নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আবার বিজয়ী হলে পর্যায়ক্রমে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে নির্বাচনী ইশতেহারের এই ঘোষণা তুলে ধরেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।
ইশতেহারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য আওয়ামী লীগ অঙ্গীকার করেছে। বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা; বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ (রিটায়ারমেন্ট) করা হবে।
দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করতে আইন পাস করে। এরপর সংসদে আইন করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়। আইনানুযায়ী উৎপাদনে না গেলেও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে সরকার থেকে নির্ধারিত অর্থ দিতে হয়। যা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে দেশে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন এ ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
দলটির ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য গ্রিড যুগোপযোগী করা হবে।
নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং এই অঞ্চলে আন্তরাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা হবে। সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ২৪ হাজার সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত করা হবে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জ্বালানির বিষয়ে আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার হচ্ছে, দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। গ্যাস ও এলপিজি সরবরাহ বৃদ্ধি করা হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইশতেহারে বলা হয়, বিদেশি তেল-গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কূপ খনন ও উন্নয়নের চুক্তিতে দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখা হবে। গ্যাস মজুতের পরিমাণ নির্ধারণ, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার, উত্তোলন এবং গ্যাসের যুক্তিসংগত ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা এখন উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেক। চাহিদার এমন পরিস্থিতিতেও ব্যয়বহুল ভাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে সরকার। সর্বশেষ গত ৮ নভেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে গ্যাসভিত্তিক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্যয়বহুল রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো উপভোগ করা অব্যাহত রাখার এই পদক্ষেপ সরকারের ওপর ভর্তুকির বোঝা বাড়াবে। আর, এমন একটি সময়ে এই সিদ্ধান্ত এল, যখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্বৃত্ত ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে।
গত বছর সরকার ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’-এর নতুন বিধান দিয়ে কমপক্ষে ১০টি রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। আর এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের পরিশোধের জন্য ৬ হাজার ৫৬৪ কোটি ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখে।

আবার বিজয়ী হলে পর্যায়ক্রমে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে নির্বাচনী ইশতেহারের এই ঘোষণা তুলে ধরেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।
ইশতেহারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য আওয়ামী লীগ অঙ্গীকার করেছে। বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা; বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ (রিটায়ারমেন্ট) করা হবে।
দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করতে আইন পাস করে। এরপর সংসদে আইন করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়। আইনানুযায়ী উৎপাদনে না গেলেও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে সরকার থেকে নির্ধারিত অর্থ দিতে হয়। যা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে দেশে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন এ ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
দলটির ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য গ্রিড যুগোপযোগী করা হবে।
নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং এই অঞ্চলে আন্তরাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা হবে। সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ২৪ হাজার সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত করা হবে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জ্বালানির বিষয়ে আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার হচ্ছে, দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। গ্যাস ও এলপিজি সরবরাহ বৃদ্ধি করা হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইশতেহারে বলা হয়, বিদেশি তেল-গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কূপ খনন ও উন্নয়নের চুক্তিতে দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখা হবে। গ্যাস মজুতের পরিমাণ নির্ধারণ, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার, উত্তোলন এবং গ্যাসের যুক্তিসংগত ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা এখন উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেক। চাহিদার এমন পরিস্থিতিতেও ব্যয়বহুল ভাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে সরকার। সর্বশেষ গত ৮ নভেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে গ্যাসভিত্তিক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্যয়বহুল রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো উপভোগ করা অব্যাহত রাখার এই পদক্ষেপ সরকারের ওপর ভর্তুকির বোঝা বাড়াবে। আর, এমন একটি সময়ে এই সিদ্ধান্ত এল, যখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্বৃত্ত ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে।
গত বছর সরকার ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’-এর নতুন বিধান দিয়ে কমপক্ষে ১০টি রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। আর এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের পরিশোধের জন্য ৬ হাজার ৫৬৪ কোটি ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখে।

রাজনীতিবিদেরা যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ ২৮ জন সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহসভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী ত্বোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক পদে রয়েছেন তারেক আজাদ।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
১৯ ঘণ্টা আগে