নেতা-কর্মীরা। ঢাকার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার (জাবি) নেতা-কর্মীরা।
হামলার প্রতিবাদে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উত্তর থানা-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। এতে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গমুখী যান চলাচল প্রায় ৫০ মিনিট বন্ধ থাকে। হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা প্রায় ৬টা পর্যন্ত খুলনা-ভাঙ্গা-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়।
নারায়ণগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল বিকেলে মহাসড়কের সাইনবোর্ড অংশ অবরোধ করেন তাঁরা। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাজবাড়ীতে ঢাকাগামী ও খুলনাগামী মহাসড়ক এবং রাজবাড়ী-ফরিদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়।
কিশোরগঞ্জে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সন্ধ্যায় ১ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ করেছেন মাদারীপুর শহরের লেকেরপাড়ের স্বাধীনতা অঙ্গনের মঞ্চে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এনসিপি নেতারা।
সারা দেশের মতো সিলেটেও ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল বিকালে নগরীর চৌহাট্টায় এ কর্মসূচি পালন করে ছাত্র-জনতা। পরে তারা দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেওয়া হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা সেখানে অবস্থানের পর এনসিপির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্লকেড তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী নগরের অলোকার মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে এনসিপি। এই মিছিল নগরের সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ হয়েছে নওগাঁয়ও। হামলার প্রতিবাদে যশোর চাঁচড়া মোড়ে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। এমন বিক্ষোভ হয়েছে বাগেরহাটে, বরগুনার আমতলী, ভোলা ও ঝালকাঠিতে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১২ ঘণ্টা আগে